স্প্যানিশ ফ্লু'র ভয়ঙ্কর গতি: করোনায় পরিত্রানের উপায়!
Thursday, 28th May , 2020, 11:08 am,BDST
Print Friendly, PDF & Email

স্প্যানিশ ফ্লু’র ভয়ঙ্কর গতি: করোনায় পরিত্রানের উপায়!



আলীমুজ্জামান হারুন:-বিশ্বে এসেছে এক নতুন মহামারী – করোনা। এ করোনা ভাইরাসের থাবায় প্রতিদিন সারা পৃথিবীতে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানবসন্তান। এ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোটি কোটি মানুষ কোয়ারেন্টিন বা গৃহবন্দী জীবনযাপন করছে। বিশ্বের অর্থনীতি তথা গোটা বিশ্বই এককথায় অচল হয়ে পড়েছে। বলাবলি হচ্ছে, এমন দুর্যোগ বিশ্ববাসী আগে কখনও দেখেনি।

কিন্তু কথাটি ঠিক নয়। অতীতেও পৃথিবী আক্রান্ত হয়েছে মহামারীতে। মারা গেছে কোটি মানুষ। অবশ্য তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আজকের দিনের মতো এতোটা অগ্রসর ছিল না। তথ্যপ্রবাহ ছিল না এতটা অবাধ। ফলে রোগের তথ্য আদান-প্রদান ও গবেষণায় ছিল সীমাবদ্ধতা। ফলে সহজে ছড়িয়ে পড়তে পেরেছিল এক মহামারী, ইতিহাসে যা ”স্প্যানিশ ফ্লূ মহামারী” নামে পরিচিত।

আজ আমরা lastnewsbd.com পাঠকদের শোনাবো সেই ভয়ঙ্কর মহামারীর মর্মন্তুদ কাহিনী।

১৯১৭ সালের ৬ এপ্রিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রপক্ষে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তখন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী অপেক্ষাকৃত ছোট থাকলেও যুদ্ধে যোগ দেয়ার কয়েক মাসের মাথায় তারা বিশাল এক সৈন্যবাহিনী গড়ে তোলে। কিন্তু বিশাল বাহিনী গড়লে হবে কী, এই বিশাল বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার মতো সুযোগ-সুবিধা তখন যুক্তরাষ্ট্রে ছিল না। এ অবস্থায় তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ক্যাম্প তৈরি করে। এর একটি ছিল কানসাসের ফোর্ট রাইলি। সেখানে সেনাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য নতুন করে ক্যাম্প ফান্সটন তৈরি করা হয়।
ক্যাম্প ফান্সটনে ৫০ হাজার সেনার থাকার ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে ১৯১৮ সালের মার্চের শুরুতে প্রথমে এক সৈন্য জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এর কয়েক ঘণ্টার মাথায় আরো শতাধিক সেনা একই কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে এই সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তেই থাকে। মূলত এটি ছিল স্প্যানিশ ফ্লুর উৎপত্তি, যার মূল কারণ ছিল পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থার অভাব। একই জায়গায় বহু সংখ্যক সেনা থাকার কারণে সেখানে খুব সহজেই রোগের বিস্তার ঘটেছিল।

মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রায় ২০ লাখ সেনাকে ইউরোপে যুদ্ধের জন্য পাঠানো হয়। যখন মার্কিন সেনারা ইউরোপের যুদ্ধের ময়দানে আসে, তখন তারা সাথে করে সেই ভাইরাসও নিয়ে আসে। এরপর তাদের থেকে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড লয়েড জর্জও এর হাত থেকে রেহাই পাননি। ১৯১৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জ্বর ও গলাব্যথা শুরু হয়। ধীরে ধীরে তাঁর শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এরপর তাঁকে টানা ১০ দিন ম্যানচেস্টার টাউন হলে শয্যাশায়ী হয়ে থাকতে হয়েছিল। তিনি এত বেশি অসুস্থ ছিলেন যে তাঁকে হাসপাতালের নেয়ার মতো অবস্থাও ছিল না। টাউন হলেই তাঁকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।

অধিকাংশ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের ধারণা ছিল, তাদের প্রধানমন্ত্রীর অসুস্থতার পেছনে জার্মানির হাত রয়েছে। তাঁকে সরিয়ে দেয়ার জন্য কোনো বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসকরা সেই দাবি নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে জানা যায় তিনি স্প্যানিশ ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন। অবশ্য তখনও এ রোগের নাম স্প্যানিশ ফ্লু হয়নি। এই নামকরণ হয়েছিল অনেক পরে। সে যাত্রায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কোনোক্রমে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেলেও সেই ভাইরাসের সংক্রমণে ব্রিটেনের আড়াই লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মারা যাওয়া মোট ব্রিটিশ সেনা ও সাধারণ নাগরিকের চেয়ে অনেক বেশি।
বৈশ্বিকভাবে এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ছিল কল্পনাতীত। সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, সেই সময় পুরো বিশ্বে স্প্যানিশ ফ্লুর কারণে মারা গিয়েছিল পাঁচ থেকে ১০ কোটি মানুষ, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মৃতের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
স্প্যানিশ ফ্লুর হাত থেকে পৃথিবীর কোনো অংশই ছাড় পায়নি। এশিয়া, আফ্রিকাসহ প্রশান্ত মহাসাগরের বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোতেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল।

