প্রিয় কবিতার কথা
Wednesday, 11th May , 2016, 04:38 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

প্রিয় কবিতার কথা



লাস্টনিউজবিডি, ১১ মে, সাহিত্য : পৃথিবীতে অনেক রকমের কবিতা আছে। যেমন বিপ্লবের কবিতা, শান্তির কবিতা, অশান্তির কবিতা, ভালোবাসার কবিতা, বিরহের কবিতা, অস্থিরতার কবিতা, অন্বেষণের কবিতা। অন্তর্মুখী বিষয় নিয়ে লেখা কবিতাগুলো মৃদু সুরের হয়ে থাকে। আমার বেশি পছন্দ ওই মৃদু সুরের কবিতাগুলো; বিশেষভাবে যেগুলো গভীর মর্মজিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজে ফেরে। চড়া সুর, কড়া রং, ভারি শব্দ- এগুলোর কোনোটাই আমি ভালোবাসি না। আর চাই না প্রকরণদক্ষতার নামে কবিতা কণ্টকিত হয়ে উঠুক। সেজন্য এজরা পাউন্ড আমার তত প্রিয় কবি নন, যতটা ইয়েটস

বিংশ শতাব্দীতে কবিতা লিখে পৃথিবীজোড়া খ্যাতি লাভ করেছেন যারা তাদের অনেকেই আমার প্রিয় কবি। বিশেষভাবে প্রিয় ডব্লিউ বি ইয়েটস, রাইনের মারিয়া রিলকে, ফ্রেডারিখ হ্যেল্ডারলিন, স্য ঝন পার্স, রবার্ট ফ্রস্ট, জন বেরিম্যান, লোরকা, ডিলান টমাস, কাহলিল জিবরান, চেশোয়াভ মিউশ, ওয়ালেস স্টিভেন্স, মিরোস্লাভ হোলুভ, ইকবাল, বরিস পাস্তেরনাক, পাবলো নেরুদা, জীবনানন্দ, জন অ্যাশবেরি, হান্স মাগনুস এনৎসেন্সবাগার, অ্যাডোনিস, সিমাস হিনি, ডেরেক ওয়ালকট প্রমুখ। বিশ্ব কবিতার মননশীল পাঠকমাত্রই জানেন, উপরে উল্লিখিত কবিরা রচনারীতিতে ও বিষয় বৈচিত্র্যে একে অপরের চেয়ে কত আলাদা। রিলকে, হ্যেল্ডারলিন, জিবরান, ফ্রস্ট, ইকবাল, জীবনানন্দরা নিজ নিজ রচনার ভেতর দিয়ে এক ধরনের দর্শনের চর্চা করে গেছেন। এদের কবিতার কোনো কোনো অংশ রীতিমতো দার্শনিকের উক্তি বলে মনে হয়। যেন তাদের কাছে জীবন দর্শনটাই লক্ষ্য আর কবিতা উপলক্ষমাত্র। অন্যদিকে ইয়েটস, লোরকা, মিউশ, নেরুদা, হোলুভ, পাস্তেরনাক প্রমুখ কবির মধ্যে আমরা নিবিড়ভাবে পাই তাদের স্বদেশ ও সংস্কৃতির এবং ঐতিহ্যের প্রতিভাদীপ্ত পরিচয়। কেবল তাই নয়, এক ব্যাপক আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক নৈরাজ্যের পটভূমিতে ব্যক্তি মানুষের সংকট, উদ্বেগ অথবা নির্লিপ্তি কতটা শিল্পশোভনভাবে তুলে ধরা সম্ভব, এদের কবিতা তারও উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

