‘১১২ ভিডিও বাংলাদেশি পর্ন তারকা জুটির’
প্রকাশিত: ১০:৫০:০০ পূর্বাহ্ণ, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

পর্নতারকা আজিম ও বৃষ্টি। ছবি: সংগৃহীত
লাস্টনিউজবিডি, ২১ অক্টোবর: পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সোমবার বিকেলে মালিবাগের সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এসব কথা জানান।
সিআইডি জানায়, ২০২৪ সাসের মে মাসে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তাদের প্রথম ভিডিও প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে এক বছরে তাদের প্রকাশিত মোট ১১২টি ভিডিও ২ কোটি ৬৭ লাখেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। তিনি জানান, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে উঠে আসে, মুহাম্মাদ আজিম ও বৃষ্টি মাত্র এক বছরেই পর্নতারকাদের আন্তর্জাতিক পারফর্মার র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে এবং ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী পারফর্মারদের মধ্যে তাদের অবস্থান অষ্টম।
তিনি বলেন, ২০২৪ সাসের মে মাসে অন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তাদের প্রথম ভিডিও প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে এক বছরে তাদের প্রকাশিত মোট ১১২টি ভিডিও ২ কোটি ৬৭ লক্ষেরও বেশিবার দেখা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে।
তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, একাধিক আন্তর্জাতিক পর্ন ওয়েবসাইটে তারা ভিডিও আপলোড করতো। এভাবে খোলাখুলি এপ্রচারণায় পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রাম, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেও তারা প্রচারণা চালাতো। এসব প্রচারণায় ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হওয়ার জন্য অন্যদেরকে প্রচুর করে বিভিন্ন বার্তা প্রকাশ করতো তারা আগ্রহীরা নতুন ক্রিয়েটর হওয়ার জন্য ভাদের সাথে টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে নতুনদেরকে নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করাও ছিল তাদের কাজ। যেমন। টেলিগ্রাম চ্যানেলে নতুন ক্রিয়েটর এড করসে নগদ অর্থ প্রসান করা হবে মর্মে তারা বিজ্ঞাপন দিতো।
জসীম উদ্দিন খান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যাদরের গণ্ডি পার হতে না পারা এ যুগল দরিজ পরিবার থেকে উঠে আসলেও অনলাইনে রয়েছে তাদের বিলাসবহুল জীবনধারার বহু ছবি। বিষয়টি সামাজিক ও নৈতিকভাবে উদ্বেগজনক এবং একইসাথে বেআইনি হওয়ায় সিআইডির এলআইসি এবং সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট দ্রুততার সাথে এই পর্ন তারকা যুগলকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল, সিমকার্ড, ক্যামেরা, ডাইপডসহ পন ভিডিও তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।