ধর্ষণ 'প্রতিরোধে' বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা কেন?
Tuesday, 6th October , 2020, 08:33 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

ধর্ষণ ‘প্রতিরোধে’ বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা কেন?



লাস্টনিউজবিডি,০৬ অক্টোবর: সম্প্রতি বাংলাদেশে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার খবরের কারণে আবারো আলোচনায় এসেছে ‘ক্রসফায়ার’ এর বিষয়টি।

বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সংবিধান পরিপন্থী এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করে দেশি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। কিন্তু বাংলাদেশে ২০০৪ সালের পর থেকে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে ‘ক্রসফায়ার’ নাম নিয়ে আলোচনায় স্থান দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর, সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে ‘ক্রসফায়ার’ ব্যবহারের পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরণের বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

অনেকে বলছেন, ধর্ষণের মতো নিষ্ঠুর ঘটনা বন্ধ করতে হলে ধর্ষণকারীদের শাস্তি হিসেবে ‘ক্রসফায়ার’ দিতে হবে -অর্থাৎ তাকে বিনা বিচারে হত্যা করতে হবে – যাতে এ ধরণের ঘটনা ঘটানোর প্রতি ভয় তৈরি হয়। এমনকি এ ধরণের কিছু ফেসবুক গ্রুপও তৈরি করা হয়েছে।

আবার অনেকেই বলছেন যে, ক্রসফায়ারের মাধ্যমে আসলে ধর্ষণের মতো অপরাধ থামানো সম্ভব নয়। তবে এ’ধরণের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডর আদৌ কোন সাংবিধানিক বা নৈতিক ভিত্তি আছে কি না, তা নিয়ে খুব একটা আলোচনা চোখে পড়ছে না।

রহিম উদ্দিন শিকদার নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী বলেছেন, “নোয়াখালীর ধর্ষকসহ সকল ধর্ষণকারীদের ক্রসফায়ার দিন। ক্রসফায়ারই এদের জন্য একমাত্র বিচার।”

আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী তানভীর আহমেদ তার স্ট্যাটাসে বলেছেন, “ধর্ষণকারীর ক্রসফায়ার হোক।”

তবে অনেক ব্যবহারকারীই আবার ক্রসফায়ারের বিষয়টির বিপক্ষে আওয়াজ তুলেছেন। এরকমই একজন জায়াদুল আহসান পিন্টু। তিনি বলেছেন, “আপনি যেমন ক্ষমতার বলে ক্রসফায়ার চান, ধর্ষকও ক্ষমতার বলেই ধর্ষণ করে। বিষয়টা একই।”

মি. আহসানের এই কথাকেই সমর্থন করেছেন আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী তপন মাহমুদ লিমন। তিনি বলেছেন, “মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ২০১৮-২০১৯ সালে ৪২৪ জন ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ কি মাদকমুক্ত হয়েছে? কতদিন ধরে এই ক্রসফায়ার চালালে সব নিয়ন্ত্রণে আসবে? দয়া করে জানাবেন?”

দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের হিসাব বলছে, ২০০১ সাল থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় বিশ বছরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে ৪০০২ জন মানুষ।

গত দুই বছরে যতগুলো ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তার বেশিরভাগই মাদক বিরোধী অভিযানে হয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছিল পুলিশ।

তবে এর পরও মাদকের চোরাচালান বা এ সম্পর্কিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

মানবাধিকার-কর্মী নুর খান লিটন বলেন, “গত কয়েক বছরে, বাংলাদেশে একের পর এক ক্রসফায়ারে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বা অপরাধ প্রবণতা এখন পর্যন্ত কমেনি।”

এ বিষয়ে মানবাধিকার আইনজীবী এলিনা খান বলেন, মাদক বিরোধী অভিযানে যাদেরকে ক্রসফায়ারে দেয়া হচ্ছে তারা খুবই চুনোপুঁটি ধরণের মানুষ।

তার মতে, যারা ক্ষমতাবান, যারা মাদক চোরাচালানের পেছনে বিপুল অংকের টাকা বিনিয়োগ করছে তারা কখনোই ক্রসফায়ারে পড়ছে না বা দেয়া হচ্ছে না। বরং এদের মধ্যে অনেকের নাম আসার পরেও উল্টো তারা রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থান পাচ্ছেন এমনকি জনপ্রতিনিধিও নির্বাচিত হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ক্রসফায়ার দিয়ে কি ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব?
ক্রসফায়ার বা বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কি আসলে ধর্ষণের মতো অপরাধ কমাতে বা বন্ধ করতে পারবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে মানবাধিকার কর্মী এবং ধর্ষণ নিয়ে কাজ করা অ্যাক্টিভিস্টরা সবাই একমত হয়েছেন যে, ক্রসফায়ার বা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দিয়ে ধর্ষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজা বলেন, “মানুষ আসলে এতো বেশি বিরক্ত হয়ে গেছে, ভয় পাচ্ছে, হতাশ হয়ে গেছে যে তারা ভাবছে যে ক্রসফায়ার হলে হয়তো এর সমাধান আসবে। কিন্তু এটি ভুল ধারণা”।