কল্পনা ছাড়া যেমন কবিতা সম্ভব নয়, তেমনি প্রত্যেক সৎ কবির আছে নিজস্ব দেখার জগৎ। কবি তার এ ‘দেখার জগৎ’কে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির ভেতর দিয়ে একটি দার্শনিক মাত্রা দিতে চান। সে অর্থে কবিমাত্রই দার্শনিক। কিন্তু রিলকে, জিবরান, ইকবাল, বোরহেস, হ্যেল্ডারলিন, কাভাফি, ট্রান্সট্রোমার যেসব বিষয়ের ওপর কবিতা লিখেছেন তার অনেকগুলোই রীতিমতো দর্শনাক্রান্ত। ওইসব রচনা কেবল জীবন ও জগতের যা কিছু দৃশ্যমান তাই নিয়ে নয়, যা কিছু অদৃশ্য এবং অভাবনীয় তা নিয়েও। সুতরাং এরা দার্শনিক কবি। দার্শনিক বলেই ইকবালের পক্ষে বলা সম্ভব হয়েছে, ‘কোথায় আমাদের জাগ্রত চক্ষুর উৎসমুখ?/ আমাদের দর্শনের আনন্দ নিয়েছে দৃশ্যমান রূপ।/ তিতির পক্ষীর পদযুগল জš§ নিয়েছে। তার চলার অপরূপ ভঙ্গি থেকে,/ বুলবুলের চঞ্চু সৃষ্টি হয়েছে তার সঙ্গীতের আনন্দ থেকে,…

অন্যদিকে দেখুন, লোরকার রচিত পঙ্ক্তিমালা কীভাবে ধারণ করেছে দেশজ সংস্কৃতির নির্যাসকে- ‘আ, ভালবাসা গজিয়ে উঠছে কমলালেবু গাছের নিচে/ সূর্যকে ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে বহতা জল/ ছোট্ট অলিভ গাছে শোনা যায় একটি চড়–ইয়ের কিচিরমিচির!’

রবার্ট ফ্রস্টকে বলা হয়ে থাকে ‘আমেরিকার ওয়ার্ডসওয়ার্থ’ তার অবিচ্ছিন্ন নিসর্গপ্রীতি ও নিগূঢ় জীবন ভাবনার কারণে। কিন্তু কৈশোরিক মুগ্ধতা, আÍপ্রশ্ন ও মুখ্যত প্রকৃতিবন্দনা যেখানে ওয়ার্ডসওয়ার্থের অগণন কবিতার মূল কথা, ফ্রস্ট সেখানে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের নানা সূত্র, নানারকম সাযুজ্য ও বৈপরীত্য খুঁজেছেন। আর এটা করতে গিয়ে জীবনের অনেক রহস্যের আলোছায়ার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি, যা তাকে পৌঁছে দিয়েছে গভীর গভীরতর উপলব্ধির জগতে। ফ্রস্ট যে কেবল স্রষ্টা কবি নন, রীতিমতো দ্রষ্টা কবিও তার অজস্র প্রমাণ ছড়িয়ে আছে তারই রচিত পঙ্ক্তিমালায়Ñ ‘সেদিন সকালে দুটি পথ একইরকম/ পাতা ঢাকা আর পদচিহ্ন পড়েনি তাতে/ প্রথমটি রেখে দিই অন্য কোনো দিনের আশায়/ অথচ একটি পথ অন্য পথে মিশে যায়/ জেনে, কোনোদিন ফিরবো কিনা জাগে সংশয়!’ (যে পথে হাঁটিনি; অনুবাদ : লেখক)।

