•  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আগুন  •     •  শাবিতে ফায়দা হাসিলের অপচেস্টায় লিপ্ত তৃতীয় পক্ষ: ঢাবি মিক্ষক সমিতি  •     •  কিছু পরিবর্তন এনে ‘ইসি গঠন’ আইনের রিপোর্ট চূড়ান্ত  •     •  গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ  •     •  এক দিনে করোনা শনাক্ত প্রায় ১৫ হাজার, মৃত্যু ১৫  •     •  আরজে সাইমা শিকদার নীরা কারাগারে  •     •  দ্রুত রাগ কমায় যেসব খাবার  •     •  রাজনৈতিক ব্যর্থতায় বিএনপি আজ গভীর সংকটে নিপতিত: কাদের  •     •  ইসি গঠনের দায়িত্ব মির্জা ফখরুলকে দিলেই কেবল বিএনপি খুশি হবে -তথ্যমন্ত্রী  •     •  নিজেদের কোনো অপকর্মের মাধ্যমে সংবাদ হতে চাই না: আইজিপি  •     •  সব বাসস্ট্যান্ডে ভাড়ার তালিকা টাঙানোর নির্দেশ  •     •  ঢাবিতে প্রতীকী অনশনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক  •     •  কাল মঙ্গলবারের মধ্যে ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব  •     •  নিয়ন্ত্রণে রামপুরায় পাওয়ার হাউজের আগুন  •     •  রামপুরায় পাওয়ার হাউজে আগুন  •     •  ‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়’  •     •  আজ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস  •     •  বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ৩৫ কোটি ছাড়ালো  •     •  বিটিআরসি কমিশনার শহীদুজ্জামানের মৃত্যুতে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর শোক  •     •  মোমবাতি জ্বালিয়ে রাজ্জাককে স্মরণ কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের  •  
Thursday, 12th August , 2021, 08:06 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মৃত্যু নেই


।।জুনাইদ আহমেদ পলক।।

মানুষকে হত্যা করা যায়। কিন্তু তাঁর দর্শন, নীতি ও আদর্শকে হত্যা করা যায়
না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা
বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। কিন্তু তারা হত্যা করতে পারেনি তাঁর দর্শন, নীতি
ও আদর্শকে। তাঁর আদর্শই আজ আমাদের পথ চলার পাথেয়।

আসলে বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন, নীতি, আদর্শ, কর্ম ও নেতৃত্বের বহুমাত্রিক
গুণাবলির মধ্যে নিহিত রয়েছে আদর্শ মানুষ ও সুনাগরিক হওয়ার সব উপাদান।
বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি গ্রন্থ- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের
রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ পাঠ করলে এ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা
পাওয়া যায়। ছাত্রাবস্থায়ই তাঁর মধ্যে মানবিক গুণ ও মানুষের প্রতি ভালবাসা
এবং ক্যারিশম্যাটিক রাজনীতি বোধের প্রকাশ দেখা যায়। এ কারণেই গোপালগঞ্জ
মিশন স্কুলে পড়ার সময় ১৯৩৮ সালে অবিভক্ত বাংলার শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ
সোহরাওয়ার্দীর দৃষ্টিতে আসেন। স্কুলের ছাত্র শেখ মুজিব তাঁর গৃহ শিক্ষক
কাজী আবদুল হামিদ, এমএসসি পরিচালিত ‘মুসলিম সেবা সমিতি’র সক্রিয় সদস্য
হিসেবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মুষ্টি চাল সংগ্রহ করে গরীব ছাত্রদের বই, পরীক্ষার
ফি, জায়গিরের খরচ যোগান দিতেন। ১৯৪৩ সালে যখন কলেজ ছাত্র তখন ভয়াবহ
দুর্ভিক্ষে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। বঙ্গবন্ধু লঙ্গরখানা খুলে
মানুষকে খাইয়েছেন। বেকার হোস্টেলে দুপুর ও রাতে যে খাবার বাঁচে তা
বুভুক্ষুদের বসিয়ে ভাগ করে দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু ২৩ বছর ধরে দেশের প্রতিটি মানুষকে জেনেছেন, চিনেছেন। তাদের
নাগরিক ও নৈতিক অধিকার এবং সংশয়মুক্ত জীবন ধারণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে
সাহসী ও উপযুক্ত হয়ে উঠতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি দেশের মানুষকে অত্যাধিক
ভালবাসতেন। ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি বৃটিশ টেলিভিশন সাংবাদিক ডেভিড
ফ্রস্টের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, “আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে
আমি আমার জনগণকে ভালবাসি। আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে আমি তাদের
অত্যাধিক ভালবাসি।’

