Friday, 8th October , 2021, 12:49 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

জুমার দিনে দরুদ পাঠের ফজিলত


লাস্টনিউজবিডি, ৮ অক্টোবর : সপ্তাহের সেরা দিন জুমা। আর এ দিনের সেরা ইবাদতসমূহের মধ্যে অন্যতম প্রিয় নবির প্রতি দরূদ পড়া। কিন্তু কেন জুমার সেরা দিনে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ পড়তে হবে? আর কীভাবেই বা পড়বেন দরুদ?

দরূদ পড়া ইবাদত। জুমার দিন দরূদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবি। তাছাড়া দরূদ পড়া মহান আল্লাহর নির্দেশ। আল্লাহ ও ফেরেশতারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি সালাত (দরূদ) পেশ করেন। তাইতো কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা ঈমানদারদের নবির প্রতি দরূদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-

إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবির প্রতি সালাত (দরূদ) পেশ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত (দরূদ) পেশ করো এবং তাঁকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।’ (সুরা আহজাব : আয়াত ৫৬)

জুমার দিন দরূদ পড়ার ফজিলত ও মর্যাদা

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ পড়া ফজিলতপূর্ণ ইবাদত ও সাওয়াবের কাজ। তিনি নিজেই হাদিসের একাধিক বর্ণনায় তা তুলে ধরেছেন-

১. হজরত আওস ইবনে আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে জুমুআর দিন। সুতরাং ঐ দিন তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পড়। কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’

লোকেরা (উপস্থিত সাহাবারা) বললেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনি তো (মারা যাওয়ার পর) পচে-গলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের দরূদ কিভাবে আপনার কাছে পেশ করা হবে?

তিনি বললেন, ‘আল্লাহ তাআলা পয়গম্বরদের দেহসমূহকে খেয়ে ফেলা মাটির উপর হারাম করে দিয়েছেন।’ (বিধায় তাঁদের শরীর আবহমান কাল ধরে অক্ষত থাকবে।) (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ, দারেমি)

২. হজরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের চেয়ে আমার বেশি কাছাকাছি হবে; যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমার উপর দরূদ পড়বে।’ (তিরমিজি)

৩. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ (এ দরূদ পড়ার বকরতে) তার উপর দশবার দরূদ পাঠ (রহমত নাজিল) করবেন।’ (মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ)

৪. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই অভিশাপ দিলেন যে, ‘সেই ব্যক্তির নাক ধূলা-ধূসরিত হোক, যার কাছে আমার নাম উচ্চারণ করা হলো, অথচ সে (আমার নাম শুনেও) আমার প্রতি দরূদ পড়ল না।‘ (অর্থাৎ অন্তত আরবিতে সংক্ষেপে ছোট্ট বাক্যে- صَلَّى اللهُ عَلَى مُحَمَّد – সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ কিংবা صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّم – সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলল না।)’ (তিরমিজি, মুসনাদে আহমাদ)

৫. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আরও বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা আমার কবরকে উৎসব কেন্দ্রে পরিণত করো না (যেমন কবর পূজারীরা ওরস ইত্যাদির মেলা লাগিয়ে করে থাকে)। তোমরা আমার প্রতি দরূদ পেশ কর। কারণ, তোমরা যেখানেই থাক, তোমাদের পাঠ করা দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।’ (আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ)

৬. হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘প্রকৃত কৃপণ তো সেই ব্যক্তি; যার কাছে আমি উল্লেখিত হলাম অর্থাৎ আমার নাম উচ্চারিত হলো অথচ সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করলো না।’ (তিরমিজি, মুসনাদে আহমাদ)

৭. হজরত ফাজালা ইবনে উবাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি লোককে নামাজে প্রার্থনা করতে শুনলেন। সে কিন্তু তাতে আল্লাহর প্রশংসা করেনি এবং নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরূদও পড়েনি।

এ (অবস্থা) দেখে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘লোকটি তাড়াহুড়ো করলো।’ এরপর তিনি তাকে ডাকলেন ও তাকে অথবা অন্য কাউকে বললেন, ‘যখন কেউ দোয়া করবে, তখন সে যেন তার পবিত্র প্রতিপালকের প্রশংসা ও আমার প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করার মাধ্যমে দোয়া আরম্ভ করে; তারপর যা ইচ্ছা (যথারীতি) প্রার্থনা করে।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ, মুসনাদে আহমাদ)

দরূদ ও সালাম পেশ করবেন কীভাবে?

হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করার নিয়ম কী? কোন শব্দে তা পেশ করতে হবে?

১. হজরত আব্দুর রহমান ইবনু আবু লাইলা রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন, কাব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার সঙ্গে দেখা করে বললেন, আমি কি আপনাকে এমন একটি হাদিয়া (উপহার) দেব না; যা আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি?

আমি বললাম, হ্যাঁ, আপনি আমাকে সে হাদিয়া (উপহার) দিন।

তিনি বললেন, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রাসুল! আপনাদের উপর অর্থাৎ আহলে বাইতের উপর কীভাবে দরূদ পাঠ করতে হবে? কেননা, আল্লাহ তো (শুধু) আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন- আমরা কিভাবে আপনার প্রতি সালাম জানাবো!

তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা এভাবে বলো-

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিম ওয়া আলা আলি ইবরাহিম। ইন্নাকা হামিদুম মাঝিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহিম। ইন্নাকা হামিদুম মাঝিদ।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেভাবে আপনি ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এবং ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী।

হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশধরদের উপর বরকত দান করুন; যেভাবে আপনি বরকত দান করেছেন ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এবং ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি মর্যাদার অধিকারী।’ (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ মুসনাদে আহমাদ, দারেমি)

২. হজরত আবু মাসউদ বদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমরা সায়াদ ইবনে উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর মজলিসে বসা ছিলাম। এমন সময় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে এলেন। হজরত বাশির ইবনে সাআদ তাঁকে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! মহান আল্লাহ আমাদেরকে আপনার প্রতি দরূদ পড়তে আদেশ করেছেন, কিন্তু কীভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব?

আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিরুত্তর থাকলেন। পরিশেষে আমরা আশা করলাম, যদি (বাশির) তাঁকে প্রশ্ন না করতেন (তো ভাল হত)। কিছুক্ষণ পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তোমরা বলো-

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা আলি ইবরাহিম। ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আলা আলি ইবরাহিমা ফিল আলামিন। ইন্নাকা হামিদুম মাঝিদ।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (সা.) তথা মুহাম্মাদ (সা.)-এর পরিবারবর্গের উপর সালাত (রহমত) পেশ করুন; যেভাবে সালাত (রহমত) পেশ করেছিলেন ইবরাহিমের পরিবারবর্গের উপর। আর আপনি মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পরিজনবর্গের প্রতি বরকত নাহিল করুন; যেভাবে বিশ্ব জগতে ইবরাহিমের পরিজনবর্গের প্রতি বরকত নাজিল করেছেন। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহা সম্মানীয়। আর সালাম কেমন, তা তো তোমরা জেনেছো।’ (মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ, মুয়াত্তা মালেক, দারেমি)

৩. হজরত আবু হুমাইদ সায়েদি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, লোকেরা (সাহাবারা) বললো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কীভাবে আপনার প্রতি দরূদ পেশ করব?’ তিনি বললেন, তোমরা বলো-

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া আযওয়াঝিহি ওয়া জুররিয়্যাতিহি কামা সাল্লাইতা আলা আলি ইবরাহিম; ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া আযওয়াঝিহি ওয়া জুররিয়্যাতিহি কামা বারাকতা আলা আলি ইবরাহিম; ইন্নাকা হামিদুম মাঝিদ।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরের উপর সালাত (রহমত) পেশ করুন; যেভাবে আপনি ইবরাহিমের বংশধরের উপর সালাত (রহমত) নাজিল করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরের উপর বরকত নাজিল করুন; যেভাবে আপনি ইবরাহিমের বংশধরের উপর বরকত নাজিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত গৌরবান্বিত।’ (বুখারি ও মুসলিম, নাসাঈ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ, মুয়াত্তা মালিক)

মনে রাখা জরুরি

জুমার দিন বিশেষ ৩টি আমলের মধ্যে দরূদ একটি। জুমার নামাজের পর থেকে দরূদের আমল করা জরুরি। বিশেষ করে জুমার দিন আসরের পর থেকে মাগরিবের নামাজের অপেক্ষার সময়টিতে দরুদ পড়ার ফজিলত অনেক বেশি। এছাড়াও এ দিন সুরা কাহফ পড়া এবং আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত যে কোনো ইবাদত-বন্দেগিতে অতিবাহিত করাও বিশেষ আমল।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, সপ্তাহের সেরা দিন জুমায় দরূদের সেরা আমল করার প্রতি মনোযোগী হওয়া। কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনায় আমল করা। রহমত বরকত ও ক্ষমার দিকে ধাবিত হওয়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনটি আমল-ইবাদতে অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। বেশি বেশি দরূদ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লাস্টনিউজবিডি/এমবি

সর্বশেষ সংবাদ

আপনার মতামত দিন
Print Friendly, PDF & Email
youtube
app
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
আফগানদের মানুষও হতে হবে
।।মনজুরুল আহসান বুলবুল।। ১. বাংলাদেশে একটু...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • এক কলাগাছে ১০ মোচা!
  • আকস্মিক বন্যা: হাতীবান্ধায় প্রায় ১২ কোটি টাকার ক্ষতি
  • আকস্মিক বন্যায় বিধ্বস্ত লালমনিরহাট, এখনো বিদ্যুৎ নেই ২ উপজেলায়

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

  • হ্যা (59%, ১০৪ Votes)
  • না (27%, ৪৭ Votes)
  • মতামত নাই (14%, ২৪ Votes)

Total Voters: ১৭৫

Start Date: ডিসেম্বর ৯, ২০২০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি মনে করেন আসন্ন ‘বড় দিন’ মহামারির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি কি তার এই মন্তব্যকে যথাযোগ্য মনে করেন?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ৮, ২০২০ @ ২:০৩ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

  • হ্যা (75%, ৬ Votes)
  • না (13%, ১ Votes)
  • মতামত নাই (12%, ১ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

মডার্নার, ফাইজারের করোনা ভাইরাসের টিকার মধ্যে মডার্নার টিকার উপর কি আপনার আস্থা বেশি ?

  • মতামত নাই (100%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

মার্কিন টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্নার দাবি করেছেন অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ওপর এ টিকা ১০০ শতাংশ কাজ করেছে। আপনি কি শতভাগ ফলপ্রসু মনে করেন?

  • হ্যা (100%, ১ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ১, ২০২০ @ ১২:৫১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

 Page ১ of ২  ১  ২  »