দার্শনিক প্রতীতি, সংশয়, নিরাশা কিংবা নিয়তিচিন্তা এসব কবির স্বভাববৈশিষ্ট্য নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু মাথায় বিশ্বাস, অবিশ্বাস বা সংশয় যেটাই কাজ করুক না কেন (পাঠক, স্মরণ করুন অমিয় চক্রবর্তী ও জীবনানন্দ দাশের কবিতা) কবিতাকে উপলব্ধির একটা পরিচ্ছন্ন ও সুদৃঢ় প্লাটফর্মে শক্ত পায়ে দাঁড়াতে হয়। তা হলেই তার টিকে থাকার সম্ভাবনা উজ্জ্বলতর হয়। নতুবা কেবল শব্দের ঝিলিকে পাঠককে এক মুহূর্তে আলোড়িত করে তা রংধনুর মতো মিলিয়ে যায়। প্রচল অর্থে পরিচিত বড় বড় বিষয়গুলো বড় মাপের ভাবনার আধার। যেমন ধরা যাক সমুদ্র কিংবা স্বাধীনতা। কিন্তু বৃহৎ ব্যাপার-স্যাপারগুলো থিম হিসেবে কবিতায় প্রযুক্ত হলেই যে রচনাটা উতরে যাবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। বরং একটি ছোট্ট বোতাম কিংবা পরিত্যক্ত পুরনো একটি হাত ঘড়ি নিয়ে লিখলেও সে কবিতা বড় ধরনের আইডিয়া ধারণ করতে সক্ষম, শিল্পঋদ্ধ হতে সক্ষম। সেটা নির্ভর করছে লেখক কেমন ভাষায়, কী স্টাইলে কবিতাটি উপস্থাপন করছেন তার ওপর। আসল কথা স্মরণযোগ্য শব্দ এবং উপমা-ইঙ্গিতের সাহায্যে মর্মস্পর্শী গূঢ় জীবনভাবনা উপহার দেয়া চাই কবিতায়। আর এখানেই প্রকৃত কবি ও অকবির মধ্যকার পার্থক্যের সূত্রটি নিহিত। প্রসঙ্গত আরেকটি কথা বলতে চাই। শক্তি চট্টোপাধ্যায়, প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত, উৎপলকুমার বসু, ভাস্কর চক্রবর্তী, আবিদ আজাদ প্রমুখের কবিতা পড়ে আমার মনে হয়েছে এদের কবি ইমেজ প্রধানত বড় বিষয় নিয়ে লেখা কবিতার ওপর দাঁড়িয়ে নেই। বরং ছোটখাটো, তুচ্ছাতিতুচ্ছ থিমের ওপরেই তারা তাদের কবিত্ব পরীক্ষা করেছেন সবচেয়ে বেশি। উৎপল-ভাস্কররা বরং ছোট বিষয়ের বড় কবির উদাহরণ হয়ে আছেন এবং এটাই হয়তো তারা চেয়েও ছিলেন। একজন কবি শেষ পর্যন্ত কী লিখে উঠতে পারবেন সেটাই আসল কথা। এজন্য প্রত্যেক লেখকের উচিত তার প্রতিভার উপযোগী, সুরুচিসম্মত বিষয়-আশয় খুঁজে ফেরা। বড় ধরনের থিম নিয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ। রাহমানের ‘আসাদের শার্ট’, ‘রুপালিন’, ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’; মাহমুদের ‘ভারতবর্ষ’, ‘চক্রবর্তী রাজার অট্টহাসি’, ‘পিপাসার মুখ’, ‘উড়াল কাব্য’ নামের কবিতাগুলো তার প্রমাণ। আরেকজন আছেন, বিনয় মজুমদার। বিনয় কেবল সাহিত্য নিয়েই ভাবেননি, গণিত নিয়েই ভাবেননি; ভেবেছেন সৃষ্টিরহস্যের মতো বৃহৎ জিনিস নিয়েÑ ঈশ্বর নিয়েও। বলা চলে, তার সমুদয় ভাবনা কবিতার উদ্দেশে সমর্পিত। থিম গভীর কিন্তু তার কাব্যিক উপস্থাপনা, সারল্যখচিত। তার হাতে কবিতার পঙ্ক্তি অনায়াসে বাণীর মর্যাদা পেয়ে গেছে। তেমনি আমাদের চোখ এড়ায় না তার ছন্দের বিচিত্র সাবলীল প্রয়োগ। সম্ভবত তিনিই এ যুগের বাংলা ভাষার কবিদের মধ্যে একমাত্র যাকে ওয়ালকট, অ্যাডোনিস, সিমাস হিনী, অ্যাশবেরি, ট্রান্সট্রোমার প্রমুখের পঙ্ক্তিভুক্ত করা যায়। তার কবিতার মধ্যে আমরা সুস্পষ্টভাবে একটি বিজ্ঞানচেতন, ভূগোলমনস্ক দার্শনিক মনের সাক্ষাৎ পাই।

পৃথিবীতে অনেক রকমের কবিতা আছে। যেমন বিপ্লবের কবিতা, শান্তির কবিতা, অশান্তির কবিতা, ভালোবাসার কবিতা, বিরহের কবিতা, অস্থিরতার কবিতা, অন্বেষণের কবিতা। অন্তর্মুখী বিষয় নিয়ে লেখা কবিতাগুলো মৃদু সুরের হয়ে থাকে। আমার বেশি পছন্দ ওই মৃদু সুরের কবিতাগুলো; বিশেষভাবে যেগুলো গভীর মর্মজিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজে ফেরে। চড়া সুর, কড়া রং, ভারি শব্দ- এগুলোর কোনোটাই আমি ভালোবাসি না।

