কলকাতায় বাংলা বাঙালী ও বাংলাদেশ
Monday, 14th September , 2020, 02:28 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

কলকাতায় বাংলা বাঙালী ও বাংলাদেশ



।।মোস্তাফা জব্বার।।
মুজিবনগর সরকার ও ৮ নম্বর থিয়েটার রোড : সেই ৭৬ সালের দিকে প্রথম কলকাতা যাবার পর থেকে এখন অবধি সবচেয়ে বেশিবার যে শহরটিতে আমি গিয়েছি সেটি অবশ্যই কলকাতা। কলকাতার এমন কোন দর্শনীয় স্থান নেই যা আমি সশরীরে দেখিনি। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ি, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল বা জাদুঘর কিংবা কলেজ স্ট্রিট কোনটাই আমার অচেনা নয়। বহু স্থানে আমি একাধিকবার গিয়েছি। দুটো জায়গা আমার গন্তব্যের বাইরে ছিল। একটি শান্তি নিকেতন ও অন্যটি ৮ নম্বর থিয়েটার রোড। ভেবেছিলাম এই ভ্রমণের ফাঁকে দুটো অদেখা জায়গাই দেখে আসব। কিন্তু হিসেবে করে দেখা গেল শান্তি নিকেতন ঘুরে আসার জন্য পুরো একটি দিন লেগে যাবে যা আমার হাতে নেই। বিকল্প হিসেবে মুজিবনগর সরকারের আবাসস্থল ৮ নম্বর থিয়েটার রোড দেখার সিদ্ধান্ত নিই। কলকাতার ড্রাইভার নিউ মার্কেট এলাকা থেকে নানা স্থানে থেমে লোকজনকে জিজ্ঞেস করে অবশেষে যেখানে থামল তাতে লেখা ৪ নম্বর থিয়েটার রোড। সাইনবোর্ড আছে অরবিন্দ আশ্রমের। লোকজনকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল যে এটাই ৮ নম্বর থিয়েটার রোড। প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেই শরীরটা শিহরিত হলো। ভাবতে পারছিলাম না যে মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সরকারের সদর দফতরে প্রবেশ করিনি কেবল তার প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছি। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে ১২ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে এটি মুক্তিবাহিনীর সদর দফতর হিসেবে স্থাপিত হয় যেখান থেকে প্রবাসী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা করতেন।

গাড়ি থেকে নেমে সামনের আঙ্গিনায় একটি গাছতলায় দাঁড়িয়ে নিজেকে কেমন জানি অসহায় মনে হলো। পুরো স্থানটির কোথাও মুজিবনগর সরকারের বা বাংলাদেশের কোন চিহ্ন নেই। প্রবেশের সময় অরবিন্দ আশ্রম সাইনবোর্ডটি চোখে পড়েছিল। ভেবেছিলাম আশ্রম হলেও মুজিবনগর সরকারের কিছু না কিছু তো এখানে থাকবেই। কিন্তু কোথাও কোন চিহ্ন নেই। আঙিনার কোনায় একটি স্যুভেনির দোকান আর ফাঁকা জায়গা ছাড়া কিছুই নেই। একবার মনে হলো আশ্রমের ভেতরে যাই। পরক্ষণে মনে হলো ওখানে গিয়ে কি হবে? যারা ওখানে থাকেন তারা কেউ বলতেও পারেন না যে এটি মুজিবনগর সরকারের সদর দফতর ছিল। জানা গেল এটি একটি আশ্রম ও আশ্রমের যাবতীয় কাজই এখানে হয়ে থাকে। পরিপূর্ণ হাতাশা নিয়ে বেরিয়ে এসে আমাদের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসানের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানালেন ৭২ সালে ইন্দিরাজী স্থানটিকে অরবিন্দ আশ্রমকে দান করে দেন। ১৯৭৩ এরপর বাংলাদেশ সরকার বার বার চেষ্টা করেছে জায়গাটি পাবার ও মুজিবনগর সরকারের স্মৃতিকে চির জাগরুক করার। ঢাকায় ফিরে অনেক অনুসন্ধান করে একটি প্রতিবেদন পাই যাতে ৮ নম্বর থিয়েটার রোডের বিষয়টি আলোচিত হয়, খবরটি প্রিয় ডট কম প্রকাশ করে- ৩ জুন ১৮ যা ১৯ আগস্ট ১৮ আপডেট করায়। প্রতিবেদক ছিলেন ফারজানা মাহবুবা।

‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কলকাতার যে ৮ নম্বর থিয়েটার রোডের ভবন থেকে প্রবাসী সরকার পরিচালিত হয়েছিল, সেখানে সংগ্রহশালা গড়ার প্রস্তাব নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর কাছে ওই ভবনে সংগ্রহশালা তৈরির প্রস্তাব দেন তার সাম্প্রতিক ভারত সফরে। কলকাতার চৌরঙ্গী এলাকায় ৮ নম্বর থিয়েটার রোড, যার বর্তমান নাম শেক্সপিয়ার সরণি, সেই ভবনটি থেকেই ’৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার, যা মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিত, সেটি পরিচালিত হতো।

ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীই ওই বাড়িটি দিয়েছিলেন মুজিবনগর সরকারের ব্যবহারের জন্য। বাংলাদেশ সরকারের সেখানে মুক্তিযুদ্ধের একটি সংগ্রহশালা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি উত্থাপন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর কাছে। কিন্তু ভবনটি অন্য কারণেও ঐতিহাসিক। কারণ এই বাড়ি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা অরবিন্দ ঘোষ, যিনি পরে আধাত্ম্য জীবনে ঋষি অরবিন্দ, তার জন্মস্থান। সেখানে রয়েছে ঋষি অরবিন্দের দেহাবশেষ। তাই অরবিন্দ ভক্তদের কাছে এই বাড়িটির গুরুত্ব অপরিসীম। ঋষি অরবিন্দের জন্মস্থান এবং তার পরিচালনার ভার আইন করে দেওয়া হয়েছে শ্রী অরবিন্দ সমিতি নামের একটি ট্রাস্টকে।

ট্রাস্ট বলছে, ওই ভবন তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেখানে ঋষি অরবিন্দের দেহাবশেষ রয়েছে। তাই সেই ভবন হস্তান্তর করতে তারা রাজি নয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষযক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘প্রবাসে থেকে ভারতের সহযোগিতায় সরকার গঠন করে, সেটি পরিচালনার জন্য ভারত যা যা সুযোগ-সুবিধা দিয়েছিল- সব কিছুর সমন্বয় সাধন করা হতো ওই ভবন থেকেই। তাই সেখানে একটি সংগ্রহশালা গড়তে চাচ্ছি, যেখানে সেই সময়কার নানা স্মৃতিচিহ্ন, নথি এসব থাকবে। একটা গবেষণাগারও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এই প্রস্তাবই প্রধানমন্ত্রী দিয়ে এসেছেন মমতা ব্যানার্জীকে।’

১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর যখন মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা ৮ নম্বর থিয়েটার রোড ছেড়ে চলে যান, তার পরের বছর ভারত সরকার একটি বিশেষ আইন পাস করে সেটিকে তুলে দিয়েছিল শ্রী অরবিন্দ সমিতি ট্রাস্টের হাতে।

তারা বহু পুরনো নথি ঘেঁটে বের করেছিল যে ওই ভবনেই জন্মেছিলেন ঋষি অরবিন্দ। ওই ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা ও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সুপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতি তাদের যথেষ্ট সম্মান রয়েছে, কিন্তু অরবিন্দের স্মৃতিবিজড়িত ওই বাড়িটি অন্য কাউকে ছেড়ে দিতে তারা নারাজ।

‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে তারা এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু এটাও ঐতিহাসিক সত্য যে এই বাড়িতেই জন্মেছিলেন শ্রী অরবিন্দ। তিনি নিজে যেমন বার বার এই বাড়ির কথা বলেছেন, তেমনই আমরা বহু পুরনো নথি ঘেঁটে তার প্রমাণও পেয়েছি।’ বলেন সুপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অধ্যাপক ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘১৯৭২ সালে ভারত সরকার একটি বিশেষ আইন তৈরি করে আমাদের সমিতির হাতে ভবনটি তুলে দেন। পন্ডিচেরী থেকে ’৭৩ সালে সেখানে আনা হয় শ্রী অরবিন্দের দেহাবশেষ। সেই বাড়ি কী করে অন্য কোন কাজে দিয়ে দেওয়া যাবে। আইনত সেটা করা যায না।’

দৈনিক প্রথম আলোর খবরে জানা যায় যে ১৯৭৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে অরবিন্দ আশ্রমটি কাজ করা শুরু করে।

প্রিয় ডট কমের খবর অনুসারে, ‘সুপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি ফিরে দেখতে সেদেশ থেকে অনেকেই আসেন এই ভবনে, তাদের সকলকে স্বাগতও জানানো হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধবিষয়ক বেশ কটি অনুষ্ঠানেরও অনুমতি দিয়েছেন তারা। একটি স্থায়ী প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করছে শ্রী অরবিন্দ সমিতি, যেখানে ঋষি অরবিন্দের জীবন নিয়ে নানা তথ্য ও নির্দশনের সঙ্গেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ওই ভবনের ভূমিকার উল্লেখও থাকবে। লাগানো যেতে পারে একটি ফলকও, কিন্তু ভবনটির ব্যবস্থাপনা বা কর্তৃত্ব তারা অন্য কারও হাতে দিতে পারবেন না।

শ্রী অরবিন্দ সমিতির এই আপত্তির কথা জেনে মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এটা আমার জানা নেই যে ওই বাড়িতে শ্রী অরবিন্দের জন্মস্থান কি না। তা যদি হয়, তাহলে তাদের অধিকার তো আছেই। এটা আমরা সম্পূর্ণভাবেই ভারত সরকার আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ওপরে ছেড়ে দিচ্ছি। তারা যেমন সমাধান করবে, তেমনই মানতে হবে।’

ওই বাড়িটি থেকে কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হতো, তা অনেকেরই মনে রয়েছে এখনও। সেই সময়ে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত। তাকে নিয়মিত খবর সংগ্রহের জন্য যেতে হতো ৮ নম্বর বাড়িতে।

সুখরঞ্জনকে সঙ্গে নিয়ে কয়েক বছর আগে ৮ নম্বর বাড়ির নানা কক্ষ ঘুরে দেখেছেন বিবিসির প্রতিবেদক। স্মৃতি থেকে বিবিসিকে সুখরঞ্জন বলেন, ‘বাড়িটির বাইরে বিএসএফ পাহারা দিত। আর সঙ্গে থাকত মুজিবনগর সরকারের নিজস্ব বাহিনী। বাড়িটির উল্টোদিকে একটি বিখ্যাত হোটেল আছে। সেখানে পাকিস্তান গোয়েন্দা পাঠিয়ে ছবি তুলিয়েছিল। সেটা ছাপা হয়েছিল সেদেশের কাগজে, লেখা হয়েছিল যে পূর্ব পাকিস্তানে কোন মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে না। এই ছবিই প্রমাণ করে যে কলকাতা শহরে একটি বাড়িতে বিএসএফের পাহারায় বসে কিছু ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলছেন।’

সুখরঞ্জন আরও দেখিয়েছিলেন যে, কোন ঘরে বসতেন প্রবাসী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, সেনা অধিনায়ক কর্নেল ওসমানীসহ শীর্ষ নেতৃত্বর অনেকেই। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামরুজ্জামান সাহেব এখানে বসতেন না। তার দফতর ছিল ক্যামাক স্ট্রিটের অন্য একটি বাড়িতে। আর এই ৮ নম্বর বাড়ির নিচের তলায় একটা বড় ঘরে তাজউদ্দীন সাহেব বসতেন। তাঁর স্ত্রী জোহরা তাজউদ্দীনসহ বাকি পরিবার অবশ্য এখানে থাকতেন না। তারা অন্য মন্ত্রীদের বাসস্থান ছিল যে সিআইটি রোডে, সেখানে থাকতেন।

