নবীর ইজ্জত রক্ষায় নাস্তিকদের শাস্তির আইন পাশ করুন
Thursday, 5th May , 2016, 09:23 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

নবীর ইজ্জত রক্ষায় নাস্তিকদের শাস্তির আইন পাশ করুন



লাস্টনিউজবিডি, ০৫ মে, ঢাকা : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, কতিপয় নেতার অপরিনামদর্শি ও প্রজ্ঞাহীন আচরণ ও সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের অপুরণীয় ক্ষতিসাধিত হলো।

আর এই কারণেই শাসকগোষ্ঠী দেশবাসীর উপর জগদ্দল পাথরের ন্যায় জেঁকে বসার সুযোগ পেয়েছে। ৫ মে ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।

রাসূল সা. এর ইজ্জত রক্ষায় নবীর দুশমন গণজাগরণ মঞ্চের নাস্তিক-মুরতাদ শাহবাগীদের শাস্তির দাবীতে ইসলামের পক্ষে মাঠে নেমে এসেছিলো কালিমাগো মুসলমান।

ইসলামের ধারক-বাহক নায়েবে নবীদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য রাতের আধারে যৌথ বাহিনী সাড়াশী অভিযান চালিয়ে নবীপ্রেমিকদেরকে শহীদ করে ইতিহাসের জঘন্য কালো অধ্যায় সৃষ্টি করেছে।

কি নির্মম নির্যাতন। সেই ভয়াল ৫ মে’র ঘটনা মনে হলে এখনো ঈমানদার জনতার বিবেককে নাড়িয়ে তুলে। কি দোষ ছিলো তাদের, নবীর সা. ইজ্জত রক্ষা ও ইসলামের পক্ষে কথা বলাই কি অপরাধ?।
এভাবে ইসলামের ধারক-বাহকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকার নিজেদেরকে ইসলাম বিরোধী শক্তির পক্ষ নিয়েছে।

আজ বিকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে ৫ মে শাপলা চত্বর ট্রাজেডি উপলক্ষে উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল পূর্ব আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর সভাপতি অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন-এর সভাপতিত্বে পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, ঢাকা মহানগর সেক্রেটারী মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মু. মোশাররফ হোসেন, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, নাযির আহমদ শিবলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ মে’র ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় আবার গাদ্দারদের চিহ্নিত করার দিনও। তিনি বলেন, ঐদিন কোন নেতা শহীদ হননি, শহীদ হয়েছে নিরীহ মানুষ।

অনেক নেতৃত্ব নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য কাজ করেন, কিন্তু ইসলামের জন্য তাদের ত্যাগ নজরে পড়ার মত নয়। এদিনে একটি গোষ্ঠী জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করার অপরিনামদর্শি খেলায় মেতে উঠেছিল।

তিনি বলেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাগুতি শক্তির মুলোৎপাটন করতে হবে এবং একটি ইসলামকে কায়েম করার জন্য ইসলামের মডেল হযরত সাহাবায়ে কেরামের মত যুদ্ধ জেহাদ করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন বলেন, শাপলা চত্বর ট্রাজেডীর তিন বৎসর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত নিহত ও আহত পরিবার কোন ক্ষতিপুরণ পায়নি।

নিহতের সংখ্যাও শাসকগোষ্ঠী প্রকাশিত হয়ে দেয়নি। তিনি বলেন, একটি জাতিকে জোরজবরদস্তি করে দমিয়ে রাখা যায় না।

ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আবু লাহাব, আবু জেহেল, নমরুদ, ফেরাউনসহ কোন শক্তিই টিকেনি, বর্তমানে টিকবে না। তিনি আলেম-্উলামাসহ টুপি দাড়িওয়ালাদেরকে হয়রানী না করতে এবং গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।

পরে ৫মে শাপলা চত্বরে যৌথ বাহিনীর নির্মম হামলায় নিহত ও আহতদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করে নগর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন।

Print Friendly, PDF & Email

You must be logged in to post a comment Login

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >
আর্কাইভ
মতামত
বাংলাদেশে সাংবাদিকতার সঙ্কট ও সম্ভাবনা: বর্তমান প্রেক্ষিত
।।মনজুরুল আহসান বুলবুল।। গণমাধ্যম বা সাংবাদিকত...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ রেলওয়ে ফ্যানস ফোরামের বৃক্ষরোপন
  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক দাবীতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন
  • কুড়িগ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষায় কৃষক পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

[page_polls]