•  শাহ আমানত বিমান বন্দরের রানওয়ে চালু  •     •  কাল ঢাকায় আসছেন আন্তর্জাতিক রোটারির প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট  •     •  ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব  •     •  বঙ্গমাতার জীবন থেকে সারা বিশ্বের নারীরা শিক্ষা নিতে পারবে: প্রধানমন্ত্রী  •     •  সেই শিশুকে ৫ লাখ টাকা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ  •     •  ৪১ দিনে পদ্মাসেতুতে টোল আদায় ছাড়ালো ১০০ কোটি  •     •  ঢাকাসহ ১৩ এলাকায় গ্যাস থাকবে না রাতে  •     •  ঢাকা ছাড়লেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  •     •  বাড়তি ভাড়া কার্যকর, বিপাকে যাত্রীরা  •     •  কাল থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা দেবে চীন  •     •  বাড়লো বাসভাড়া, কাল থেকে কার্যকর  •     •  মাতৃ ও শিশু পুষ্টি উন্নয়ন কার্যক্রম টেকসই করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী  •     •  গণপরিবহনে ভাড়া পুনর্নির্ধারণে বৈঠকে বিআরটিএ  •     •  পার্শ্ববর্তী দেশে জ্বালানির মূল্য আগে থেকেই বেশি: তথ্যমন্ত্রী  •     •  বাস-লঞ্চে ভাড়া কত বাড়তে পারে জানাল মন্ত্রণালয়  •     •  যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে ৭ হাজার ৭শ ফ্লাইট বাতিল  •     •  জুলাইয়ে সড়কে প্রাণ ঝরলো ৭’শ ৩৯ জনের  •     •  বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন জননেতা এবং আন্দোলনকারী মানুষ: আর্চার ব্লাড  •     •  গণপরিবহনে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠক বিকেলে  •     •  গণপরিবহন প্রায় বন্ধ, বিপাকে যাত্রীরা  •  
Monday, 25th July , 2022, 08:39 am,BDST
Print Friendly, PDF & Email

নির্বাচন কমিশনের সংলাপ ও কতিপয় সুপারিশ


।। ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।।

হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই দ্বিতীয়বারের মতো ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা বা সংলাপে বসেছে। এর আগেও নাগরিক সমাজ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছেন। যদিও আমার সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনা হয়নি দেশের বাইরে থাকার কারণে। তবে স্বভাবত কারণেই যতদূর সম্ভব নিজের মতো করে অতীতের এবং বর্তমানের সংলাপের বিষয় জানতে চেষ্টা করেছি। যতটুকু জেনেছি তাতে এসব সংলাপ থেকে নির্বাচন কমিশন আগামী নির্বাচনের জটিলতা নিরসন বা স্বচ্ছ ভোটগ্রহণের সদিচ্ছা পোষণ করলেও সে পথে আলোচনা করেছেন বলে মনে হয়নি। কারণ প্রথম থেকে অদ্যাবধি কাঠামোগত আলোচনার জন্য যে সূচির (অমবহফধ) প্রয়োজন তেমনটা হতে দেখা যায়নি। বিস্তারিত সূচি না থাকার কারণে আমার মতে, মাঝে মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হয়তো কথার পিঠে এমন কিছু বলেছেন যা তার মতে, নিছক হালকা রসিকতা করেছেন। এতক্ষণে তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন জনসম্মুখে নির্বাচন বিষয় নিয়ে হালকা রসিকতা কত বড় আলোচনার বিষয় হতে পারে। যাক তিনি পরে সামলে নিয়েছেন।

আমার লেখার উদ্দেশ্য নির্বাচন কমিশনকে কোনো হিতোপদেশ দেওয়া নয়; বরং আগামী নির্বাচন যাতে নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকে তার ওপর আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু মতামত ও সুপারিশ রাখা। অবশ্য যদি অত্যন্ত ব্যস্ততার মাঝে এ সুপারিশগুলো তাদের গোচরীভূত হয়। যদিও এ বিষয়ে আমার পূর্বতন লেখাগুলোতে আগেও বলেছি যে, আওয়াল কমিশন উপকৃত হতো গত দুটি নির্বাচন বিশ্লেষণ করে দুর্বলতা অথবা ব্যর্থতা বা সমালোচনার জায়গাগুলো চিহ্নিত করতে পারলে আলোচনার ক্ষেত্রে সুবিধা হতো। বিশ্লেষণ করতে বেশি বেগ পেতে হতো না, কারণ কমিশনের কর্মকর্তারা প্রচুর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। যাহোক অতীত থেকে কতখানি শিক্ষণীয় আছে তা কমিশন ভালোভাবে জানে বলে বিশ্বাস করি। নির্বাচন কমিশন আগামী নির্বাচনে কতখানি কার্যক্রম বা ক্ষমতার ব্যবহার করতে পারবে তা অবশ্যই নির্ভর করবে কতটুকু দৃঢ়তা কমিশন দেখাতে পারবে, যদিও সম্প্রতি একটি স্থানীয় নির্বাচনে আইন প্রয়োগে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ওই অভিজ্ঞতার আলোকে আগামীতে কমিশনের আইনি সাংবিধানিক ও সাংবিধানিক ক্ষমতার বিশ্লেষণে অবশ্য যেতে হবে। আমার বিশ্লেষণে আইন এবং সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতার আলোকে বলেছি, এই উপমহাদেশে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন সবচেয়ে ক্ষমতাধর। তবে ক্ষমতা প্রয়োগের দুর্বল ইতিহাস রয়েছে। এর কারণে অতীত নির্বাচনগুলোর বিশ্লেষণে প্রতীময়মান হয় যে, বেশিরভাগ নির্বাচনে বিশেষ করে রাজনৈতিক সরকারের অধীনে সব ধরনের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন ক্ষমতার প্রয়োগ করতে পারেনি। কেন পারেনি তা অবশ্যই গবেষণার বিষয়। অন্তত অতীত কয়েকটি কমিশনের কার্যক্রম বিশ্লেষণেই এমন প্রমাণ পাওয়া যাবে।