স্প্যানিশ ফ্লু এলো কোথা থেকে

শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, স্প্যানিশ ফ্লু সম্ভবত কোনো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হচ্ছে। বিশ্বের অনেক সংবাদমাধ্যমই এমন খবর প্রকাশ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে জানা যায়, এই তথ্য ভুল। স্প্যানিশ ফ্লুর জন্য দায়ী ছিল এক নতুন ধরনের ভাইরাস। পরবর্তীতে গবেষণার মাধ্যমে সনাক্ত করে যার নাম দেওয়া হয় ‘এইচ ওয়ান এন ওয়ান ভাইরাস (H1N1), তবে প্রাথমিকভাবে এর নাম ছিল স্প্যানিশ ফ্লু।

নামকরণে অন্যায়

স্প্যানিশ ফ্লুর ৩০ বছর আগে ইউরোপে রাশিয়ান ফ্লুর সংক্রমণ হয়েছিল, যার উৎপত্তিস্থল ছিল উজবেকিস্তানের বুখারা। উজবেকিস্তান সেই সময় রাশিয়ার অংশ ছিল, যে কারণে সেই ভাইরাসের নাম হয়েছিল রাশিয়ান ফ্লু। সেই নামকরণ যথার্থ ছিল, কিন্তু স্প্যানিশ ফ্লুর নামকরণ হয়েছিল অন্যায়ভাবে। কারণ এই ভাইরাসের উৎপত্তি স্পেনে হয়নি। আবার তারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় কোনো পক্ষের হয়ে যুদ্ধেও জড়ায়নি। তারপরও অন্যায়ভাবে ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়ের সাথে তাদের নাম জুড়ে গেছে।
সেই থেকে বিশ্বজুড়ে শতবর্ষ আগের সেই মহামারী ভাইরাসের পরিচয় এখনো ‘স্প্যানিশ ফ্লু’। স্পেনে ভাইরাসটির উৎপত্তি না হলেও সেখানকার লাখ লাখ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।

স্প্যানিশ ফ্লুতে সবচেয়ে বেশি জীবনহানি ঘটেছে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে। এখানকার দেশগুলোতে মৃত্যুর হার ইউরোপের চেয়ে ৩০ গুণ বেশি ছিল। অথচ ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে এই হার ছিল সর্বনিম্ন।

স্প্যানিশ ফ্লুর আক্রমণের ধারাও ছিল বিচিত্র। এতে সবচেয়ে বেশি মারা যান ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। শিশু ও গর্ভবতী নারীদের মৃত্যুর হার ছিল তুলনামূলকভাবে কম, যদিও গর্ভবতী নারীদের সংক্রমিত হবার আশঙ্কাই অধিক ছিল। আবার মৃতের হার শহরের তুলনায় গ্রামে তুলনামূলক কম ছিল। এমনও দেখা গেছে, এ মহামারীতে কোনো এক শহর একেবারে জনশূন্য হলেও পাশের কোনো শহরেই আবার মৃতের সংখ্যা অনেক কম। এ ধরনের বিচিত্র ও ব্যাখ্যাহীন ঘটনা সারাবিশ্বেই লক্ষ্য করা গেছে।

স্প্যানিশ ফ্লু’র ভয়ঙ্কর গতি

স্প্যানিশ ফ্লু যেমন দ্রুততার সাথে মানুষকে সংক্রমিত করেছিল তা এর আগে কখনোই দেখা যায়নি। এ ভাইরাস অনেকটা যেন চোখের পলকেই সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। যেমন, ১৯১৮ সালের আগস্টে যখন ইরানের মাশাদ শহরে এ ফ্লু হানা দেয় এবং এক রাতের মাথায় মহামারী আকার ধারণ করে। যখন অবস্থার উন্নতি হয় তখন দেখা যায়, মাশাদ শহরের শতকরা ৮ থেকে ২২ ভাগ মানুষ মারা গেছে।

১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বরে স্প্যানিশ ফ্লু সবচেয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করে। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরে মোট ১৩ সপ্তাহে পৃথিবীজুড়ে সর্বোচ্চ প্রাণহানি ঘটায় এই ভাইরাস। শুধু অক্টোবর মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ লাখ মানুষ মারা যায়। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক মানুষকে একসাথে গণকবর দিতে বাধ্য হন কবর খননকারী ও সৎকার ব্যবসায়ীরা।
১৯১৯ সালের জানুয়ারিতে স্প্যানিশ ফ্লু শেষবারের মতো আঘাত হানে। ১৯২০ সালের মার্চে বিদায় নেয়ার আগে ব্রিটেনে ২ লাখ ৫০ হাজার, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ লাখ ৭৫ হাজার, জাপানে ৪ লাখ এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ সামোয়ার এক-পঞ্চমাংশ লোকের প্রাণ নিয়ে যায় এ ঘাতক ভাইরাস।