‘দোতলার বড় হলঘরটাতে দেখতাম ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতেন নানা সেক্টর থেকে নির্দেশ নিতে আসা মুক্তিযোদ্ধারা। দোতলার একটা ঘরেই কর্নেল ওসমানী আর অর্থমন্ত্রী মনসুর আলী সাহেব বসতেন। পেছনের দিকের বড় বারান্দায় বসতেন কিছু অফিসার- যারা পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস থেকে বেরিয়ে চলে এসেছিলেন। পরে অবশ্য যখন পাকিস্তানের যে উপদূতাবাস ছিল, তার কর্মকর্তারা যখন বিদ্রোহ করে বাংলাদেশে যোগ দিল সেই উপদূতাবাস ভবনে চলে গিয়েছিলেন সিভিল সার্ভিস অফিসাররা। আর পেছনের বাগানে ছিল রান্নার জায়গা। সেখানেই একদিন দেখা হয়েছিল জিয়াউর রহমানের সঙ্গে।’ বাড়িটিতে ঘুরতে ঘুরতে স্মৃতি রোমন্থন করেছিলেন সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত।

সুখরঞ্জন দাশগুপ্তর মতো অনেকের স্মৃতিতে ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার ঘটনাবলী থাকলেও তা যদি সংরক্ষণ না করা যায়, তাহলে অচিরেই হয়তো হারিয়ে যাবে বাংলাদেশ এবং ভারতের একটা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সময়।

আবার একই সঙ্গে ঋষি অরবিন্দের মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জন্মস্থানও বদলানো যাবে না, সরানো যাবে না তার দেহাবশেষ। সকলেই আশায় আছেন, উপায় হয়তো কিছু একটা হবে।’

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ সংখ্যায় প্রকাশিত ফখরে আলমের লেখা এক নিবন্ধে জানিয়েছে যে থিয়েটার রোডের এই ভবনটি বাংলাদেশ যাতে পেতে পারে তার জন্য ২০১১ সালের এপ্রিলে কলকাতায় গিয়ে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব বসুকে অনুরোধ করেন। বুদ্ধদেব বসু তৎকালীন পূর্তমন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামীর সঙ্গে কথা বলেন ও উভয়ে ভবনটি বাংলাদেশ সরকারকে ফিরিয়ে দেবার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর ভবনটি ফেরত দেবার জন্য আনুষ্ঠানিক চিঠিও দেয়া হয়।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই বাড়িটি ফেরত তো আসেইনি বরং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কোন চিহ্নও এখনও নেই। (সমাপ্ত)

ঢাকা ॥ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সর্বশেষ সম্পাদনা ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ॥ মতামত লেখকের নিজস্ব।

লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাস-এর চেয়ারম্যান- সাংবাদিক, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যার-এর জনক

mustafajabbar@gmail.com,
www.bijoyekushe.net.bd,
www.bijoydigital.com

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

করোনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
কলকাতায় বাংলা বাঙালী ও বাংলাদেশ
।।মোস্তাফা জব্বার।।মুজিবনগর সরকার ও ৮ নম্বর থিয়েট...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • রাণীশংকৈলে পিকআপ ও ৩টি গরুসহ ৪ চোর আটক
  • রাণীশংকৈলে পেয়াজের কেজি ৯০ টাকা
  • অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ মিলল ধানক্ষেতে, আটক ২

করোনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (12%, ৯ Votes)
  • হ্যা (26%, ২০ Votes)
  • না (62%, ৪৭ Votes)

Total Voters: ৭৬

করেনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (100%, ০ Votes)

Total Voters:

ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াইটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (12%, ১৪ Votes)
  • না (16%, ১৯ Votes)
  • হ্যা (72%, ৮৬ Votes)

Total Voters: ১১৯

ত্রাণ নিয়ে সমালোচনা না করে হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, এই আহবানের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নাই (4%, ২ Votes)
  • না (16%, ৮ Votes)
  • হ্যা (80%, ৪১ Votes)

Total Voters: ৫১

যাদের প্রচুর টাকা-পয়সা, ধন-দৌলতের অভাব নেই তারা কীভাবে আন্দোলন করবে? বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (15%, ১০ Votes)
  • না (21%, ১৪ Votes)
  • হ্যা (64%, ৪৪ Votes)

Total Voters: ৬৮

বিএনপির কর্মীরা নেতাদের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন,জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বক্তব্যের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মন্তব্য নেই (21%, ৩ Votes)
  • না (21%, ৩ Votes)
  • হ্যা (58%, ৮ Votes)

Total Voters: ১৪

অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বিএসটিআই‌‌‍‍র এখন গতিশীল ফিরে এসেছে এই কথার সাথে কি আপনি একমত ?

  • হ্যা (14%, ১ Votes)
  • একমত না (29%, ২ Votes)
  • না (57%, ৪ Votes)

Total Voters:

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠ হবে বলে আপনি কি মনে করেন ?

  • মতামত নেই (13%, ৬ Votes)
  • না (43%, ২০ Votes)
  • হ্যা (44%, ২১ Votes)

Total Voters: ৪৭

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এজন্য তার অনেক আত্মীয়-স্বজনকে গণভবনে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি এই পদক্ষেপ সমর্থন করছেন?

  • মন্তব্য নাই (11%, ১১ Votes)
  • না (16%, ১৭ Votes)
  • হ্যা (73%, ৭৬ Votes)

Total Voters: ১০৪

১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খাদ্যের মতো রাজনীতিতেও ভেজাল ঢুকে পড়েছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় তাই এখানেও কিছু ভেজাল প্রবেশ করেছে। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মন্তব্য নাই (2%, ৩ Votes)
  • না (8%, ১২ Votes)
  • হ্যা (90%, ১২৮ Votes)

Total Voters: ১৪৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি বট গাছ, এ গাছ থেকে দু’একটি পাতা ঝড়ে পরলে বিএনপির কিছু যাবে আসবে না , এ মন্তব্যের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নেই (7%, ৩ Votes)
  • না (29%, ১২ Votes)
  • হ্যা (64%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪২

অনেক এনজিও অসৎ উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (19%, ৬ Votes)
  • হ্যা (81%, ২৫ Votes)

Total Voters: ৩১

ডাক্তারদের ফি বেধে দেয়ার সরকারের পরিকল্পনার সাথে আপনি কি একমত?

  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (6%, ২ Votes)
  • হ্যা (94%, ৩০ Votes)

Total Voters: ৩২

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে মন্ত্রীসভায় প্রধানমন্ত্রী যে চমক এনেছেন তাতে কি আপনি খুশি ?

  • মতামত নাই (15%, ৫ Votes)
  • না (24%, ৮ Votes)
  • হ্যা (61%, ২১ Votes)

Total Voters: ৩৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মন্তব্য নাই (9%, ২ Votes)
  • হ্যা (18%, ৪ Votes)
  • না (73%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২২

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (5%, ২ Votes)
  • হ্যা (34%, ১৫ Votes)
  • না (61%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪৪

একবার ভোট বর্জন করায় অনেক খেসারত দিতে হয়েছে মন্তব্য করে আর নির্বাচন বয়কটের আওয়াজ না তুলতে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন, আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (3%, ১ Votes)
  • না (6%, ২ Votes)
  • হা (91%, ৩২ Votes)

Total Voters: ৩৫

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (13%, ২ Votes)
  • মতামত নাই (13%, ২ Votes)
  • না (74%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