•  জাপানি দুই শিশুর বাবার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন  •     •  একদিনে করোনা শনাক্ত ৩ লাখ  •     •  ১১০ টাকায় তেল বিক্রির ঘোষণা হঠাৎ স্থগিত করলো টিসিবি  •     •  তরুণরাই আনবে সোনালী ভবিষ্যৎ,তরুণদলের ভারতযাত্রা’২২ উদ্বোধনে তথ্যমন্ত্রী  •     •  কাল থেকে শুরু হচ্ছে হজের নিবন্ধন  •     •  প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের প্রবেশপত্র সংগ্রহের নির্দেশ  •     •  ইউএই’র নতুন প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন  •     •  দেশের সব বিমানবন্দরে বিটিভি দেখানোর নির্দেশ  •     •  পি কে হালদারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  •     •  মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ নিহত ৩  •     •  ৩ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার  •     •  আজ শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা  •     •  পি কে হালদারকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন  •     •  পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  •     •  নিজেদের পালানোর পথ খুঁজুন -বিএনপিকে ড. হাছান  •     •  সিরাজগঞ্জে ২৫ হাজার লিটার তেল জব্দ, প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা  •     •  ভরিতে স্বর্নের দাম কমলো ১ হাজার ১৬৬ টাকা  •     •  বিপৎসীমার ওপরে সুরমার পানি, সিলেটে বন্যার শঙ্কা  •     •  ১৫ জুনের ইউপি ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা  •     •  বিএনপির মুখে সরকার পতনের আন্দোলনের কথা মানায় না: কাদের  •  
Thursday, 31st October , 2019, 07:10 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

গণমাধ্যমে জেঁকে বসেছে চাকরি হারানোর ভয়


লাস্টনিউজবিডি, ৩১ অক্টোবর: বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সংকট গভীর হচ্ছে বলে এই মাধ্যমের কর্মীদের অনেকে বলছেন।

এই সংকট যখন গভীর হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে তাদের মাঝে চাকরি হারানোর একটা ভীতিও তৈরি হয়েছে। কিন্তু কেন এই সংকট-তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

তনুশ্রী রায় একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সংবাদ বিভাগ থেকে চাকরি হারিয়েছেন ছয় মাস আগে। এখনও তিনি চাকরি পাননি।

আরও পড়ুন: কবর খুঁড়তে কি পারিশ্রমিক নেওয়া যাবে?

ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সংবাদপত্র বা অনলাইন-এসব বিভিন্ন শাখায় চাকরি খুঁজতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক সংকটের কথা তাকে শুনতে হচ্ছে।

মিজ রায় যে টেলিভিশনে কাজ করতেন, সেই বেসরকারি চ্যানেলের সংবাদ বিভাগেই বেশি ছাঁটাই করা হয়েছে। গত এপ্রিল মাসে তিনি সহ ৩২ জনকে বিদায় করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তনুশ্রী রায় জানিয়েছেন, টিভি চ্যানেলটির পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক সমস্যার জানিয়ে তাদেরকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল এবং সেটা করতে তারা বাধ্য হয়েছেন। কারণ, চ্যানেল কর্তৃপক্ষ নিজেদের ঘাড়ে দায় রাখেননি।

আরেকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল তাদের বার্তা বিভাগই বন্ধ করে দিয়েছে কয়েকমাস আগে। বেসরকারি রেডিওগুলোরও একই অবস্থা দাঁড়িয়েছে।

বেশ কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদসহ বিভিন্ন বিভাগে কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদপত্রেও অনেকে চাকরি হারিয়েছেন গত কয়েক মাসে। বেশিরভাগ বেসরকারি টেলিভিশনে নিয়মিত বেতনও হচ্ছে না।

বিভিন্ন টেলিভিশনের কয়েকজন কর্মীর সাথে কথা বলে মনে হয়েছে, নিয়মিত বেতন না পাওয়া, চাকরি হারানোর ভয়সহ চরম সংকটে তারা রয়েছেন। তারা বলছেন, শুধু সাংবাদিকরাই নন, গণমাধ্যমে কর্মরত সবার একই অবস্থা।

গত দুই দশকে গণমাধ্যমে পরিবর্তন যা হয়েছে, তার বড় দিক হচ্ছে বেসরকারি টেলিভিশন-রেডিও’র সংখ্যা অনেক বেড়েছে।

এখন ৩০টি বেসরকারি টেলিভিশন চালু রয়েছে। আরও ১৫টি সম্প্রচারে আসার অপেক্ষায় আছে। ২৬টি বেসরকারি রেডিও চালু রয়েছে। প্রত্যেক জেলায় কমিউনিটি রেডিও তো আছেই।

কিন্তু টেলিভিশন রেডিও’র লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কেই মুল বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমন অভিযোগ বেশ জোরালো।

বাংলাভিশনের বার্তা বিভাগের প্রধান মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং সরকারি চাপের কারণে এই মাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। ফলে মানুষ একেবারে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে বলা যায়।