তিনি মনে করেন ক্রসফায়ার একটি অনৈতিক এবং অসাংবিধানিক বিষয়। এটা এক ধরণের বিচারহীন মৃত্যু।

ক্রসফায়ারের প্রচলন চালু হলে কোন ধর্ষণের ঘটনায় যদি নির্দোষ কারো মৃত্যু হয় তাহলে সে দায়ভার জনগণ নেবে কিনা সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

“আমি কখনোই মনে করি না ক্রসফায়ার করে বা একটা অন্যায় করে আরেকটা অন্যায়কে ঢাকা যায় না।”

একই ধরণের মত দিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী এলিনা খানও। তিনি বলেন, ক্রসফায়ার কখনোই সমাধান হতে পারে না। কারণ এর কারণে নিরপরাধ মানুষও ক্রসফায়ারের শিকার হতে পারে।

তিনি বলেন, যাকে ক্রসফায়ার দেয়া হবে সে মারা যাবে। কিন্তু মানুষের মধ্যে যদি মূল্যবোধ, নৈতিকতা না থাকে তাহলে শুধু ক্রসফায়ার দিয়ে কিছু হবে না।”

“একটা সুশাসন এবং গণতান্ত্রিক দেশে কখনোই ক্রসফায়ার কোন রেমেডি হতে পারে না।” তিনি বলেন।

আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি বন্ধ এবং যুব সমাজকে কাজে লাগানো না গেলে ধর্ষণ, মাদকের মতো অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি।

মানবাধিকার-কর্মী নুর খান লিটন বলেন, ক্রসফায়ার একটি বিচার বহির্ভূত ব্যাপার। আর তাই কোন অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার-বহির্ভূত হাতিয়ার ব্যবহারের পক্ষে নন তিনি।

তিনি বলেন, যারা ক্রসফায়ারকে ধর্ষণ প্রতিরোধের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন তারা মূল বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন।

“যে দেশে গণতন্ত্র থাকবে, সংবিধান থাকবে এবং আইন আছে, সেখানে আইনের যথাযথ প্রয়োগটাই জরুরী।”

ক্রসফায়ার হবে অরাজকতা
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ক্রসফায়ার যদি বৈধতা পায় তাহলে যে সমস্যা হবে তা হলো প্রায় সব মানুষ আইন হাতে তুলে নেয়ার জন্য উদ্যত হবে।

“জমি-জমা, সম্পত্তির হিসাব বা অন্য যেকোন শত্রুতা থাকলেও মানুষ একে অন্যকে মেরে ফেলতে দ্বিধা-বোধ করবে না এবং অভিযোগ তুলবে যে সে আমাকে ধর্ষণ করতে এসেছিল,” বলেন মানবাধিকার-কর্মী শিপা হাফিজা।

তার মতে, ধর্ষণ বাড়ছে বিচারহীনতার জন্য। কারণ এ ঘটনায় বিচার হচ্ছে না, বিচার দীর্ঘায়িত হচ্ছে। আর এর জন্য সমাধান হিসেবে যদি ক্রসফায়ার বৈধ হয় তাহলে সেটি হবে অরাজকতা।

“একটা স্বাধীন রাষ্ট্রে এ ধরণের অরাজকতা কখনো আমরা চাইতে পারি না।”

ক্রসফায়ার যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করা হলে মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিতে দ্বিধা করবে না বলে আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

“বাংলাদেশ তখন স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক দেশ বলে আর পরিচিত হবে না,” বলেন শিপা হাফিজা।

তার মতে, ক্রসফায়ার একটি ভয়ংকর বিষয় যেখানে জবাবদিহিতা থাকে না। আর যেখানে জবাবদিহিতা থাকে না সেখানে সুশাসনও থাকে না।

নুর খান লিটন বলেন, “এটি সমাজের সর্ব স্তরে বৈধতা পেলে আইনের শাসন আর থাকবে না। বরং হত্যার সংস্কৃতি, প্রতিশোধের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। যা আদিম বর্বরতার দিকে মানুষকে নিয়ে যাবে।”

