দেশের স্বার্থেই রামপাল প্রকল্প বাতিল করবেন প্রধানমন্ত্রী
Monday, 29th August , 2016, 04:47 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

দেশের স্বার্থেই রামপাল প্রকল্প বাতিল করবেন প্রধানমন্ত্রী



লাস্টনিউজবিডি, ২৯ আগস্ট,  ঢাকা: সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে এবং সামাজিক দায়বোধ থেকে স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন হিসেবে গত কয়েক বছরে বিকশিত হয়েছে জানিয়েছেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।

কমিটির নেতারা বলেন, এই আন্দোলন এভাবেই এগিয়ে যাবে। এই আন্দোলনকে কলঙ্কিত না করে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতি দায়বোধ থেকে জনগণের স্বার্থ বুঝতে চেষ্টা করবেন এবং মানুষ ও প্রকৃতি বিধ্বংসী প্রকল্প বাতিল করবেন বলে আমরা এখনো আশা করি।

সোমবার সকাল ১১টায় রাজধানীর মুক্তিভবনের প্রগতি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এ কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহম্মদ। পরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, ‘গ্যাসের মজুদ দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় অদূর ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আর গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে না’ কিন্তু প্রকৃত তথ্য হল, এই মুহূর্তে বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য ১২ বছরের নিশ্চিত রিজার্ভ ১৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আছে। দেশের ৬৩ ভাগ অর্থাৎ ৫০৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্যাস দিয়ে উৎপাদিত হচ্ছে। নবায়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিলে প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াটের বাড়তি উৎপাদন এখনই করা সম্ভব। গ্যাসের সম্ভাবনা নষ্টের জন্য দায়ি সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতি।

এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্ল্যান্ট বসানো হবে এবং এতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস ১.৬ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক তথ্য বলে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের তাপমাত্রা এখানকার কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনের কারণে বেশ খানিকটা বেড়ে যাবে, যার প্রভাবে সরকারী ভাষ্য মতে ১৪ কিলোমিটার দূরের সুন্দরবনও গরম হয়ে যাবে এবং নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইড ১.৬ কিলোমিটারের মধ্যে আটকে রাখা অসম্ভব এবং অবাস্তব।

‘এছাড়া এফজিডি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তথ্য বলছে, বায়ু দূষণমুক্ত করার জন্য স্ক্রাবার ব্যবহার করা হবে জেনে ২০০৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভিনিয়ার হ্যাটফিল্ডস ফেরী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষণের ভুক্তভোগীরা খুশিই হয়েছিলেন। পরে দেখা গেলো স্ক্রাবার ব্যবহার করার ফলে বাতাস কিছুটা দূষণমুক্ত হচ্ছে, কিন্তু তার বদলে দূষিত হচ্ছে পানি! এ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট বিপুল পরিমাণ তরল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে পার্শ্ববর্তী মননগাহেলা নদীতে, যে নদী ৩ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের খাওয়ার পানির যোগান দেয়। সেখানে ২৪ কিমি দূরে বসবাসকারি মানুষও তাই বলেন, ‘মনে হচ্ছে তারা আমাদেরকে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বিষ গ্রহণ থেকে মুক্তি দিয়েছে, বিনিময়ে আমাদেরকে সেই বিষ পানির সাথে পান করতে হচ্ছে।’

‘প্রধানমন্ত্রী বায়ু প্রবাহ সুন্দরবনের বিপরীত দিকে, সুন্দরবনের উল্টো দিকে প্রবাহিত হওয়ার কথা বলেছেন। সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছে, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি বছরের এই ৪ মাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাতাস সুন্দরবনের দিকে প্রবাহিত হবে। (সূত্র: রামপাল ইআইএ পৃষ্ঠা-২৮৪) আরেকটি বিষয় হলো, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষণ শুধু বায়ুবাহিত নয়, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানিদূষণ, শব্দদূষণ, ছাইয়ের দূষণ, কয়লা পরিবহণের কারণে দূষণ সারা বছর ধরেই ঘটবে যার সঙ্গে বাতাসের দিকের কোনো সম্পর্ক নেই।’