বঙ্গবন্ধুর জীবনে সততাই ছিল মূল চালিকা শক্তি। সততার শিক্ষা তিনি পেয়েছেন
পরিবার থেকে। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ১৯৪২ সালে তাকে বলেছিলেন, “বাবা
রাজনীতি কর আপত্তি করব না, পাকিস্তানের জন্য সংগ্রাম করছ এতো সুখের কথা,
তবে লেখাপড়া করতে ভুলিও না। লেখাপড়া না শিখলে মানুষ হতে পারবে না। আর
একটা কথা মনে রেখ, ‘সিনসিয়ারিটি অব পারপোস এন্ড অনেস্টি অব পারপোস’ থাকলে
জীবনে পরাজিত হবা না।” (শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃষ্ঠা
২১)। সারাজীবনে তিনি সততার অনুশীলন করেছেন।বঙ্গবন্ধু তাঁর সারাজীবনে এই
সততার অনুশীলন করেছেন। রাজনীতিতে কখনও মিথ্যা, ভন্ডামির আশ্রয় নেননি।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন দূরদর্শী নেতা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হলেও তাতে
বাঙালির কোন লাভ হবে না। বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান নেতা বঙ্গবন্ধু এটা
ভালভোবেই উপলব্ধি করেন। সেই সময় থেকেই তিনি বাঙালির স্বাধীনতার কথা
ভাবেন। স্বাধীনতা পরবর্তীতে অন্নদা শংকরের ‘বাংলাদেশের আইডিয়াটা কবে
আপনার মাথায় কবে এলো’- এমন এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন, “সেই ১৯৪৭
সালে তখন আমি সোহরাওয়ার্দী সাহেবের দলে।” সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্য
২৩ বছর আন্দোলন করেছেন। বঙ্গবন্ধু অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখেছেন
“পাকিস্তানের রাজনীতি শুরু হল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। জিন্নাহ যতদিন
বেঁচেছিলেন প্রকাশ্যে কেউ সাহস পায় নাই। যেদিন মারা গেলেন ষড়যন্ত্রের
রাজনীতি পুরোপুরি প্রকাশ্যে শুরু হয়েছিল।” (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃষ্ঠা
৭৮)।

উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র
উন্মোচিত হয়। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই দাবীতে ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু হয়
আন্দোলন। বঙ্গবন্ধু সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী
আন্দোলনকে ধাপে ধাপে স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন
জনতার শক্তিতে। এজন্য তিনি পাকিস্তানি শোষণ-বৈষম্যের কথা মানুষের সামনে
তুলে ধরেছেন। তাঁর বিশেষ গুণ ছিল তিনি একজন ভালো বাগ্মী। বক্তৃতার
মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ
বিশ্ব ইতিহাসের অবিস্মরনীয় উপাদানে পরিণত হয়। ১৯ মিনিটের এই ভাষণ
যুগসৃষ্টিকারি ও বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, আদর্শ ও
নীতির প্রতি প্রতি জনগণের আস্থা ছিল শতভাগ। যে কারণে প্রতিটি মানুষ নিজেক
একজন বিপ্লবী হিসেবে তৈরি করে। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে তিনি
স্বাধীনতার ডাক দেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েই জনগণ পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর
বিরুদ্ধে সর্বাত্বক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। নয় মাসের সশস্ত্র
যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটে।

আমি আগেই বলেছি বঙ্গবন্ধু ভিশনারি নেতা। শুধু রাজনৈতিক সংগ্রামে নয়,
মাত্র সাড়ে তিন বছরে রাষ্ট্র পরচিালনায় একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার
পাশাপাশি এমন কিছু পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেছিলেন যা তাঁর দূরদর্শী চিন্তা
থেকে উৎসারিত। তাঁর আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা বিনির্মাণের। সেই
লক্ষ্যে সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক কাযক্রমের বাস্তবায়নও করছিলেন। শুধু তথ্য
ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথাই ধরা যাক।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, বিজ্ঞানভিত্তিক ও
সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
এর মধ্যে অন্যতম তৃতীয় শিল্প বিপ্লব বা ডিজিটাল বিপ্লবের সুফল ঘরে তোলার
উদ্যোগ। বাংলাদেশ যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশ। অন্ন, বন্ত্র, বাসস্থান,
শিক্ষার মতো মানুষের মৌলিক চাহিদা অগ্রাধিকার বিবেচনায় থাকার কথা। কিন্তু
তিনি এসবের সাথেও তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বা তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের কথা ভেবেছেন। ১৯৭৩
সালের ৫ সেপ্টেম্বর আইটিইউর সদস্যপদ লাভ, ইআরটিএস স্যাটেলাইট প্রোগ্রাম
বাস্তবায়ন, ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় স্যাটেলাইটের আর্থ-স্টেশনের
উদ্বোধন, প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার
অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশে ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও
শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) প্রতিষ্ঠা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক
সমাজ বিনির্মাণে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন ছিল তাঁর দূরদর্শী
চিন্তারই ফসল। এমন কোন খাত নেই যেখানে তিনি দূরদর্শী চিন্তা থেকে পদক্ষেপ
গ্রহণ করেননি। যার সুফলও বাংলাদেশ পায়। প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
বাস্তবায়নের পরের বছরই ৯ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়। বঙ্গবন্ধু
জীবিত থাকলে বহু আগেই তাঁর স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধিশালী সোনার বাংলা গড়ে
ওঠত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এমনি একজন নেতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
এটি কোন সাধারণ হত্যাকান্ড কোন ঘটনা ছিল না। এ হত্যাকান্ডের নেপথ্যে কাজ
করেছে সূদূর প্রসারি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। যে নেতা তাঁর দীর্ঘ
রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের জন্য
আদর্শ হয়ে উঠলেন এবং যার সারাজীবনের রাজনীতি ছিল বাঙালির রাজনৈতিক ও
অর্থনৈতিক মুক্তি এবং বাংলার স্বাধীনতা তাকে কেন হত্যা করা হলো?

স্বাধীনতা পূর্ব আন্দোলন-সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে হত্যায় পাকিস্তানি
স্বৈরশাসক এবং তাদের আন্তর্জাতিক মিত্রদের ষড়যন্ত্র সফল না হওয়ায় কারণ
ছিল বঙ্গবন্ধুর কৌশলী, দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে জনতার সৃদৃঢ় ঐক্য। এরই
ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাদের শোচনীয় পরাজয় হয়। কিন্তু এ
পরাজয়কে তারা মেনে নিতে পারেনি। স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের ষড়যন্ত্রে নতুন
মাত্রা যোগ হয়। এর কারণ বিশ্ব রাজনীতির মেরুকরণ। দক্ষিণ এশিয়ায়
বঙ্গবন্ধুর মতো এমন একজন জাতীয়তাবাদী নেতার উথ্থান যাকে ১৯৭৩ সালে জুলিও
কুরি শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয় তা ৭১ এর দেশি-বিদেশী পরাজিত শক্তি
মেনে নিতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৭৫ পরবর্তী শাসকরা দীর্ঘ ২১ বছর
বাংলাদেশকে নব্য পাকিস্তানে পরিণত করার অপচেষ্টা করে। প্রতিক্রিয়াশীল
ধারায় দেশ পরিচালনা করে। আমরা সৌভাগ্যবান যে, দেশের জনগণ বঙ্গবন্ধু কন্যা
জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে
ক্ষমতাসীন করে। ১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ পরিচালিত হওয়ায়
মানুষ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন, নীতি ও আদর্শ
জানতে পারছে।

ইতিহাসে তিনিই অমর, যিনি তাঁর স্বপ্নের বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইতিহাস
সৃষ্টি করেন এবং জাতিকে স্বপ্ন দেখান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমান বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিলেন। দীর্ঘ ২৪ বছরের
আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নও করেন। ইতিহাস তাকে
সৃষ্টি করেনি। তিনিই ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের সেই
মহামানব। তিনি দুঃখী মানুষের মুখে হাঁসি ফোটানোর জন্য রাজনৈতিক সংগ্রাম ও
কর্মের মধ্য দিয়ে যে দর্শন, নীতি ও আদর্শ আমাদের সামনে রেখে গেছেন তাকে
অনুসরণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অনুসরণ করলেই
একজন ব্যক্তি সুনাগরিক ও আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

বঙ্গবন্ধুর উক্তি: নেতার মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু সংগঠন বেঁচে থাকলে
আদর্শের মৃত্যু নেই।

লেখক: জুনাইদ আহ্‌মেদ‍ পলক, এমপি, প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

আপনার মতামত দিন
Print Friendly, PDF & Email
youtube
Nitol Tata
walton
islame bank
youtube
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আপনি কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
সবাই জয়ী নারায়ণগঞ্জে
।। কাশেম হুমায়ুন ।।একটি সিটি করপোরেশনের নির্ব...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।। আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটর...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা, বাবা আটক
  • ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায় গালি শুনেছি: বাণিজ্যমন্ত্রী
  • রহস্যময় সুইসাইড গাছ রংপুরে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আপনি কি একমত ?

  • হ্যা (73%, ৩২ Votes)
  • না (23%, ১০ Votes)
  • মতামত নাই (4%, ২ Votes)

Total Voters: ৪৪

Start Date: ডিসেম্বর ৬, ২০২১ @ ১০:১৮ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

  • হ্যা (59%, ১০৭ Votes)
  • না (26%, ৪৭ Votes)
  • মতামত নাই (15%, ২৬ Votes)

Total Voters: ১৮০

Start Date: ডিসেম্বর ৯, ২০২০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি মনে করেন আসন্ন ‘বড় দিন’ মহামারির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি কি তার এই মন্তব্যকে যথাযোগ্য মনে করেন?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ৮, ২০২০ @ ২:০৩ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

  • হ্যা (75%, ৬ Votes)
  • না (13%, ১ Votes)
  • মতামত নাই (12%, ১ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

মডার্নার, ফাইজারের করোনা ভাইরাসের টিকার মধ্যে মডার্নার টিকার উপর কি আপনার আস্থা বেশি ?

  • মতামত নাই (100%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

 Page ১ of ৩  ১  ২  ৩  »