পরিধি বাড়াছে ২০ দলের
Wednesday, 23rd March , 2016, 04:11 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

পরিধি বাড়াছে ২০ দলের



লাস্টনিউজবিডি, ২৩মার্চ ঢাকা: গণতান্ত্রিক আন্দোলন এগিয়ে নিতে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনে ২০ দলীয় জোটের পরিধি আরো বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জোটের সমন্বয়ক ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘জোট আরো প্রসারিত করতে চাই। সব রাজনৈতিক ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠী নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে এক প্লাটফর্মে দাঁড়ানো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।’

বুধবার রাজধানীর ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ২০ দলীয় জোট গঠন করা হয়েছিল। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বির্নিমাণে ঐক্য আরো জোরদার করতে প্রয়োজনে এই জোটের দলের সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।’

২৩ মার্চ ‘পতাকা দিবস’ উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক দল-জাগপার যুব সংগঠন যুব জাগপা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সৃষ্ট সহিংসতার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তুমুল সহিংসতা হয়েছে। ১২ জন নিহত ও ৫ শতাধিক আহত হয়েছেন। কেন্দ্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পৌর, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের চেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন খারাপ হয়েছে।’

নির্বাচনে সহিংসতার জন্য প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং পরিবর্তিত নেতিবাচক রাজনৈতিক কাঠামোকে দায়ী করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত এই মহাসচিব।

দেশের রাজনীতিকে মৌলিক পরিবর্তন আনতে দলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রূপরেখা দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে মৌলিক পরিবর্তন না আনতে পারলে স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ হবে না।’

রাজনীতি কাঠামো পরিবর্তন এখন সবচেয়ে বড় সময়ের দাবি উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে যে ‘ভিশন- ২০৩০’ রূপরেখা দিয়েছেন তাতে স্পষ্ট করে বলেছেন, কতগুলো মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। এ বিষয়ে পার্টির একটি ধারণা জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। এখন সেটা নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনা হবে যাতে এর মাধ্যমে আমরা একটা জায়গায় আসতে পারি।’

স্বাধীনতার যে স্বপ্ন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে ৪৪ বছর পরও সেই আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়নি দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এতো বছর কম সময় নয়। এখন সময় এসেছে হিসেব নিকাশ করার।’

দেশের সামগ্রিক ‘অস্থির অবস্থায়’ দেশে কোনো সরকার আছে কি না-সেই প্রশ্ন তোলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

তিনি বলেন ‘রাস্তায় বের হলেই দেখা যায় পুলিশ আছে, আবার পুলিশের সামনেই পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশই মেরে ফেলছে। আবার পুলিশই রাজনৈতিক নেতাদের থানায় নিয়ে গুলি করছে। এই অবস্থায় মনে হয় না দেশে কোনো সরকার আছে।’

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ‘সরকারের লুটপাটের রাজনীতিতে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। ব্যাংকগুলো থেকে টাকা লুট করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ব্যাংকের ঘটনার দুই এক দিনের মধ্যেই আবার জনতা ব্যাংকের টাকা লুট করা হয়েছে। এই হলো অবস্থা।’

গণতন্ত্র সম্পূর্ণ কবরে পাঠিয়ে দিয়ে একদলীয় শাসন জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

যুব জাগপার সভাপতি ফয়জুর রহমানের সভাপতিত্বে জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহীম, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, এপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এনডিপির সভাপতি খন্দকার গোলাম মর্তুজা, বাংলাদেশে ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুব জাগপার সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরি উদ্দিন।

Print Friendly, PDF & Email

You must be logged in to post a comment Login

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >
আর্কাইভ
মতামত
বাংলাদেশে সাংবাদিকতার সঙ্কট ও সম্ভাবনা: বর্তমান প্রেক্ষিত
।।মনজুরুল আহসান বুলবুল।। গণমাধ্যম বা সাংবাদিকত...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক দাবীতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন
  • কুড়িগ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষায় কৃষক পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
  • স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণ: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

[page_polls]