একটি অপরাধ অনেকগুলো অপরাধের জন্ম দেবে বলেও মনে করেন তিনি।

ক্রসফায়ারের প্রতি সমর্থন বাড়ছে কেন?
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজা বলেন, ২০১৪ সাল থেকে নারী ও শিশুর উপর আগ্রাসন অনেক বেশি হারে বাড়তে থাকে।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে দেখা যায় যে, আগের বছরগুলোর তুলনায় সে বছর নারীর উপর সর্বোচ্চ হারে ধর্ষণ এবং সংঘবদ্ধ ধর্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সর্বোচ্চ হারটা হচ্ছে সেই সব ঘটনার আলোকে যেসব ধর্ষণের ঘটনা সামনে এসেছে বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেগুলো। আর এর বাইরে তো অপ্রকাশিত আরো অনেক ঘটনা রয়েই গেছে।

২০১৮ থেকে ২০১৯ সালে দেখা গেলো যে, দ্বিগুণ সংখ্যক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর শিশুদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রায় দেড়গুণ বেশি।

“এই ক্রমাগত ধর্ষণকে আমরা সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়েছে। এটা আমাদের কাছে ডাল-ভাতের মতো একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে,” শিপা হাফিজা বলেন।

তার মতে, ধর্ষণের প্রতি রাষ্ট্র এখনো কোন ধরণের সুনজর দেয়নি। কারণ দেড়শ বছরের ধরে যে আইন দিয়ে বিচার করা হয় সেখানে ধর্ষণের সংজ্ঞায় সমস্যা রয়েছে। আদালত, প্রশাসন-সবক্ষেত্রেই অক্ষমতা রয়েছে।

“সারা জীবন ভয় পেতে পেতে মানুষের মধ্যে যে হতাশা হয়েছে তা থেকে মানুষ বলছে যে ধর্ষকদের মেরে ফেলো। কিন্তু খুব বেশি দিন নাই যখন হতাশা ক্ষোভে রূপ নেবে, তখন মানুষকে সামাল দিতে রাষ্ট্রের সমস্যা হবে”।

তার আগেই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

মানবাধিকার আইনজীবী এলিনা খান বলেন, ধর্ষণের বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও সেটি না হয়ে বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকে।

এক্ষেত্রে শুধু আদালত নয় বরং থানা পর্যায় থেকে দীর্ঘমেয়াদী শুরু হয়।

“একটি ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত করা, চার্জশিট দেয়া, আসামীর সুরক্ষার মতো নানা স্পর্শকাতর বিষয় থাকে। এগুলোতে জোর না দেয়ার কারণে সুশাসন মানুষ পাচ্ছে না।”

ফলে বিচার না পাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে এক ধরণের চরম হতাশা তৈরি হয়।

“মানুষ ভাবছে যে যেখানে আইন থাকার পরও কোন কাজ হচ্ছে না, বছরের পর বছর চলে যাচ্ছে তাহলে মেরেই ফেল। ক্রসফায়ারের দাবিটাও তারই বহিঃপ্রকাশ,” বলেন এলিনা খান।

মানবাধিকার কর্মী নুর খান লিটন বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি মানুষের মনে এ ধরণের একটি অবস্থা তৈরি করে। এছাড়া ক্ষমতা প্রদর্শনের রাজনীতির কারণে মানুষের মনে আশঙ্কা থাকে যে অপরাধীরা তাদের ক্ষমতা, অর্থ এবং অবস্থানের কারণে হয়তো পার পেয়ে যাবে।

যার কারণে তাদের মধ্যে একটি ধারণা ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা হয় যে ক্রসফায়ারই একমাত্র সমাধান। বিচার ব্যবস্থাকে যথাযথ করা হলে মানুষকে এ ধরণের চিন্তা করতে হতো না বলেও মনে করেন তিনি।

সমাধান কী হওয়া উচিত?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধর্ষণ বন্ধের ক্ষেত্রে যে দাবি ওঠা উচিত সেটি হচ্ছে দ্রুত বিচার এবং সুষ্ঠু বিচারের নিশ্চয়তা দিতে হবে। কোন অন্যায় যেন বিচারের বাইরে না থাকে সেটি নিশ্চিত হতে হবে।

তারা বলছেন, বিচার নিশ্চিত হলে যারা ধর্ষক বা যারা সমর্থন দেয় তারা বুঝতে পারবে যে এটা কত জঘন্য অপরাধ। তাহলে তারা এটা থেকে বিরত থাকবে।

এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয় গত জুলাইয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খানকে হত্যার ঘটনা।

শিপা হাফিজা বলেন, গত ১০ বছর ধরে ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে নানা ধরণের প্রতিবাদ হলেও তা বন্ধ হয়নি। কিন্তু সিনহার হত্যার পর যখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বুঝতে শুরু করলো যে এ ঘটনায় বিচার হবে তখন কিন্তু ক্রসফায়ার বন্ধ হয়ে গেছে। গত দুই মাসে মাত্র একটি ক্রসফায়ার হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাষ্ট্রই পারে সমাজকে একটা সংস্কৃতি দিতে যেখানে নারী-পুরুষ সবাই স্ব-সম্মানে থাকতে পারে। ক্রসফায়ার বিষয়টি এই সব গুলো বিষয়ের একটি উল্টো দিক বলে মনে করেন তারা। সূত্র- বিবিসি