আর চাই না প্রকরণদক্ষতার নামে কবিতা কণ্টকিত হয়ে উঠুক। সেজন্য এজরা পাউন্ড আমার তত প্রিয় কবি নন, যতটা ইয়েটস। এলিয়টের অল্প কিছু কবিতার ভক্ত আমি কিন্তু ইয়েটসই বেশি প্রিয়; প্রিয় তার সারল্যের গুণে, বিষয়বৈচিত্র্যের কারণে, আটপৌরে ও কেতাবি ভাষার মিশ্রণরসের জন্য। ঐতিহ্য সংলগ্নতাও তার কবিতার এক বড় বৈশিষ্ট্য।

প্রথম যেদিন হ্যেল্ডারলিন পড়ি, মগ্নচৈতন্য থেকে পিচকিরির ঢঙে উঠে আসা অবিরল ভাবর্ণালী, শব্দসম্পদ আমাকে রীতিমতো গেঁথে ফেলেছিল। নিজের লেখাজোখার প্রয়াসকে, স্মরণীয় হওয়ার সাধনাকে কি তুচ্ছই না মনে হয়েছিল সেদিন। তিনিই তো বলেছেন, একটি কবিতায়- ‘যদি অশান্ত হয় মন,/প্রশ্ন করো না,/দিকভ্রান্ত মাথা ডুবিয়ে দিও অমল পুণ্যময় জলে!’

ফ্রেডারিক হ্যেল্ডারলিন ও হাইনরিশ হাইনে দু’জনই জার্মান। আধুনিক কবিতার অমৃত ও গরল পান করেছেন উভয়েই। অথচ দৃষ্টিভঙ্গি, রচনারীতি কত আলাদা। সেজন্য যুদ্ধ-বিগ্রহ ও সামাজিক বিশৃঙ্খলার প্রসঙ্গও এক শ্লাঘনীয়, প্রতীকী ভাষায় উঠে এসেছে হাইনের কাব্যে-

‘তরবারি আমি, আমি শিখা,/অন্ধকারের মধ্য দিয়ে আমিই পথ করেছি আলো/আর যখন লড়াই শুরু হলো/যুদ্ধ করেছি একেবারে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে।’ (অনুবাদ : শঙ্খ ঘোষ)

ফরাসি কবি-শিল্পীরা অনেক আধুনিক ধ্যান-ধারণার জš§দাতা। পরাবাস্তববাদের মতো একটি ভুবনবিসারী, ভাবনা উদ্রেককারী শিল্প ধারণারও উদ্গাতা ওই ফরাসিরাই। শিল্প-সাহিত্যে তাদের অগ্রণী ভূমিকার কথা আজ সুবিদিত। আধুনিক ফরাসি কবিদের মধ্যে একজন অগ্রপথিকের নাম স্য ঝন পার্স।

পার্সকে আমার ভীষণ ভালো লাগে তার বস্তুনিষ্ঠতার কারণে। তিনি শুধু পৃথিবীর বস্তুপুঞ্জ ঘিরে একটির পর একটি অসাধারণ কল্পচিত্রই তৈরি করেন না, বস্তুর অন্তর্লোকও আলোকিত করে তোলেন অদ্বিতীয় মনোদৃষ্টির সাহায্যে।

প্রেমিক ও বিপ্লবী সত্তার সর্বাঙ্গসুন্দর মিলন ঘটেছিল পাবলো নেরুদার কবিতায়। নেরুদা পৃথিবীর সেই মহৎ কবিদের একজন যার রচনায় মেলে দেশচেতন ভাবুকের পরিশ্র“ত আবেগ আর বিরল জাতের নিরাসক্তি। বিশেষ করে তার প্রেমের কবিতায় বিষয়টি ধরা পড়েছে অভাবনীয় ভঙ্গিতে। যুদ্ধের ময়দানে মাথা ঠাণ্ডা রাখা সেনাধিনায়কের সঙ্গে তাকে আমার তুলনা করতে ইচ্ছে করে। আবার তার কবিতার সংস্পর্শে এলে বদলে যায় জীবন ও জগতের প্রচল অর্থগুলো। জেরাল্ড মেনলি হপকিন্স তার কবিতায় ঈশ্বরের মুখ কল্পনা করেছিলেন।

