Wednesday, 23rd June , 2021, 05:12 am,BDST
Print Friendly, PDF & Email

যেতে হবে আরও বহুদূর পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয় শ্বাপদসংকুল


।। আজিজুল ইসলাম ভূূঁইয়া ।।
আজ ২৩ জুন। ১৯৪৯ সালের এই দিনে গঠিত হয়েছিল উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগ। আমাদের জাতির ইতিহাসে অন্তত দুইটি কারণে আওয়ামী লীগের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে। এক. এই দলের প্রাণ পুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি স্বাধীন দেশই বিশ্বকে উপহার দেননি, তিনি একটি জাতিরও জন্মদাতা। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ‘বাঙালি জাতি’ বলে কোনো অস্তিত্ব পৃথিবীতে ছিল না। দুই. বাঙালি জাতির এক চরম ক্রান্তিলগ্নে আওয়ামী লীগ তার সুবিবেচনা প্রসূত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করেছিল। আজ জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মকান্ডর মধ্যে দিয়ে শুধু আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করেননি, তিনি আজ জাতির কান্ডারি হয়েছেন। সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতিক বিশ্লেষণে তিনি আজ একজন অন্যতম বরেণ্য বিশ্ব নেত্রীও বটে।
আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, গণতন্ত্রের মানষপুত্র হোসেন শহিদ সরোয়ার্দী, মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিস, শওকত আলী, ইয়ার মোহাম্মদ খান, শামসুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রমুখ আদর্শবান ত্যাগী ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত কিছু নেতৃবৃন্দ।

যে মুসলিম লীগ পাকিস্তান সৃষ্টির দাবিদার, সেই ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বিকল্প রাজনৈতিক দল হিসেবে এক বৎসরের মধ্যেই সারা পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এই আওয়ামী লীগ (প্রতিষ্ঠাকালে এই দলের নাম ছিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ যা রাজনৈতিক ঐতিহাসিক গতিধারায় শুধু আওয়ামী লীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে)। ’৫২ ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে হক, ভাসানী,
সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্ব যুক্ত ফ্রন্ট গঠন এবং ’৫৪ প্রথম পাকিস্তানের নির্বাচনে মুসলিম লীগের কবর রচনা করে (৩শ আসনের মধ্যে মাত্র ১০টি আসন পেয়েছিল মুসলিম লীগ) যুক্ত ফ্রন্ট ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আসন অংলকৃত করেন। আর যুক্ত ফ্রন্টের অন্যতম নেতা শের-ই বাংলা একে ফজলুল হক নির্বাচিত হন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োজিত হন। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক জান্তা সমর্থিত চক্রান্তকারী রাজনীতিকদের অপকৌশলের শিকার হয়ে যুক্ত ফ্রন্টকে ক্ষমতা থেকে বিতারিত হতে হয়। দেশে শুরু হয় সামরিক স্বৈর শাসন। এই অবস্থায় এক মাত্র আওয়ামী লীগকেই করতে হয় সামরিক স্বৈর শাসকবিরোধী আন্দোলন। মূলত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৩ সনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৪ সালে যুক্ত ফ্রন্ট নির্বাচনে তিনিই ছিলেন প্রধান প্রাণশক্তি। সন্দেহ নেই মওলানা ভাসানী একজন নির্লোভ, জনদরদী নেতা ছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে দেখা যাবে রাজনীতিতে মওলানা ভাসানী একজন অস্থির চিত্তের নেতা ছিলেন এবং এক পর্যায়ে তিনি নিজেই পার্টিকে দিখÐিত করে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন। কিন্তু সামরিক স্বৈর শাসকচক্র ও মুসলিগের লীগের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। ১৯৬৬ সালে যখন তিনি পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন, সত্যিকার অর্থে পূর্ব বাংলার মানুষের প্রতি পশ্চিমাদের সীমাহীন স্বৈর শাসন, বৈষম্য, নির্যাতন, নিষ্পেশনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাসহ বহু মামলায় দীর্ঘ বারোটি বছর কারাগারে কাটাতে হয়েছিল। অন্তত দু’বার তাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের স্বার্থের প্রশ্নে তিনি কখনো আপোষ করেননি।


অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পর ’৬৯ এর গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী আইয়ুব শাহীর পতন ঘটিয়ে আরেক সামরিক স্বৈরাচার ইয়াহিয়া খানকে বাধ্য করেছিলেন ’৭০ এর সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ার। ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এক অবিস্মরণীয় ও অপ্রত্যাশিত বিজয় লাভ করেন। ৩০০ আসনের মধ্যে ১৬২টি জাতীয় পরিষদের আসন লাভ করে বঙ্গবন্ধু সারা পাকিস্তানের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেন। আর পূর্ব বঙ্গে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে ‘বিশ^ জয়ে’র মতো এতদ অঞ্চলের রাজনৈতিক নির্বাচনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।