তিনি আরও বলেছেন, “সরকারের চাপ দেখা যায় না। কিন্তু সেটা দৈত্য বা ভূতের মতো এই মাধ্যমের সবকিছুতেই খড়গ হস্ত চালাচ্ছে। সেজন্য বেসরকারি সব টেলিভিশনের নিউজ, টকশো বা অন্য অনুষ্ঠান – সব একই রকম। কোন টেলিভিশনকে আলাদা করে তার বৈশিষ্ট্য বের করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। ফলে মানুষ চোখ ফিরিয়ে নিয়েছে।”

মোস্তফা ফিরোজের বক্তব্য হচ্ছে, ভাল বা ভিন্ন কিছু না পেয়ে মানুষ ভারতের টেলিভিশনগুলোর প্রতি ঝুঁকেছে এবং ইউটিউবসহ সামাজিক মাধ্যম এখানে জনপ্রিয় হয়েছে।

ফলে বিজ্ঞাপনদাতারা ভারতীয় চ্যানেল বা সামাজিক মাধ্যমে যাচ্ছে। আর এ কারণে বাংলাদেশের মিডিয়া অর্থ সংকটে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুন: সাকিবের নিষেধাজ্ঞা: আইসিসি’র প্রতি রওশনের অনুরোধ

আরেকটি বেসরকারি টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন একজন নারী কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয়ই যেহেতু মুল বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেটা সংকটের একটা বড় কারণ বলে তিনি মনে করেন।

এমন বক্তব্যের ক্ষেত্রে এই টিভি কর্মকর্তার যুক্তি হচ্ছে, রাজনৈতিক পরিচয়ে লাইসেন্স নেয়ার পর সেই ব্যক্তি অন্য ব্যবসার ঢাল হিসেবে তার মিডিয়া চালু করছেন। কিন্তু তাতে বড় বিনিয়োগ না করে এখন কোনভাবে একটা প্রতিষ্ঠান চালু রাখছেন।

মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকেও এখনকার সংকটকে স্বীকার করে এর জন্য বিজ্ঞাপনের ছোট বাজারকে দায়ী করা হচ্ছে।

ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকা এবং সরকারের চাপের কারণে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে ইলেকট্রনিক মিডিয়া মানুষের আস্থা হারিয়েছে। এছাড়া অর্থ সংকটসহ সব মিলিয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংকট দিনে দিনে বেশি গভীর হচ্ছে বলে এর সাথে জড়িতরা বলছেন।

সরকার এসব বক্তব্য মানতে রাজি নয়। সরকারের পক্ষ থেকে টেলিভিশন রেডিও’র সংখ্যা বৃদ্ধিকেই ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক বলেছেন, নানামুখী চাপের কাছে এখন অনেক ক্ষেত্রেই সমঝোতা করে চলতে হচ্ছে। ফলে সংবাদপত্রের প্রতিও মানুষের বিশ্বাস কমছে।
প্রিন্ট মিডিয়া কি শক্ত অবস্থান নিয়ে টিকে থাকতে পারবে?

একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক বলেছেন, নানামুখী চাপের কাছে এখন অনেক ক্ষেত্রেই সমঝোতা করে চলতে হচ্ছে। ফলে সংবাদপত্রের প্রতিও মানুষের বিশ্বাস কমছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই সম্পাদক তাদের মাধ্যমে সংকটের বড় কারণ হিসেবে দেখেন সরকারের চাপকে।

সংবাদপত্রে জড়িতদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, সংবাদপত্রে এখনও সরকারি বিজ্ঞাপনকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া এখন সরকারের পক্ষ থেকে চাপ দিয়ে কোন-কোন পত্রিকায় বড়-বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বন্ধ করার অভিযোগও রয়েছে।

সংবাদপত্রের সাথে জড়িত ঊর্ধ্বতন এবং এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক পরিচয়ও একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: সিরিয়ায় গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত ৮

সংবাদকর্মীদের অনেকের বক্তব্য হচ্ছে, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভিড়ের মাঝেও সংবাদপত্র কিছু আস্থা নিয়ে টিকে ছিল। এখন সামাজিক মাধ্যমের কারণেও সংবাদপত্র শিল্প বড় সংকটের মুখে পড়েছে।

কোন ঘটনা ঘটলে মুহূর্তেই মানুষ এখন ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে তা পাচ্ছে। ফলে ২৪ঘন্টা অপেক্ষা করে পরদিন গিয়ে সেই সংবাদ দেখার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিকেও সংবাদমাধ্যমের সংকটের একটা অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে কয়টি পত্রিকার কর্মীরা ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন পান-সেই প্রশ্ন অনেকে তোলেন। সেই সংখ্যা নগণ্যই বলা হয়।

তবে এবার কয়েকমাস আগেও প্রথম আলো’র মতো অর্থনৈতিকভাবে ভাল অবস্থান থাকা পত্রিকা থেকেও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শাখার বেশ কয়েকজনকে ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

অনেক পত্রিকা থেকেই লোকবল ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদপত্রেও একটা চরম সংকট দৃশ্যমান হচ্ছে।

বাংলাদেশের অনলাইনের সঠিক কোন সংখ্যা নেই। প্রথমবারের মতো এগুলোর নিবন্ধনের জন্য সরকার আবেদনপত্র নিয়েছে। তাতে আড়াই হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।