হপকিন্স বা গত শতকের মধ্যভাগের মার্কিনি কবি জেমস রাইটের মতো কাহলিল জিবরানের কবিতাও আধ্যাÍিকতায় ঋদ্ধ। অবশ্য রাইট এবং তার সমগোত্রীয় মার্কিনি কবিরা আধ্যাÍভাবের সঙ্গে দিনানুদৈনিক নানা বিষয় যুক্ত করেছেন কবিতায়। সে ক্ষেত্রে জিবরান পরিপূর্ণ প্রত্যয় ও আÍজিজ্ঞাসার প্রশান্তিময় কবিতা লিখেছেন। আÍনির্জনতা এবং আস্তিকতার ছায়ায় লালিত তার কবিতা অনেক সময়ই প্রায় ধর্মগ্রন্থসুলভ বাণী ও বরাভয় উপহার দেয়। প্রাচীনকালের আস্তিকরা যেমন ছিলেন, তিনি সেরকম ত্যাগী নন। তিনি খানিকটা ভোগী; কিন্তু জীবনের সবরকম উত্তরণে অবিচলভাবে বিশ্বাসী। তাই সাধারণ মানুষের মধ্যেই তিনি ঈশ্বরকে খুঁজেছেন। মানুষের লৌকিক জ্ঞানকে নিজ কবিকল্পনার ঝালাই দিয়ে করে তুলেছেন অমূল্য সম্পদ। জিবরানের পক্ষেই তাই এরকম বলা সম্ভবÑ ‘যখনই আনন্দে ভরে আছো, চেয়ে দ্যাখো হƒদয়ে গভীর/যা দিয়েছে দুঃখ একদিন/তাই দিলো আনন্দ এখন।/যখনই দুঃখে ভরা মন, চেয়ে দ্যাখো হƒদয়ে গভীর/যা ছিল আনন্দ একদিন/তাই আজ দুঃখ হয়ে গেছে।’ (আনন্দ ও দুঃখ বিষয়ে। অনুবাদ : অজিত মিশ্র)

সর্বশেষ পড়েছি ফিলিপ জাকাতোর কবিতা, প্রথমবারের মতো। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের শেষ পাদে এ ফরাসি কবির উত্থান। বিগত শতকের ফরাসি কবিতাকে ‘পাঠের অযোগ্য’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন অনেক সমালোচক এবং কবিও। স্য ঝন পার্সের মতো কবিরা অবশ্য এর ভেতর পড়েন না। রহুরূপী ধাঁধা, সচেতন বুদ্ধিচর্চা, শব্দ নিয়ে খেলা আর প্রখর আঙ্গিকমনস্কতা যেখানে গড়পড়তা ফরাসি কাব্যের কুললক্ষণ, সেখানে জাকাতো এক সত্যিকার ব্যতিক্রম। শীতের প্রশান্ত নদীর মতো, সন্ধ্যার আগের স্নীগ্ধ মোহনীয় মুহূর্তগুলোর মতো কোমল, নিচু কণ্ঠ তার কবিতা। তার কণ্ঠস্বর ব্যতিক্রমীভাবেই মৃদু- ‘যেখানে রঙের শুরু, যেখানে রূপের শুরু/সেখানে দৃষ্টি পৌঁছাতে পারে না আর।’

এক বিশুদ্ধ আলোর মতো (আলো তার কবিতায় ঘুরেফিরেই এসেছে) বিশুদ্ধ এক অনুভূতির প্রসাদ মিলবে তার কবিতায়। একটি লেখায় তিনি বলেছেন, ‘ক্রমশ বয়স বাড়ে, আমি আরও বেশি অজ্ঞ হই।’ এর চেয়ে সরল প্রতীকী স্বীকারোক্তি আর কী হতে পারে? ‘অজ্ঞ’ শব্দটি যেন এখানে ‘বিজ্ঞ’-র প্রতিরূপ। আমি নিজে কবিতার ভেতর খুঁজে ফিরি নির্মল আনন্দ উন্নত সাহিত্য পাঠের আনন্দ। সেই কবিতা যদি একই সঙ্গে জ্ঞানের কথাও উপহার দেয়, তাহলে সেটা হবে বোনাস। এ বোনাস কখনো কখনো জাকাতোর মধ্যেও মেলে। তার কবিতা পড়ার মুহূর্তে আমি গ্রীষ্মের ভোরের বাতাসে দাঁড়িয়ে থাকার অনুভূতি টের পাই।

যে মহাপ্রাণ কবিদের সম্বন্ধে এতক্ষণ বলা হল, তারা সবাই নিজ নিজ ভাবনার অভিব্যক্তি গুণে খুবই আলাদা। ফলে তাদের সবার রচনাই মাত্রার তারতম্য নিয়েই অভিনিবেশযোগ্য।

কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, শিল্পকলার ক্ষেত্রে অভিব্যক্তির চেয়ে অভিঘাত বেশি মূল্যবান। আমাদের বাংলা সাহিত্যে প্রচুর পাঠযোগ্য কবি আছেন যাদের অনেকেরই রচনা অভিব্যক্তি চিহ্নিত। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের কতজনের লেখা অভিঘাতী তা ভাবনার বিষয়। কেন না আমাদের আক্রমণ করার ভাবভঙ্গি যথেষ্ট আছে। কিন্তু আমরা অন্যদের আক্রান্ত করতে পারি কদাচিৎ।

ফয়েজ আহমদ ফয়েজ তার একটি কবিতায় লিখেছেন, ‘প্রতিটি পথিককে প্রতিটি পথ কী যেন বলছে।’ (অনুবাদ : কমলেশ সেন) ওই লেখাটি পড়তে পড়তে আমার মনে হয়েছে, প্রতিটি উচ্চাশী এবং সামর্থ্যবান কবি আসলে একেকজন দূরগামী পথিক। তাই একেকজন পথিকের জন্য একেকটি ব্যক্তিগত পথ আছে। তা হয়তো অনেক দিন পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত থাকতে পারে একজন কবির কাছে।

কিন্তু সেই ‘ব্যক্তিগত পথ’টি একবার খুঁজে পাওয়ার পর লেখকের কাজ হচ্ছে ওই পথের অবিকল্প সাধনায় লিপ্ত হওয়া। ভাবনাদীপিত এক সঠিক পথের নিরন্তর সাধনা ব্যতিরেকে, আমরা দেখেছি, প্রতিভাবনাও মুখ থুবড়ে পড়েছে। অনাগতকালের বিরল সম্মান তোলা থাকে কেবল তার জন্য, যার আছে বিশেষ যোগ্যতা, জিদ আর ধারাবাহিক পরিশ্রম।

উঁচুদরের শিল্পকলা আমাকে ভেতরে ভেতরে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। অরূপের অপ্রতিরোধ্য টানে আমি ছিটকে পড়ি এক আশ্চর্য জ্যোতির্ময় শাখা থেকে শাখান্তরে।

রূপবৃক্ষের এ শাখা একই সঙ্গে চেনা এবং অচেনা। শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোও অনেকটা তাই। পৃথিবীর সেরা কবিতাগুলো পরবর্তী কবিদের বারবার স্বপ্নভঙ্গ ঘটিয়েছে।

আবার নতুন স্বপ্ন জাগিয়েও দিয়েছে কারও কারও মনে। বিশ্বের প্রাগুক্ত এসব মহান কবির রচনাবলি, তাই, পাঠ করি, তাদের রসঘন উপলব্ধির ভুবন চিনে নেয়ার আশায়; বৈপরীত্যময় সুরুচির নানারকম চেহারা চিনে নেয়ার গরজে, যাতে লেখক হিসেবে কিছুটা হলেও আÍশুদ্ধি ঘটে; আÍদ্বন্দ্বের নতুন নতুন বাঁকগুলো সহনীয় ও রহস্যমধুর হয়ে ওঠে।

লাস্টনিউজবিডি, এ এস

Print Friendly, PDF & Email

মতামত দিন

মতামত দিন

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

করোনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
ইসলামি দল সমূহের ঐক্য ও কিছু ইতিহাস
ইসলামী দল সমূহের কার্যকর ঐক্য বরাবর সময়ের দাবী হি...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • ইসলামপুরে যমুনার বালু চর থেকে অজ্ঞাত কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
  • স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’, অতঃপর ৯৯৯ কল দিলেন ধর্ষিতা নিজেই
  • বন্ধুর সহযোগিতায় ধর্ষণ, আটক ২

করোনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (12%, ১১ Votes)
  • হ্যা (30%, ২৭ Votes)
  • না (58%, ৫১ Votes)

Total Voters: ৮৯

করেনার বুলেটিন না প্রকাশের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (100%, ০ Votes)

Total Voters:

ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াইটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (12%, ১৪ Votes)
  • না (16%, ১৯ Votes)
  • হ্যা (72%, ৮৬ Votes)

Total Voters: ১১৯

ত্রাণ নিয়ে সমালোচনা না করে হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, এই আহবানের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নাই (4%, ২ Votes)
  • না (16%, ৮ Votes)
  • হ্যা (80%, ৪১ Votes)

Total Voters: ৫১

যাদের প্রচুর টাকা-পয়সা, ধন-দৌলতের অভাব নেই তারা কীভাবে আন্দোলন করবে? বিএনপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (15%, ১০ Votes)
  • না (21%, ১৪ Votes)
  • হ্যা (64%, ৪৪ Votes)

Total Voters: ৬৮

বিএনপির কর্মীরা নেতাদের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন,জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বক্তব্যের সাথে আপনি কি একমত ?

  • মন্তব্য নেই (21%, ৩ Votes)
  • না (21%, ৩ Votes)
  • হ্যা (58%, ৮ Votes)

Total Voters: ১৪

অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বিএসটিআই‌‌‍‍র এখন গতিশীল ফিরে এসেছে এই কথার সাথে কি আপনি একমত ?

  • হ্যা (14%, ১ Votes)
  • একমত না (29%, ২ Votes)
  • না (57%, ৪ Votes)

Total Voters:

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠ হবে বলে আপনি কি মনে করেন ?

  • মতামত নেই (13%, ৬ Votes)
  • না (43%, ২০ Votes)
  • হ্যা (44%, ২১ Votes)

Total Voters: ৪৭

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এজন্য তার অনেক আত্মীয়-স্বজনকে গণভবনে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি এই পদক্ষেপ সমর্থন করছেন?

  • মন্তব্য নাই (11%, ১১ Votes)
  • না (16%, ১৭ Votes)
  • হ্যা (73%, ৭৬ Votes)

Total Voters: ১০৪

১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খাদ্যের মতো রাজনীতিতেও ভেজাল ঢুকে পড়েছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় তাই এখানেও কিছু ভেজাল প্রবেশ করেছে। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মন্তব্য নাই (2%, ৩ Votes)
  • না (8%, ১২ Votes)
  • হ্যা (90%, ১২৮ Votes)

Total Voters: ১৪৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি বট গাছ, এ গাছ থেকে দু’একটি পাতা ঝড়ে পরলে বিএনপির কিছু যাবে আসবে না , এ মন্তব্যের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নেই (7%, ৩ Votes)
  • না (29%, ১২ Votes)
  • হ্যা (64%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪২

অনেক এনজিও অসৎ উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (19%, ৬ Votes)
  • হ্যা (81%, ২৫ Votes)

Total Voters: ৩১

ডাক্তারদের ফি বেধে দেয়ার সরকারের পরিকল্পনার সাথে আপনি কি একমত?

  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (6%, ২ Votes)
  • হ্যা (94%, ৩০ Votes)

Total Voters: ৩২

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে মন্ত্রীসভায় প্রধানমন্ত্রী যে চমক এনেছেন তাতে কি আপনি খুশি ?

  • মতামত নাই (15%, ৫ Votes)
  • না (24%, ৮ Votes)
  • হ্যা (61%, ২১ Votes)

Total Voters: ৩৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মন্তব্য নাই (9%, ২ Votes)
  • হ্যা (18%, ৪ Votes)
  • না (73%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২২

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (5%, ২ Votes)
  • হ্যা (34%, ১৫ Votes)
  • না (61%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪৪

একবার ভোট বর্জন করায় অনেক খেসারত দিতে হয়েছে মন্তব্য করে আর নির্বাচন বয়কটের আওয়াজ না তুলতে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন, আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (3%, ১ Votes)
  • না (6%, ২ Votes)
  • হা (91%, ৩২ Votes)

Total Voters: ৩৫

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (13%, ২ Votes)
  • মতামত নাই (13%, ২ Votes)
  • না (74%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