যাহোক ওপরের সংক্ষিপ্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এবং আগামী নির্বাচন যে জটিল এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে তার আলামত পাওয়া যাচ্ছে। সে কারণে আমি মনে করি নির্বাচন কমিশন মূল আইন জচঙ-১৯৭২ (সংশোধিত) বহু জায়গায় আরও সংশোধনের ব্যবস্থা হাতে নেওয়া অত্যাবশ্যকীয়। স্মরণযোগ্য যে, ১৯৭২-এর পর যতগুলো বড় ধরনের সংশোধনী আনা হয়েছিল তার বেশিরভাগ ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার মাথায় রেখে বা ওই সময়ে। ২০০৭-০৮ সালের ব্যাপক সংস্কারও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় করা হয়েছিল। কিন্তু গত দুটি নির্বাচন এবং আগামী নির্বাচন যে পরিবেশে হবে তাতে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন আয়ত্তে রাখতে নির্বাচন কমিশন বেশকিছু পদক্ষেপ নিতে পারে, প্রয়োজনে নতুন বিধি সংযোজন করতে হবে।

বেশকিছু বছর থেকে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে যতদূর সম্ভব নিয়ন্ত্রণ নির্বাচন কমিশনের আওতায় রাখার কথা বলে আসছে। উদাহরণস্বরূপ ১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচনে ৩০০ আসনে ভোটার সংখ্যা ছিল মাত্র সাড়ে তিন কোটি (৩,৫২,০৫,৬৪২) তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে দশ কোটি (১০,৪১,৫৬,২৬৯) (২০১৮ সালে) যা এখন ১১ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। অথচ আসন সংখ্যা ৩০০-তেই স্থির। ওই সময়ে (১৯৭৩) ১৭টি জেলার ১৭ জন জেলা প্রশাসক রিটার্নিং অফিসার নিযুক্ত ছিলেন। বর্তমানে ৬৪টি জেলায় ৬৪ জন জেলা প্রশাসককেই নির্বাচন সামলাতে হয়। ১৯৭৩ থেকে ২০২২ অনেক বদলিয়েছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতাসীন সরকার রেখে সরকারের ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়নি এবং দুরূহ বিষয়।

আমাদের উপমহাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রিটার্নিং অফিসার। নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও নিয়ন্ত্রক যে ব্যক্তিটি তিনি রিটার্নিং অফিসার। সব আইনি ক্ষমতা এই নির্ধারিত ব্যক্তির ওপর বর্তায়। আমাদের প্রচলিত ধারাবাহিকতায় এখনো সারা জেলার জন্য তাতে ১ থেকে ১৬টি আসন হতে পারে এক ব্যক্তির দায়িত্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ব্যবস্থা বর্তমানে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। আমার মত এবং সুপারিশ যে, এক জেলায় একাধিক রিটার্নিং অফিসার নিয়োগে নির্বাচন কমিশনের জন্য তদারকি সহজ হবে, এমনকি রিটার্নিং অফিসারের কাজ গুরুতর ও জটিল দায়িত্ব ভাগাভাগি হবে। এমন ব্যবস্থায় কোনো আইনি বাধাও নেই। জচঙ-১৯৭২ চ্যাপ্টার-৩ নির্বাচন (ঊষবপঃরড়হ)-এর ধারা-৭(১)-এ পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে যে, এক বা একাধিক আসনের জন্য একজন রিটার্নিং অফিসার নিয়োজিত হবে। জচঙ-১৯৭২-তে কোনো ব্যক্তি বা অফিসের কথা উল্লেখ নেই, কাকে বা কাদের এই নিয়োগ দেওয়া যায়। আমার সুপারিশ যে, প্রতি ৪ থেকে ৫টি আসনের জন্য একজন করে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা যেতে পারে। আমি মনে করি একাধিক নিজস্ব অফিসারকে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণের পরিধি বাড়বে। অপরদিকে জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব অনেকটা হালকা হবে। হালকা হবে একজনের ওপর একাধিক আসনের চাপ।