এই মাধ্যমের সাথে জড়িতদের অনেকে বলেছেন, হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল মানুষের আস্থা পেয়েছে। ফলে তারা ভাল বিজ্ঞাপন পেয়ে লাভবানও হচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ অনলাইনই এখনও সেভাবে আস্থা অর্জন করতে পারেনি এবং সেটাই এই মাধ্যমের সংকটের একটা বড় কারণ।

একটি অনলাইন পোর্টালের একজন সম্পাদক বলেছেন,অনলাইনেও স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ বা কাজ করার ক্ষেত্রে তাদের হিমশিম খেতে হয়। ফলে তারাও আস্থার সংকটে পড়ছেন এবং সেজন্য বিজ্ঞাপন যাচ্ছে হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইনের কাছে।

ফলে বেশিরভাগ অনলাইন পোর্টাল অর্থ সংকটে রয়েছে। এই মাধ্যমেও বড় কয়েকটি অনলাইন থেকে কর্মী ছাঁটাই হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাইক চালাচ্ছে কুকুর, ভাইরাল ভিডিও

টেলিভিশন, রেডিও, পত্রিকা এবং অনলাইন-পুরো গণমাধ্যমই তাদের আয়ের মুল উৎস বিজ্ঞাপন নিয়ে নানা অভিযোগ তুলছে।

তাদের ছোট এই বাজারে এখন অনেক মিডিয়া ভাগ বসাচ্ছে। তাছাড়া বিজ্ঞাপন এখন ভারতেও চলে যাচ্ছে।

টেলিভিশনগুলো সাংবাদিকদের একটি সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ১২০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপনের বাজার। এর মাঝে ৫০০ কোটি টাকার বেশি অর্থে বিজ্ঞাপন ভারতীয় চ্যানেল এবং ইউটিউব, ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে চলে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিই তাদের সংকট গভীর করে তুলছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ এবং সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন বলছিলেন, বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনের বাজার খুবই ছোট। আর গণমাধ্যম বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটে পড়ছে-এই দু’টি বিষয়ই সত্য।

তিনি আরও বলেছেন, সরকারের সাথে সমঝোতার বিষয় যেমন রয়েছে, একইসাথে গণমাধ্যমকে এখন কর্পোরেট হাউজের সাথেও সমঝোতা করে চলতে হচ্ছে।

তবে তিনি মনে করেন, সামাজিক মাধ্যমের কারণে সারাবিশ্বেই আনুষ্ঠানিক গণমাধ্যমে একটা অস্থিরতা চলছে। সরকারি কর্মকর্তারা মিডিয়ায় কোন সংকট হচ্ছে, সেটা মানতেই রাজি নন।

এদিকে সাংবাদিকদের অনেকে বলছেন, বেতন না বাড়া, নিয়মিত বেতন না পাওয়া এবং চাকরি হারানোর ভয়-এসব সংকট অনেক ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হচ্ছে কিনা- এই প্রশ্নও তাদের মাঝে রয়েছে।

কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ে কোন প্রশ্নেরই জবাব তারা পাচ্ছেন না। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

লাস্টনিউজবিডি/নিরব

সর্বশেষ সংবাদ

আপনার মতামত দিন
Print Friendly, PDF & Email
youtube
youtube
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
islame bank
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আপনি কি একমত ?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
IBBL-Web-Ad-Option-6.gif
মতামত
বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার অর্থনৈতিক বাস্তবতা
।। ড. আতিউর রহমান ।। শ্রীলংকা যে অর্থনৈতিক...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • বিয়ের দাবীতে শিক্ষকের বাড়িতে ছাত্রীর অনশন
  • চেতনানাশক খাইয়ে যুবকের গোপনাঙ্গ কর্তন, মালামাল লুট
  • নিজের মেয়েকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আপনি কি একমত ?

  • হ্যা (69%, ৭৫ Votes)
  • না (28%, ৩০ Votes)
  • মতামত নাই (3%, ৩ Votes)

Total Voters: ১০৮

Start Date: ডিসেম্বর ৬, ২০২১ @ ১০:১৮ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

অ্যালার্জি আছে এমন কারো করোনা টিকা নেওয়া উচিত নয় বলেছেন ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ। আপনি কি এর সাথে একমত?

  • হ্যা (59%, ১০৭ Votes)
  • না (26%, ৪৭ Votes)
  • মতামত নাই (15%, ২৬ Votes)

Total Voters: ১৮০

Start Date: ডিসেম্বর ৯, ২০২০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি মনে করেন আসন্ন ‘বড় দিন’ মহামারির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি কি তার এই মন্তব্যকে যথাযোগ্য মনে করেন?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ৮, ২০২০ @ ২:০৩ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

  • হ্যা (75%, ৬ Votes)
  • না (13%, ১ Votes)
  • মতামত নাই (12%, ১ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

মডার্নার, ফাইজারের করোনা ভাইরাসের টিকার মধ্যে মডার্নার টিকার উপর কি আপনার আস্থা বেশি ?

  • মতামত নাই (100%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

 Page ১ of ৩  ১  ২  ৩  »