‘প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, দূষিত বা গরম পশুর নদীতে ফেলা হবে না। কিন্তু পশুর নদীতে যে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রী বেশি গরম পানি ফেলা হবে সেটা খোদ কোম্পানিরই রিপোর্টে এবং জাইকার একটি রিপোর্টে থার্মাল ইফ্লুয়েন্ট নির্গমনের ফলে পানির তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত বৃদ্ধির এবং এর ফলে মাছের ক্ষতি হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।’

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভারতের সাথে আমাদের তুলনা করে খাটে না। কিন্তু ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি ও বনাঞ্চল-নদী-কৃষি-জীবন-জীবিকা ইত্যাদি জালের মতো পরস্পরের ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার কারণে এখানে বরং ক্ষতি আরো বেশি হওয়ার কথা, সেই কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসব প্রকল্পের বিষয়ে আরো বেশি সাবধান হওয়া দরকার। ভারতে ২৫ কি.মি. সীমার মধ্যে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র যদি নিরাপদ না হয় তাহলে বাংলাদেশ ছোট দেশ হওয়ার কারণে সেই কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র আরও অনিরাপদ হবে।
কয়লা পরিবহনের বেলায় শব্দ, আলো দূষণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা, কাভার্ড বার্জে কয়লা পরিবহনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তথ্য বলছে, রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লার জাহাজ চলাচলের ফলে সুন্দরবনের যে বিপদ সম্পর্কে আমরা এতদিন ধরে বলে আসছি, খোদ কোল ট্রান্সপোর্ট ইআইএ রিপোর্টেও তার অনেকগুলোই আছে। যেমন- জাহাজ থেকে কয়লার গুড়ো ও ধুলা ছড়ানো, জাহাজ ডুবে তেল ও কয়লা ছড়ানো, কয়লার জাহাজ থেকে বর্জ্য নিঃসরণ, আলো দূষণ, জাহাজ রুটের মধ্যে থাকা ডলফিন অভয়ারণ্যসহ বিপন্ন প্রায় বণ্য প্রাণী আরো বিপন্ন হওয়া ইত্যাদি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যুতের দাম ৮ টাকা সঠিক তথ্য নয়। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এটি সরকারি রিপোর্টে বর্ণিত তথ্য। এফজিডির মতো ব্যয়বহুল টেকনোলজি ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম আরো অনেক বেশি বাড়বে। সস্তায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলে সুন্দরবনকে ঝুঁকিতে ফেলে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, তাতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি লাগবে। আর যেসব প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে তার ব্যবহার করলে এই দাম কয়গুণ বাড়বে তা বলা কঠিন।’

প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলেছেন এবং সুন্দরবন থেকে চুরি করে গাছ কাটার কথা বলেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এটি ওই এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নিদারুণ অপমানজনক ও অসত্য একটি তথ্য। ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ পর্যায়ে ৪ হাজার অস্থায়ী কর্মসংস্থান এবং পরিচালনা পর্যায়ে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৬০০ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতে পারে। কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনায় মূলত কারিগরী জ্ঞান সম্পন্ন লোকের কর্মসংস্থান হয় বলে এসব কর্মসংস্থানের খুব সামান্যই স্থানীয় জনগণের ভাগ্যে জুটবে।