নির্বাচনের পর ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্বোধন করেন। এ সময় পশ্চিম পাকিস্তান বিশেষ করে লারকানার প্লেবয় রাজনীতি জুলফিকার আলী ভুট্টোর কু-পরমর্শ ও সামরিক স্বৈর শাসকদের ক্ষমতা লিপ্সার কারণে যখন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে একের এক ষড়যন্ত্র করতে ছিল, তখন বঙ্গবন্ধু উচ্চ কন্ঠে বলেছিলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না, আমি জনগণের অধিকার চাই।’ এবার শুরু হলো স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতার সংগ্রাম। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’ ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী পূর্ব বাংলার ঘুমন্ত মানুষের বিরুদ্ধে ট্যাঙ্ক গোলা কামান নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ল; বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে লায়ালপুর জেলে বন্ধী করে রাখা হলো। শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু ২ হাজার মাইল দূরে অবস্থান করে জেলের অভ্যন্তর থেকে মুক্তিযুদ্ধের মহান সিপাহসালাহর হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেন। আর ৯ মাসের মধ্যে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহনীর কাছে আত্মমর্পণ করতে বাধ্য হলো। এজন্যই ঐতিহাসিকগণ বলেছিলেন, ‘মুক্ত মুজিবের চেয়ে বন্ধী মুজিব ছিলেন লক্ষ্যগুণ শক্তিশালী।’ ১০ জানুয়ারি ১৯৭১ পাকিস্তানের কারাগার থেকে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন, ‘তিন বছরে আমি তোমাদের কিছুই দেবার পারবো না।’ জনগণ স্বত:স্পুর্তভাবে মেনে নিয়ে ছিলেন। কিন্তু সাড়ে তিন বছরে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশকে উন্নতী ও প্রগতির দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক সা¤্রাজ্যবাদ ’৭১ এর পরাজিত শত্রæ ও ক্ষমতালোভী অ্যাডভেঞ্জারিষ্টদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় রাজনীতি মেরুকরণের মাধ্যমে বাকশাল গঠন করে দ্বিতীয় বিপ্লবীর ঘোষনা দিয়েছিলেন। এমনি সময় আন্তর্জাতিক সা¤্রাজ্যবাদ ও এশিয় চক্রান্তকারীদের সহায়তায় ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শুরু হয় এ দেশে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতি। আত্মপ্রতারণার গিলাব দিয়ে গোটা জাতির আপাদমস্তক ঢেকে দেওয়া হয়। ছলচাতুরির কফিন দিয়ে, দাফন করা হয় আমাদের যা কিছু গর্বের, যা কিছু ঐতিহ্যের, যা কিছু ইতিহাসের। এমনকি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকেও বিকৃত ও কলঙ্কিত করা হয়। দীর্ঘ ১৬ বছর চলে জাতির অগ্রগতির চাকাকে পশ্চাদে ঠেলে দেওয়ার পালা। জাতির এই চরম ক্রান্তিকালে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে কান্ডারি হিসেবে অবিসিক্ত করে। শেখ হাসিনা বর্তমানে জাতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বর্তমানে চার চারবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষনে বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তি সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন, কিন্তু জাতিকে মুক্তির লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তিনি যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা তিনি বাস্তবায়ণ করার সুযোগ পাননি। এই দায়িত্বটা তিনি তার প্রিয় কন্যা ‘হাসু’র জন্য রেখে গেছেন। শেখ হাসিনার আয়তমুখে সমুদ্রের স্বপ্নের মতো ভেসে উঠা চোখ দুটির দিকে তাকালেই আমাদের চোখের পর্দায় ভেসে আসে জাতির জনকের মুখচ্ছবি। শেখ হাসিনার কোমল হাতের ন¤্র পাতার দিকে তাকালে আমাদের চোখের সামনে ভেসে আসে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ হাতের শাহাদাত আঙ্গুলের প্রতিচ্ছবি; হেমিলনের বংশিবাদকের মতো বঙ্গবন্ধু সেই শাহাদাত আঙ্গুলের ইশারায় লাখ লাখ মানুষ উঠবস করত কখনো রেসকোর্স ময়দানে, কখনো পল্টনে, কখনো বাহাদুরশাহ পার্কে আবার কখনো আরমানিটোলা মাঠে।