এ রোগের লক্ষণগুলো ছিল এ রকম – প্রথমে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হতো। দেহে অক্সিজেনের অভাব ঘটতো, এতে শরীর কিছুটা নীলবর্ণ ধারণ করতো। এরপর শ্বাসযন্ত্রে রক্ত জমে বমি ও নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হতো। অনেকেই নিজেদের রক্তে গড়াগড়ি খেয়ে মারা যেতেন। যুক্তরাষ্ট্রে এমনও দেখা গেছে যে, কেউ একজন সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় অসুস্থ বোধ করেছেন। এরপর নাস্তা সেরে অফিস যাওয়ার পথেই মৃত্যুবরণ করেছেন।

ভারতীয় উপমহাদেশের পরিস্থিতি

ভারত তখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল বিধায় বিপুলসংখ্যক ভারতীয় সেনা ব্রিটেনের হয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে, যাদের মাধ্যমে পরবর্তীতে এ উপমহাদেশে স্প্যানিশ ফ্লু আসে এবং মহামারী আকার ধারণ করে। সে-সময় এ উপমহাদেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল এ ভাইরাসের আক্রমণে।

মহামারীর শিক্ষা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্প্যানিশ ফ্লু মহামারী থেকে একটি জরুরি শিক্ষা পেতে পারে বিশ্ববাসী। দেখা গেছে, এ রোগ যত ছড়িয়েছে, ততই মৃত্যুর হার কমেছে। তা যদি সত্যিই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ফলেই হয়ে থাকে, তবে আমাদের পক্ষে তা অত্যন্ত বেশি রকমের শিক্ষণীয়। পরিচ্ছন্নতা এবং সামাজিক দূরত্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

শেষ কথা

পরিশেষে বলতে চাই, যুদ্ধের ময়দানে যত মানুষ প্রাণ দিয়েছেন তার চেয়ে বেশি নিরপরাধ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে যুদ্ধের ময়দানে সৃষ্ট এক ভাইরাসের কারণে। এ কারণেই আমাদের যুদ্ধের পথ পরিহার করা উচিত। যুদ্ধ শুধু একটি সভ্যতাকে ধ্বংসই করে না, কেড়ে নেয় কোটি মানুষের প্রাণও। তাই সারা বিশ্বে আজ একটাই দাবি হোক – ”যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই”।

করোনা যুদ্ধ থেকে পরিত্রান পাবার একমাত্র পথ “আমার চারপাশে সকলেই আক্রান্ত” – এমনটা ভেবে নেয়া এবং সেভাবে সতর্ক থাকা। কেবল এভাবেই সংক্রমণের হার কমিয়ে আনা সম্ভব।

আরো পড়ুন

লকডাউন প্রত্যাহারের দিকে এগিয়ে যাওয়াই আজ সময়ের দাবি

লেখক:- আলীমুজ্জামান হারুন, সিনিয়র সাংবাদিক , স্থায়ী সদস্য জাতীয় প্রেসক্লাব,নির্বাহী সদস্য পরিবেশ সাংবাদিক ফোরাম, ও সম্পাদক Lastnewsbd.com ।

Print Friendly, PDF & Email

You must be logged in to post a comment Login

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান, চায়নার ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
যুবলীগের নতুন নেতৃত্বঃ পরশের পরশ ছোঁয়ায় জেগে উঠুক কোটি তরুণ
।।মানিক লাল ঘোষ।।"আমার চেষ্টা থাকবে যুব সমাজ যেনো...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • দিবালোকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের অভিযোগ
  • রেলের উচ্ছেদ হওয়া ১৫০ পরিবারের পূণর্বাসন বন্দোবস্ত
  • বিরল প্রজাতির শুকুন পাখি উদ্ধার

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান, চায়নার ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৫:২৮ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান ইন, চায়না ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

কোন দেশের কোন কোম্পনীর করোনা ভ্যাকসিন আপনার পছন্দের এবং কার্যকর বলে মনে করেন ?

  • হ্যা (100%, ১ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

আপনি কি মনে করেন বাসে আগুন দিয়ে কি সরকার পরিবর্তন করা যাবে ?

  • না (63%, ১৫ Votes)
  • হ্যা (29%, ৭ Votes)
  • মতামত নাই (8%, ২ Votes)

Total Voters: ২৪

Start Date: নভেম্বর ১৩, ২০২০ @ ২:৫৪ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

How Is My Site?

  • Good (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Excellent (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ১৩, ২০২০ @ ২:৫৪ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry