আমরা কি আর টলটলে জল দেখতে পাব না
Thursday, 8th June , 2017, 08:22 am,BDST
Print Friendly, PDF & Email

আমরা কি আর টলটলে জল দেখতে পাব না



।।ড. সা’দত হুসাইন।।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি টাঙ্গাইলে জেলা জাজশিপ আয়োজিত বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে বলেছেন, বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্পে ১০০ টাকার মধ্যে ৪০ টাকার কাজ হয় আর বাকি ৬০ টাকার হদিস থাকে না। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, টাকার বিনিময়ে শিক্ষকরা পরীক্ষা হলে উত্তর বলে দিচ্ছেন। পরীক্ষার দিন সকালে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে, এসব কিছুর সঙ্গে শিক্ষকরা জড়িত। (্একটি জাতীয় দৈনিক : ১৯ মে, ২০১৭)। এর আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, ‘দেশে পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি হচ্ছে।’ সুউচ্চ মর্যাদাবান ব্যক্তিদের মন্তব্যগুলো দেশের জন্য অশনিসংকেত বহন করে। সম্প্রতি বেশ কিছু বিষয়ে নেতিবাচক ঘটনা সচেতন নাগরিককে হতাশাগ্রস্ত করেছে। তারা চিন্তা করছে, আমরা কোথায় চলেছি, দেশ কোন পথে।
গত কয়েক বছরের কিছু ইতিবাচক ঘটনা অনেক নাগরিকের মনে আশার জন্ম দিয়েছিল। মনে হচ্ছিল দেশ এগিয়ে চলেছে। প্রবৃদ্ধির হার ভালো, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে বিতর্ক থাকলেও এই হার বিশ^মানে সন্তোষজনক, মাথাপিছু আয়ও বেড়েছে। ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সন্তোষজনক, বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল, কৃষি উৎপাদন উৎসাহব্যঞ্জক, নতুন নতুন ফসল উৎপাদিত হচ্ছে, কিছু সবজি সারা বছর পাওয়া যাচ্ছে। ফলমূল, মাছ, মুরগি, ডিম, আলুর উৎপাদন বাড়ছে। খাদ্যশস্যের উৎপাদন সেভাবে না বাড়লেও দেশের মানুষকে দুবেলা খেয়ে বাঁচানো দুঃসাধ্য হচ্ছে না। দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে, মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে, সুপেয় পানির সরবরাহ প্রায় শতভাগে পৌঁছেছে। আইটি সেক্টরে মানুষ প্রযুক্তিমুখী হচ্ছে, বাস্তবক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এর সুফল সাধারণ মানুষ ভোগ করছে।
যে জায়গায় এসে আপামর জনগণ হোঁচট খাচ্ছে, সে জায়গা হলো মানবিক সুশাসন এবং গণতান্ত্রিক ন্যায় আচরণ। অনেক উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু রাস্তায় বের হলেই টের পাওয়া যায় সে উন্নয়নের মাজেজা কেমন, অর্থাৎ কেমন স্বাদের উন্নয়ন। ঘর থেকে বাইরে যাওয়া যে কোনো নাগরিকের কাছে এখন একটা আতঙ্কের ব্যাপার। নিজের গাড়িতে হোক কিংবা গণপরিবহনই হোক, রাস্তায় চলা তার কাছে একটা বিভীষিকা। কোন জায়গায় কতক্ষণ গাড়িতে বসে থাকতে হবে, সে সম্পর্কে পূর্বাহ্নে কোনো ধারণা পাওয়ার উপায় নেই। আগে যেখানে গন্তব্যে পৌঁছে দিনে দু-তিনটি কাজ সম্পন্ন করে আসা যেত, এখন একটি কাজ করে ফিরে আসা দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তার মধ্যে আটকে থেকে নিজের কপাল চাপড়ানো ছাড়া যাত্রীদের আর কোনো উপায় নেই। ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে মোটামুটি নির্বিকার। জাতীয় পর্যায়ে উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমস্যাটি সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিষয়টি বস্তুত ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তারা ইচ্ছামতো সড়ক বন্ধ করছে। বাঁশ-চোঙ্গা লাগিয়ে যানবাহনগুলোকে বহুদূর ঘুরে যেতে বাধ্য করছে। কিন্তু ট্রাফিক জ্যাম দূরীকরণের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। যাত্রীরা অসহায়, নাগরিকরা কান্ত, অবসন্ন। জোরে কথা বলার শক্তি তাদের নেই।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা কোনো নিয়ম-নীতি মানতে রাজি নয়। সিংহভাগ ড্রাইভার ভুয়া লাইসেন্স সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছে। অধিকাংশ যাত্রীবাহী বাস রাস্তায় চলাচলের উপযোগী নয়। তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাই উচ্ছৃঙ্খল ড্রাইভারদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নৈরাজ্যকে উসকে দিচ্ছেন। আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গিয়ে বিআরটিএ পিছিয়ে আসছে। শাসক দলের নিম্ন মধ্যম সারির নেতারাও উল্টা পথে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে। বাধা দিলে তাদের কেউ কেউ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে মারতে চাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেউ সাহস পাচ্ছে না। বেআইনি কাজ করেও তারা পার পেয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে আইনমান্যকারী গাড়ির মালিক ও তাদের চালকদের নানাভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে।
খবরের কাগজের পাতা খুললে প্রতিদিন চোখে পড়ে গুম, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণের খবর। সাম্প্রতিককালে যে অপরাধ সবাইকে ক্ষুব্ধ করছে সেটি হচ্ছে নারী ও শিশু ধর্ষণ, তার সঙ্গে মিলিয়ে হত্যা। স্কুলের ছেলে-মেয়েদের নির্বিকারে খুন করা হচ্ছে। মানুষ অপরাধীদের নিষ্ঠুরতা এবং অমানবিকতা দেখে হতভম্ব। পারিবারিক পর্যায়ে যে হত্যা-সন্ত্রাস হচ্ছে বা যে কাহিনি প্রকাশ পাচ্ছে তাও সাধারণ নাগরিককে আতঙ্কিত করে। মা সন্তানকে খুন করছে, সন্তান মা-বাবাকে খুন করছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে খুন করছে। ভাই-বোনরাও সন্ত্রাসী হামলায় একে অপরকে খুন বা জখম করছে। আইন প্রয়োগকারী সংগঠন এসব বন্ধ করতে পারছে না। উল্টা কখনো কখনো অপরাধীর পক্ষ নিয়ে ভিকটিমকে অপদস্ত করছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের মধ্যেও দিন দিন অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। জঘন্য অপরাধ করে অনেকে ধরা পড়ছে। নিরীহ মানুষ যাবে কোথায়।
অফিস-আদালত, সরকারি সংগঠনগুলো ঠিকমতো চলছে বলে মনে হয় না। এমন এমন মারাত্মক ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে, যা যে কোনো পর্যবেক্ষকের কাছে অবিশ্বাস্য ঠেকছে। এক পলাতক কর্মচারীর ভাইয়ের জায়গায় তার ছোট ভাই বছরের পর বছর জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি করে যাচ্ছে। পলাতক ভাই শ্রমিক সংগঠনের নেতা হয়ে বসে আছে। সবার নাকের ডগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। চাকরি করা ছোট ভাই ধরা পড়ে দু-একবার জেলও খেটেছে, কিন্তু সে চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছে। যে কোনো বুদ্ধিসম্পন্ন লোকের কাছে এটি দুর্বোধ্য বলে মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে। আদালত কর্তৃক দ-প্রাপ্ত ব্যক্তি জেলে না থেকে বাইরে থাকছে। স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন করে সদস্য হচ্ছে। তার বদলে অন্য লোক টাকার বিনিময়ে জেল খাটছে। আদালত চত্বর থেকে পুলিশের নাকের ডগায় অপরাধী হেঁটে পালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে নিষ্পাপ ব্যক্তি বিনা বিচারে বছরের পর বছর হাজতে আছে। জেলা প্রশাসকের অফিসের কর্মচারী অপরাধী চক্র বানিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দিয়ে যাচ্ছে। সে অপরাধীকে আবার পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি গোডাউন থেকে শত শত মণ সার গায়েব হয়ে যাচ্ছে, তার কোনো হদিস নেই। এর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ এসব দেখে শঙ্কিত হচ্ছে।
সরকারি প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ে উচ্চস্তরে বিদ্যমান পদের চেয়ে অনেক বেশি কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার ফলে পদস্থ কর্মকর্তাদের একাংশ কর্মবিহীন দিন কাটাচ্ছেন, বাকিরা উচ্চ পদের বেতন-ভাতা নিয়ে নিম্নতর পদে কাজ করছেন। সরকারি অর্থের কী নিদারুণ অপচয়। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পদস্থ কর্মকর্তারা দেশের দুর্যোগময় মুহূর্তে দলেবলে বিদেশ চলে যাচ্ছেন। উপজেলা পর্যায়ে ডাক্তার এবং অন্যান্য অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘসময় ধরে অনুপস্থিত থাকছে, তবে বেতন-ভাতা তুলে নিচ্ছে। দেশের মানুষের প্রতি এদের কোনো দয়া-মায়া, দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে হয় না। ঊর্ধŸতন কর্তৃপক্ষও এদের দায়বদ্ধ করতে আগ্রহী বলে মনে হয় না। এরা অন্যায় করে সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে। মানুষ অসহায়।
আর্থিক সেক্টরে চলছে চরম নৈরাজ্য। খেলাপি ঋণ ও কুঋণের ভারে ডুবতে বসেছে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো। প্রভাবশালী খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের পুনঃতফসিলকরণের (জবংপযবফঁষরহম) মাধ্যমে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে। আইনমান্যকারী করদাতাদের টাকা দিয়ে ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। অপকর্মের হোতাদের চিহ্নিত করা গেলেও তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। ব্যাংকিং সেক্টর পুরো অর্থনীতির জন্য ক্যান্সার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়েছে এবং এর জন্য দায়ী কোনো কর্মকর্তাকে শাস্তি দেওয়া হয়নি। তারা ভালোই আছেন। নিম্নবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্তদের নানা রকম চার্জ আদায়ের মাধ্যমে সর্বস্বান্ত করা হচ্ছে। তাদের আমানতের ওপর মুনাফার হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে। মূল্যস্ফীতির হিসাব করলে তা শূন্য কিংবা বিয়োগাত্মক হারে নেমে আসবে। নিম্নমধ্যবিত্তরা দুর্বিষহ যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাদের নিচে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ব্যাংকিং সেক্টরের অব্যবস্থাপনায় আমানতকারীদের নাভিশ্বাস উঠছে। তারা সত্যিকারভাবে আতঙ্কিত। আইনমান্যকারী সজ্জন নাগরিকরা ভাবছেন, এই অবস্থা কী দীর্ঘস্থায়ী হতে চলল। অর্থনীতিতে উন্নতি সত্ত্বেও সামাজিক ও ব্যক্তিপর্যায়ে তারা এক দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ধীরে ধীরে তারা সামাজিক এবং জাতীয় পর্যায়ের কর্মকা- থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। এ অবস্থা বেশি দিন চললে তা দেশের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর হবে। সাধারণ মানুষ আস্তে আস্তে ভাবতে শুরু করছে আমরা কি আর টলটলে জল দেখতে পাব না?

লেখক: ড. সা’দত হুসাইন : সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান

* প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। লাস্টনিউজবিডি‌’র সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে
মিল নেই। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য লাস্টনিউজবিডি‌ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

View Results

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
যুবলীগের নতুন নেতৃত্বঃ পরশের পরশ ছোঁয়ায় জেগে উঠুক কোটি তরুণ
।।মানিক লাল ঘোষ।।"আমার চেষ্টা থাকবে যুব সমাজ যেনো...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য উচ্ছেদের হুমকি প্রদানকারীদের বিচারের দাবি
  • দিবালোকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের অভিযোগ
  • রেলের উচ্ছেদ হওয়া ১৫০ পরিবারের পূণর্বাসন বন্দোবস্ত

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়েও মস্তিস্কে করোনা হানা দেয়। আপনি কি মনে করেন মস্তিস্কে করোনার আক্রমণ রক্ষার্থে মাস্ক ই যথেষ্ট?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৩:১৯ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

মডার্নার, ফাইজারের করোনা ভাইরাসের টিকার মধ্যে মডার্নার টিকার উপর কি আপনার আস্থা বেশি ?

  • মতামত নাই (100%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ২, ২০২০ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
End Date: No Expiry

মার্কিন টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্নার দাবি করেছেন অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ওপর এ টিকা ১০০ শতাংশ কাজ করেছে। আপনি কি শতভাগ ফলপ্রসু মনে করেন?

  • হ্যা (100%, ১ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: ডিসেম্বর ১, ২০২০ @ ১২:৫১ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান, চায়নার ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

  • না (67%, ২ Votes)
  • মতামত নাই (33%, ১ Votes)
  • হ্যা (0%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৫:২৮ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

ফাইজার, অক্সফোর্ড, রাশিয়ান ইন, চায়না ভ্যাকসিনগুলোকে আপনি কি করোনা প্রতিরোধক কার্যকর টিকা বলে মনে করেন?

  • হ্যা (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (100%, ০ Votes)

Total Voters:

Start Date: নভেম্বর ২৯, ২০২০ @ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
End Date: No Expiry

 Page ১ of ২  ১  ২  »