বাংলাদেশকে একটা কারখানার জায়গা বানিয়েছে ভারত: সুলতানা কামাল

লাস্টনিউজবিডি,০৫ অক্টোবর: আজকে বাংলাদেশকে একটা বাজারে কিংবা তাদের শিল্প কারখানার জায়গা বানিয়ে নিজেরা সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে নেবে, এ বিষয়ে আমাদের এখন চিন্তাভাবনা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।
শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘ইউনেস্কোর ৪৩তম সভার সকল সুপারিশ বাস্তবায়ন, সুন্দরবানের পাশে রামপালসহ সকল শিল্প নির্মাণ প্রক্রিয়া বন্ধ ও সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা সম্পন্ন’ করার দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আব্দুল মতিন এবং ওয়াটার কিপারস বাংলাদেশের সমন্বয়কারী ও বাপার যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল।
সুলতানা কামাল বলেন, আমি ভারতবিরোধী কোনো কথা বলছি না। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় ভারত যদি আমাদের পাশে না দাঁড়াতো তাহলে আমরা মুক্তিযুদ্ধটা যেভাবে শেষ করতে পেরেছি সেভাবে হয়তো শেষ করতে পারতাম না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সেটা স্মরণ করি, সেজন্য অবশ্যই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞও। কিন্তু আজকে বাংলাদেশকে একটা বাজারে কিংবা তাদের শিল্প কারখানার জায়গা বানিয়ে নিজেরা সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে নেবে, এ বিষয়ে আমাদের এখন চিন্তাভাবনা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সরকার ভুল অবস্থান থেকে সরে এসে রামপাল প্রকল্প বাতিল করুক। বনবিরোধী সব স্থাপনা উৎখাত করে প্রাকৃতিক চরিত্রকে সংরক্ষণ করে বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়ায় কয়লার বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হোক। সম্প্রতি জানা গেছে, রামপাল প্রকল্প নির্মাতা ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসি তাদের নিজ দেশে সব কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থগিত করেছে। ইকোনমিক টাইমস পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনটিপিসি আগামী পাঁচ বছর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে না। কারণ তারা কার্বন তৈরির দায় কমাতে চায়। বরং এনটিপিসি গুজরাটে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সৌর শক্তি পার্ক তৈরি করতে ২৫ হাজার কোটি রুপি খরচ করছে। অথচ এই প্রতিষ্ঠান প্রবল গণআপত্তির মুখে বাংলাদেশে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরিতে পিছপা হচ্ছে না। এটা তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ডাবল স্ট্যান্ড (দ্বৈতনীতি) আচরণ।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইউনেস্কোর ৪৩তম সভায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের দুরবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মূলত সুন্দরবন নিরাপদ ও ভালো রাখার ব্যাপারে আমাদের সফলতা নিয়ে ইউনেস্কোর ৪১তম সভায় কিছু নেতিবাচক সঠিক পর্যবেক্ষণ ছিল। বাংলাদেশের যেসব বিষয়ে দায়িত্ব ছিল বা করণীয় ছিল তা গত জুনে ৪৩তম সভায় প্রতিবেদন আকারে দাখিল করা হয়। কিন্তু ওই সভায় কমিটি সন্তুষ্ট হয়েছে বলে মনে হয়নি। কারণ ২০১৭ সালের কাজগুলো সম্পন্ন করতে তাগাদা দেওয়া হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ইউনেস্কোর পর্যবেক্ষণ দল সরেজমিনে দেখতে সুন্দরবনে আসবে। আর বাংলাদেশকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে কৃতকাজের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। আগামী বছর এই সময় প্রতিবেদন মূল্যায়ন করা হবে। সেই সভায় সরকারের কাজে কমিটি সন্তুষ্ট না হলে আগামী বছরই সুন্দরবন আবারও বিপদাপন্ন ঐতিহ্য তালিকায় চলে যেতে পারে যা দেশ ও জনগণের জন্য অযোগ্যতা, ব্যর্থতা, দুঃখজনক, লজ্জার ও অপমানের একটি বিষয় হবে।’
লাস্টনিউজবিডি/আনিছ
- যাত্রাবাড়ীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ আটক ৫
- ২৪ ঘণ্টা টহল দিচ্ছে ডিএমপির ঝুঁকিপূর্ণ থানাগুলো
- ৯৯৯ নম্বরে ফোন, তিন ছিনতাইকারী গ্রেফতার
- দোকান খোলার দাবিতে বঙ্গবাজারে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
- শিশু বক্তাকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসছে নানা তথ্য
- বাসের ধাক্কায় নিউমার্কেটে সিএনজিচালক নিহত
সর্বশেষ সংবাদ
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জরিপে এগিয়ে রক!
- ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে বৈদ্যুতিক গোলযোগ
- বিএসএফের গুলিতে আহত ভারতীয় নাগরিকক
- রমজানে আদালতের সময়সূচি
- খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে ভালো আছেন
- খালেদাসহ ফিরোজা ভবনের সবাই করোনায় আক্রান্ত
- চিকেন মোল্টেন ফিঙ্গার যেভাবে বানাবেন
- আবার ‘জব উই মেট’!করিনাই খুঁজে পেলেন নতুন নায়িকাকে
- রমজানে ভেজাল-নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ রোধে কঠোর ব্যবস্থা
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আয়োজনে বহুজাতিক সেমিনার আর্মি চিফস কনক্লেভ অনুষ্ঠিত
- করোনার নিয়ম ভঙ্গ করায় নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানা
- সোমবার ও মঙ্গলবার ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল
You must be logged in to post a comment Login