এমএ

Print Friendly, PDF & Email

মতামত দিন

মতামত দিন

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

করোনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
দুর্গাপূজা : মহামারীর মধ্যেই মাতৃ-আরাধনা
।।স্বপন কুমার সাহা।। শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালি ...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • হিলি স্থলবন্দরে ৬ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
  • ইসলামপুরে যমুনার বালু চর থেকে অজ্ঞাত কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
  • স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’, অতঃপর ৯৯৯ কল দিলেন ধর্ষিতা নিজেই

করোনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (12%, ১১ Votes)
  • হ্যা (30%, ২৭ Votes)
  • না (58%, ৫১ Votes)

Total Voters: ৮৯

করেনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (100%, ০ Votes)

Total Voters:

ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াইটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (12%, ১৪ Votes)
  • না (16%, ১৯ Votes)
  • হ্যা (72%, ৮৬ Votes)

Total Voters: ১১৯

ত্রাণ নিয়ে সমালোচনা না করে হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, এই আহবানের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নাই (4%, ২ Votes)
  • না (16%, ৮ Votes)
  • হ্যা (80%, ৪১ Votes)

Total Voters: ৫১

যাদের প্রচুর টাকা-পয়সা, ধন-দৌলতের অভাব নেই তারা কীভাবে আন্দোলন করবে? বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (15%, ১০ Votes)
  • না (21%, ১৪ Votes)
  • হ্যা (64%, ৪৪ Votes)

Total Voters: ৬৮

বিএনপির কর্মীরা নেতাদের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন,জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বক্তব্যের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মন্তব্য নেই (21%, ৩ Votes)
  • না (21%, ৩ Votes)
  • হ্যা (58%, ৮ Votes)

Total Voters: ১৪

অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বিএসটিআই‌‌‍‍র এখন গতিশীল ফিরে এসেছে এই কথার সাথে কি আপনি একমত ?

  • হ্যা (14%, ১ Votes)
  • একমত না (29%, ২ Votes)
  • না (57%, ৪ Votes)

Total Voters:

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠ হবে বলে আপনি কি মনে করেন ?

  • মতামত নেই (13%, ৬ Votes)
  • না (43%, ২০ Votes)
  • হ্যা (44%, ২১ Votes)

Total Voters: ৪৭

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এজন্য তার অনেক আত্মীয়-স্বজনকে গণভবনে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি এই পদক্ষেপ সমর্থন করছেন?

  • মন্তব্য নাই (11%, ১১ Votes)
  • না (16%, ১৭ Votes)
  • হ্যা (73%, ৭৬ Votes)

Total Voters: ১০৪

১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খাদ্যের মতো রাজনীতিতেও ভেজাল ঢুকে পড়েছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় তাই এখানেও কিছু ভেজাল প্রবেশ করেছে। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মন্তব্য নাই (2%, ৩ Votes)
  • না (8%, ১২ Votes)
  • হ্যা (90%, ১২৮ Votes)

Total Voters: ১৪৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি বট গাছ, এ গাছ থেকে দু’একটি পাতা ঝড়ে পরলে বিএনপির কিছু যাবে আসবে না , এ মন্তব্যের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নেই (7%, ৩ Votes)
  • না (29%, ১২ Votes)
  • হ্যা (64%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪২

অনেক এনজিও অসৎ উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (19%, ৬ Votes)
  • হ্যা (81%, ২৫ Votes)

Total Voters: ৩১

ডাক্তারদের ফি বেধে দেয়ার সরকারের পরিকল্পনার সাথে আপনি কি একমত?

  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (6%, ২ Votes)
  • হ্যা (94%, ৩০ Votes)

Total Voters: ৩২

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে মন্ত্রীসভায় প্রধানমন্ত্রী যে চমক এনেছেন তাতে কি আপনি খুশি ?

  • মতামত নাই (15%, ৫ Votes)
  • না (24%, ৮ Votes)
  • হ্যা (61%, ২১ Votes)

Total Voters: ৩৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মন্তব্য নাই (9%, ২ Votes)
  • হ্যা (18%, ৪ Votes)
  • না (73%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২২

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (5%, ২ Votes)
  • হ্যা (34%, ১৫ Votes)
  • না (61%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪৪

একবার ভোট বর্জন করায় অনেক খেসারত দিতে হয়েছে মন্তব্য করে আর নির্বাচন বয়কটের আওয়াজ না তুলতে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন, আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (3%, ১ Votes)
  • না (6%, ২ Votes)
  • হা (91%, ৩২ Votes)

Total Voters: ৩৫

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (13%, ২ Votes)
  • মতামত নাই (13%, ২ Votes)
  • না (74%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