বর্তমান আইনের আওতায় রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের কাছে জালিয়াতির প্রমাণসহ গুরুতর অভিযোগ খতিয়ে দেখার কোনো আইন নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। এমনকি প্রাথমিকভাবে বাতিল করারও সুস্পষ্ট কোনো বিধান নেই। আমি মনে করি, এ ধরনের বিধান আইনে সংযোজন করা খুবই প্রয়োজন। কারণ কোনো রিটার্নিং অফিসার ইচ্ছাকৃত অথবা ভুল করলেও সংশোধনের জায়গা একমাত্র আদালত। অভিজ্ঞতা বলে, আদালতে এ ধরনের মামলার নিষ্পত্তি বহু সময় লেগে যায়।

ওপরের বক্তব্যের পক্ষে দুটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের উদাহরণ দিয়ে এ লেখা সমাপ্ত করব। ১৯৯৩ মিরপুর (ঢাকা-১১)-এর উপনির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের আগেই বিভিন্ন অভিযোগের কারণে তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজস্ব দায়িত্বে ভোটের বাক্স খুলে পুনর্গণনা করান। তিনি সময়মতো হস্তক্ষেপ না করলে অভিযোগ খ-ন করা সম্ভব হতো না। অপর উদাহরণ, ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর উপনির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের যথেষ্ট প্রমাণ সত্ত্বেও রিটার্নিং অফিসার বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন বিব্রতকর অবস্থায় পতিত হয়। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ২০০০ সালে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার চার মাস আগে স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করা পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ স্থগিত ছিল। কিন্তু সুস্পষ্ট আইনের অভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারেননি। যদিও সংবিধানের ধারা ১১৯-এর আওতায় স্বাভাবিক রূপে বিদ্যমান ক্ষমতা প্রয়োগ করা যেত বা যায় কিন্তু তেমনটা নির্বাচন কমিশন করেনি। কেন করেনি সে ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

যাহোক পরিশেষে আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনের সংলাপকে অর্থবহ করতে হলে আগামী নির্বাচনের জটিলতা লাঘবে আইনগুলোর সংস্কারের এজেন্ডা নিয়ে অগ্রসর হওয়া উচিত। ২০১১ সালে শামসুল হুদা কমিশনের কিছু সুপারিশও বর্তমান কমিশন খতিয়ে দেখতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নির্বাচন কমিশনের সংলাপগুলো যেন অর্থবহ হয় এবং এর জন্য প্রয়োজন সুচিন্তিত কাঠামোগত আলোচনা, যাতে কমিশন প্রয়োজনীয় সংস্কারের কথা ভাবতে পারে।

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন : নির্বাচন বিশ্লেষক, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা এবং এসআইপিজির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো (এনএসইউ)

আপনার মতামত দিন
Print Friendly, PDF & Email
youtube
youtube
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
islame bank
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আপনি কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
IBBL-Web-Ad-Option-6.gif
মতামত
শোকের মাসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর নিয়ে কিছু কথা
বাংলাদেশে আগস্ট শোকের মাস। এ মাসে বাঙালির হৃদ...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে এমপি শিবলী সাদিক, বিরামপুর প্রেসক্লাবের নিন্দা
  • মেয়েকে হত্যার পর মাটি চাপা, নিজেই করলেন মামলা
  • ৬ দিনেও হয়নি হত্যা মামলা, সুরাইয়ার মৃত্যু নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা!

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আপনি কি একমত ?

  • হ্যা (65%, ৯৩ Votes)
  • না (30%, ৪৩ Votes)
  • মতামত নাই (5%, ৮ Votes)

Total Voters: ১৪৪

Start Date: ডিসেম্বর ৬, ২০২১ @ ১০:১৮ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

  • হ্যা (59%, ১০৭ Votes)
  • না (26%, ৪৭ Votes)
  • মতামত নাই (15%, ২৬ Votes)

Total Voters: ১৮০

Start Date: ডিসেম্বর ৯, ২০২০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি মনে করেন আসন্ন ‘বড় দিন’ মহামারির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি কি তার এই মন্তব্যকে যথাযোগ্য মনে করেন?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ৮, ২০২০ @ ২:০৩ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

  • হ্যা (75%, ৬ Votes)
  • না (13%, ১ Votes)
  • মতামত নাই (12%, ১ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

মডার্নার, ফাইজারের করোনা ভাইরাসের টিকার মধ্যে মডার্নার টিকার উপর কি আপনার আস্থা বেশি ?

  • মতামত নাই (100%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

 Page ১ of ৩  ১  ২  ৩  »