প্রধানমন্ত্রী পৃথিবীর বহু দেশের শহরের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা বলেছেন। এক্ষেত্রে আমাদের জানা সঠিক তথ্য হল, ভিয়েতনাম, তাইওয়ানসহ অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখা যায় সমস্যা হচ্ছেই। তাইওয়ানের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দুনিয়ার অন্যতম দূষণকারী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বলা হয়।
প্রধানমন্ত্রী ওয়েষ্ট ভার্জিনিয়ার কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদাহরণ দিয়েছেন। এই কেন্দ্র পরিচালনা করে আমেরিকান ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কোম্পানি। ২০১৪ সালে ক্লিন ওয়াটার এক্ট লংঘন করে পানিতে মাত্রাতিরিক্ত সেলেনিয়াম, মারকারি ও অন্যান্য ভারী ধাতু নির্গমনের দায়ে এই কোম্পানিকে আদালতে অভিযুক্ত করা হয়। রায় অনুযায়ী এই কোম্পানি জরিমানা দিতে রাজী হয় এবং একটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ ও দুটিতে দূষণ কমানোর অঙ্গীকার করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা নাকি বড়পুকুরিয়া ও রামপালে যাই নাই। এটি শতভাগ ভুল। বড়পুকুরিয়াতে তো বটেই, রামপালেও বহুবার আমাদের যেতে হয়েছে। রামপাল এলাকায় অস্বচ্ছতা, অনিয়ম, জবরদস্তি দিয়ে এলাকার মানুষদের যখন উচ্ছেদ করবার চেষ্টা হচ্ছিলো তখন এলাকার মানুষ কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা কমিটির মাধ্যমে তা প্রতিরোধ করতে চেষ্টা করেন। তাদের আহ্বানেই আমরা প্রথম রামপালে যাই ২০১০ সালে। এরপর আমাদের যাওয়া বারবার বাধা দেয়া হয়েছে। সন্ত্রাসী হামলা, ১৪৪ ধারা জারি, পুলিশী হামলার বহু ঘটনা ঘটেছে। তারপরও আমাদের যাওয়া থামেনি। ২০১৩ সালে এলাকার মানুষদের সমর্থন নিয়েই ঢাকা থেকে যাওয়া লংমার্চ বিশাল আকার নিয়ে সুন্দরবনের আঙিনায় গিয়ে শেষ হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কেউ কেউ আশা করেছিলেন যে, হয়তো প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য এবং দেশজোড়া জনমত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করে সুন্দরবনকে নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার পথ গ্রহণ করবেন। কিন্তু উল্টো আমরা দেখলাম এতোদিন ধরে কোম্পানি, তাদের কনসালট্যান্ট, স্তাবকবৃন্দ যেসব অনেক ভুল ও অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচার করছে, প্রধানমন্ত্রী সেগুলোই পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী আন্দোলন নিয়ে বিষোদগার করেছেন। বহুবছরে গড়ে উঠা আন্দোলনে হঠাৎ করে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সমর্থন জানানোকে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বাধীন জনপ্রিয় আন্দোলনে কালি মাখানোর সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমরা পরিস্কার করে বলতে চাই, শুধু বিএনপি নয় গত দশবছরে দেশের দুই বড় দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়েরই সমর্থন পাবার অভিজ্ঞতা আমাদের হয়েছে। তবে এই ঘটনা ঘটেছে তখনই যখন দল সরকারের বাইরে থাকে এবং যখন আমাদের আন্দোলনে ব্যাপক জাগরণ তৈরি হয়। ১০ বছর আগে যখন বিএনপি-জামায়াতের সরকার ফুলবাড়ীতে গুলি চালানোর পর মানুষ যখন গণঅভ্যুত্থানে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিলেন, তখনই আওয়ামী লীগ আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলো। সেসময় বর্তমান সরকারের মতোই তৎকালীন সরকার ‘থলের বেড়াল’ তত্ত্ব হাজির করেছিলো, আন্দোলন নিয়ে নানা কুৎসা রটনা শুরু করেছিলো। সরকারে থাকলে একই দলগুলোর ভূমিকা হয় সম্পূর্ণ বিপরীত, গুলি-লাঠি-টিয়ার গ্যাস হামলা নির্যাতন কুৎসা কোনোকিছুই বাদ যায় না। বর্তমান সরকারের ভূমিকাও তার প্রমাণ।