আরো পড়ুন

সময় এসেছে জাতির অভিভাবক পদে অভিষিক্ত হওয়ার

বঙ্গবন্ধু : সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনার পথিকৃৎ


দেশ শাসনের ভার গ্রহণ করে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা বিনির্মানের আত্মনিয়োগ করেন। তার ‘রূপকল্প-২১; এবং ‘উন্নত বাংলাদেশ-৪১’ ঘোষণা দেন। তারই পথ ধরে একদা ‘তলাহীন ঝুঁড়ি’ খ্যাত বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করেছেন। আমরা এখন বিদেশে চাল রপ্তানি করছি। অন্য দেশকে আমাদের ফরেন কারেন্সি রিজার্ভ থেকে সাহায্য করছি।


আজকের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মহেন্দ্রক্ষনে আমাদের একটি কথা মনে রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের পথ চলা কখনো কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ছয় দশকের বেশি সময় প্রায় সেই আওয়ামী লীগকে শাপদ সঙ্কুল, তরঙ্গ বিক্ষুব্ধ ও বন্ধুর পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। এখনও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে। অন্তত ১৯ বার শেখ হাসিনার ওপর হত্যা প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে একুশে আগস্ট ২০০৪ শেখ হাসিনাসহ সকল কেন্দ্রীয় নেতাসহ হত্যার করার জন্য যে জঘন্য গ্রেনেড হামলা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চালানো হয়েছিল, তা ছিল সমসাময়িক বিশে^র সবচেয়ে জঘন্নতম রাজনৈতিক হত্যা প্রচেষ্টা। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ ঘাতকচক্র আমাদের জাতীয় জীবনের এক সূর্য সম্ভাবনাকে হত্যা করেছিল আবার খোদা নাখাজ সেই চক্রটির হাতে শেখ হাসিনাকেও পিতার ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে। এই কথাটি মনে রেখেই আজ দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের এবং একই সাথে জাতিকে মনের রাখতে হবে শেখ হাসিনা স্বেচ্ছায় নির্বাসন থেকে ফিরে এসেছিল বলেই আওয়ামী লীগ তথা দেশের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন বলেই ২১ বছর পর হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জিবীতি, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ^াসী ও প্রগতিশীল দেশপ্রেমিক শক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পেরেছিলেন। আর যদি শেখ হাসিনা না আসতেন জাতিকে হয়তো আরও বহু ২১ বছর অপেক্ষা করতে হতো। আজ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে জাতি যেভাবে নেতৃত্ব শূন্য হয়ে পড়েছিলেন, সেই শূন্যতা শেখ হাসিনা পূর্ণ করেছেন পরিপূর্নভাবে। তবে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর জাতি একই সাথে অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েছিলেন। সেই পথ এখনও খালি। এই পথটি পূর্ন করতে হবে আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকেই। একই সথে শেখ হাসিনাকেই জাতির সামনেই উপস্থাপিত করতে হবে তার অবর্তমানে জাতিকে ভবিষ্যতে কে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ##

লেখক:-বাংলাদেশের খবর এর সম্পাদক ,জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফারামের সভাপতি এবং বাসসের সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক,বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এবং Lastnewsbd.com এর উপদেষ্টা সম্পাদক।
জিজুল ইসলাম ভূূঁইয়া
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

youtube
app
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
হাঁ, আমরাও পারি
।।আজিজুল ইসলাম ভূইয়া।।এইতো সেদিনের কথা ৪ মে, ...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • রংপুরে ভুয়া নারী ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেপ্তার
  • চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে রাজারহাটে মানববন্ধন
  • গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখালেন ঠাকুরগাঁওয়ের রাসেল

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

  • হ্যা (61%, ৮৩ Votes)
  • না (25%, ৩৪ Votes)
  • মতামত নাই (14%, ১৯ Votes)

Total Voters: ১৩৬

Start Date: ডিসেম্বর ৯, ২০২০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি মনে করেন আসন্ন ‘বড় দিন’ মহামারির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি কি তার এই মন্তব্যকে যথাযোগ্য মনে করেন?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ৮, ২০২০ @ ২:০৩ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

  • হ্যা (75%, ৬ Votes)
  • না (13%, ১ Votes)
  • মতামত নাই (12%, ১ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

মডার্নার, ফাইজারের করোনা ভাইরাসের টিকার মধ্যে মডার্নার টিকার উপর কি আপনার আস্থা বেশি ?

  • মতামত নাই (100%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

মার্কিন টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্নার দাবি করেছেন অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ওপর এ টিকা ১০০ শতাংশ কাজ করেছে। আপনি কি শতভাগ ফলপ্রসু মনে করেন?

  • হ্যা (100%, ১ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ১, ২০২০ @ ১২:৫১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

 Page ১ of ২  ১  ২  »