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের খরচ যোগানোর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কঠাক্ষ জবাবে বলা হয়, ফুলবাড়ী আন্দোলনের প্রতি প্রধানমন্ত্রী যখন সমর্থন জানিয়েছিলেন তখন আমরা যেভাবে খরচ যোগাতাম এখনো আমরা সেভাবেই খরচ যোগাই। এই আন্দোলন জনগণের গায়ে গতরে, অসংখ্য মানুষের শ্রমে ঘামে গড়ে তোলা আন্দোলন। যারা দিনরাত পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে এসব কর্মসূচিতে অংশ নেয় তাদেরকেও চাঁদা দিয়ে অংশ নিতে হয়। ক্ষমতায় থাকা বড় দলগুলোর মতো আমাদের আন্দোলন টাকার ওপর ভর করে না, কারও পৃষ্ঠপোষকতার তোয়াক্কা করে না। আপনাদের কাছে এগুলো অবিশ্বাস্য মনে হবে, কিন্তু আপনাদের যেসব কাজ করতে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করতে হয় সেগুলো আমরা আমাদের কর্মীরা গায়ে গতরে খেটে সম্পন্ন করি। এই দেশ যেসব আন্দোলন দিয়ে মুক্তির স্বাদ পেয়েছে তার সবগুলোর ধরন একই। আপনি হয়তো ভুলে গেছেন যে, ভাষা আন্দোলনে মানুষকে পয়সা দিয়ে আনতে হয়নি, ৬০ দশকের আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ মানুষ জীবন বাজি রেখে গেছে। পয়সা দিয়ে দালাল আসে যেমন রামপালের প্রকল্পের পক্ষে প্রচারকরা আছে। এটা খুবই দুঃখজনক যে, আপনার বক্তব্যে আমরা তাদের প্রচারণারই প্রতিধ্বনি পেয়েছি।

সরকার এখান থেকে পিছপা না হলে তীব্র জনআন্দোলনের মধ্য দিয়েই সুন্দরবন রক্ষার সংগ্রামে বিজয় অর্জন করা হবে বলে জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টিপু বিশ্বাস, রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশীদ ফিরোজ, সাইফুল হক, প্রকৌশলী বিডি রহমতউল্লাহ, ড. রেহনুম আহমেদ, অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন খান, অধ্যাপক মোসাহিদা সুলতানা, মোশরেফা মিশু, আজিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, মানস নন্দী, তাছলিমা আক্তার লিমা, নাসিরউদ্দিন নসু, মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন, সাইদা গুলরুখ, সুবল সরকার, মিজানুর রহমান প্রমুখসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক প্রতিনিধি।
লাস্টনিউজবিডি/এমবি

Print Friendly, PDF & Email

You must be logged in to post a comment Login

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান, চায়নার ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
যুবলীগের নতুন নেতৃত্বঃ পরশের পরশ ছোঁয়ায় জেগে উঠুক কোটি তরুণ
।।মানিক লাল ঘোষ।।"আমার চেষ্টা থাকবে যুব সমাজ যেনো...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • দিবালোকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের অভিযোগ
  • রেলের উচ্ছেদ হওয়া ১৫০ পরিবারের পূণর্বাসন বন্দোবস্ত
  • বিরল প্রজাতির শুকুন পাখি উদ্ধার

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান, চায়নার ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৫:২৮ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান ইন, চায়না ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

কোন দেশের কোন কোম্পনীর করোনা ভ্যাকসিন আপনার পছন্দের এবং কার্যকর বলে মনে করেন ?

  • হ্যা (100%, ১ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

আপনি কি মনে করেন বাসে আগুন দিয়ে কি সরকার পরিবর্তন করা যাবে ?

  • না (63%, ১৫ Votes)
  • হ্যা (29%, ৭ Votes)
  • মতামত নাই (8%, ২ Votes)

Total Voters: ২৪

Start Date: নভেম্বর ১৩, ২০২০ @ ২:৫৪ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

How Is My Site?

  • Good (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Excellent (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ১৩, ২০২০ @ ২:৫৪ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry