মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ ফসল আমাদের সশস্ত্র বাহিনী
Monday, 25th November , 2019, 10:04 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ ফসল আমাদের সশস্ত্র বাহিনী



।।আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া।।

মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বীর সৈনিকদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে চিরকাল। ১৯৭১ সালের পঁচিশ মার্চ পাকবাহিনী অতর্কিতে ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে আমাদের বীর সেনানীরা তখনই গড়ে তোলেন শক্ত প্রতিরোধ। ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে বাঙালি সৈনিকদের প্রতিরোধ সংগ্রাম বোধগম্য কারণেই লাভ করে নতুন মাত্রা। তারই ধারাবাহিকতায় নানা পেশা ও শ্রেণি, গ্রাম ও শহরের নানান বয়সের সাধারণ মানুষ যোগ দেন সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে। কৌশলগত কারণেই শুরু হয় গেরিলাযুদ্ধ। মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর ১১ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গোটা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। আর একই বছর ২১ নভেম্বরকে ঘোষণা করা হয় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তার গৌরবদৃপ্ত যাত্রা শুরু করে, যদিও ১৯৪৮ সালে কুর্মিটোলায় মেজর আবদুল গণির অধিনায়কত্বে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সূচনা হয়েছিল। পাকিস্তান সরকারের বিমাতাসুলভ আচরণের ফলে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কখনোই তার প্রাপ্য মর্যাদা পায়নি। পদে পদে শিকার হয়েছে বৈষম্যের। এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ১৯৬৫ সালে অরক্ষিত পূর্ব পাকিস্তানের তথা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি রক্ষায় বাঙালি সৈনিকরা সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তারও যথাযথ স্বীকৃতি মেলেনি পশ্চিম পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকদের কাছ থেকে। পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শাসনের দিনগুলোতে প্রবি ত বাঙালি সৈনিকরা একাত্তরে দেশের সাধারণ মানুষ, ছাত্র-জনতা, কৃষক ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে যে দুর্নিবার প্রতিরোধ গড়ে তুললেন, তা পাকস্তানি শাসকশ্রেণির কাছে তো বটেই, বিশ্বসমাজের কাছেও ছিল এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা।

নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সৈনিকরা রণাঙ্গনে যে বীরত্বগাথা রচনা করে গেছেন, তা চিরকাল বাঙালিকে উজ্জীবিত করবে। প্রতিটি সৈনিকের জন্য তা অন্তহীন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। অসম সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তারা সম্মানজনক খেতাবে ভূষিত। ইতিহাসে যারা বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম কিংবা বীরপ্রতীক, তাদের গৌরবের স্মৃতি কখনোই বিস্মৃত হওয়ার নয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রেরণা আছে বলেই হয়তো একাত্তরের সেই সীমিত শক্তির অসম সাহসী বাহিনী আজ একটি সুশিক্ষিত এবং সুসমন্বিত বাহিনীতে পরিণত হতে পেরেছে। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আজ সারা বিশ্বে প্রশংসিত। অন্যদিকে আমাদের সৈনিকরা দেশের মানুষের মনেও করে নিয়েছেন উচ্চতর মর্যাদার আসন। স্বাধীনতা তাদের দিয়েছে পেশাগত মর্যাদার যথোপযুক্ত স্বীকৃতি। পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনামলে একজন বাঙালি কমিশনড অফিসারের পক্ষে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিয়েও মেজরের ওপরে পদোন্নতি পাওয়া ছিল দুরূহ। মেজর হওয়ার পর নানান ছুতায় রিটায়ারমেন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। পক্ষান্তরে পাকিস্তানের অফিসারদের ব্রিগেডিয়ার, মেজর জেনারেল, জেনারেল হয়ে যেতে সময় লাগেনি। ওদের এরকম উচ্চ পদাধিকারীর সংখ্যা ছিল অসংখ্য। আমাদের ছিল না, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও। আমাদের সন্তানরা, যারা সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করছেন, তারা জানেন তারা স্বাধীন-সার্বভৌম এক গর্বিত জাতির প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য। তারা জানেন এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন সেই মটো-চির উন্নত মম শির। বাস্তবিকই এই বাহিনী মাথানত করার নয়। সাহস, দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নিয়মানুবতির্তা, মানবিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, দায়িত্ব পালনে অবিচলতা সর্বোপরি নিরঙ্কুশ দেশপ্রেম তাদের মধ্যে সঞ্চারিত করেছে সর্বাবস্থায় লাল-সবুজের জাতীয় পতাকাকে সমুন্নত রাখার শক্তি। তারা আজ আর পড়ে নেই ঔপনিবেশিক শাসনামলের ব নার জাঁতাকলে। যোগ্যতা অনুযায়ী এখন যথাসময়ে পদোন্নতি পান, মর্যাদার পথ আজ আর তাদের বাধাগ্রস্ত নয়। মেজর, কর্নেল, ব্রিগেডিয়ার, মেজর জেনারেল এমনকি জেনারেলের মতো গৌরবজনক র‌্যাঙ্কে আজ পদাভিষিক্ত এই শ্যামল এবং একদা শোষিত বাংলার সন্তানরা। আজ তাদের অবদান অস্বীকার করার মতো কেউ নেই, নেই কোনো বিদেশি কলোনিয়াল শক্তি।

‘হারামজাদা দস্যি ছেলে কবে যে সাপের কামড়ে মরবি’ মায়ের ধমক অগ্রাহ্য করে যে দুরন্ত কিশোর কণ্টকারীর ঝোপ আর তিল্লৎপাতার হলুদ ফুলের হাতছানিতে আকৃষ্ট হয়ে সারাদিন বনে-বাদাড়ে ঘুরেফিরে সাঁঝের বেলায় মায়ের স্নেহছায়ায় ফিরে আসত, সেই মেধাবী মুখ আজ আমাদের সেনাবাহিনীর জেনারেল, লে. জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার। যে অকুতোভয় চঞ্চল কিশোর পদ্মা-মেঘনা-যমুনার দুরন্ত ঢেউয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নাগরদোলা খেলে উচ্ছল জীবন কাটিয়েছে, সে আজ আমাদের নৌ-বাহিনীর গর্বিত অ্যাডমিরাল, রিয়ার অ্যাডমিরাল, ক্যাপ্টেন। আর যে নন্দিত মুখ মেধাবী কিশোর বাল্য জীবনটা লাটাই-ঘুড়ি নিয়ে আকাশের সঙ্গে অদম্য খেলায় মাতোয়ারা হয়েছে, সে আজ আমাদের বিমানবাহিনীর এয়ার মার্শাল, এয়ার ভাইস মার্শাল। সত্যিকার অর্থে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমনটাই স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাংলা মায়ের দুরন্ত ছেলেরাই হবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অকুতোভয় যোদ্ধা। মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতি তীব্র বৈষম্য দেখেই বাঙালি জওয়ানদের সর্বোচ্চ পদে অভিষিক্ত করার আকাক্সক্ষা জেগেছিল বঙ্গবন্ধুর প্রাণে-মনে, অনুভূতিতে। আজ সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন গৌরবময় পদক শোভিত জওয়ান যদি টুঙ্গীপাড়ায় নিভৃত গাঁয়ে চিরনিদ্রায় শুয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে গিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তবে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা প্রশান্তিতে ভরে উঠবে। এটাই তো চেয়েছিলেন জাতির পিতা।

বাংলাদেশ স্বাধীন এবং সন্দেহাতীতভাবে শান্তিবাদী দেশ। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথাটিই হলো, বৈরিতা নয়- সহযোগিতাপূর্ণ বন্ধুত্ব সবার সঙ্গে। এ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশও বটে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ ফসল আমাদের এই সুশৃঙ্খল ও শক্তিমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য ধ্যানে-জ্ঞানে লালন করেন এই অবিনাশী উপলব্ধি। তাদের এই মহত্ত্বের বোধ কতটা গভীর ও প্রগাঢ় তা দেশে-বিদেশে সমানভাবে প্রমাণিত। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের সৈনিকরা পালন করে যাচ্ছেন অনন্যসাধারণ ভূমিকা।

গত তিরিশ বছর সময়কালের মধ্যে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর অংশীদার হিসেবে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় পালন করে আসছে অগ্রগণ্য ভূমিকা। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৫৪টি শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। এ যাবত বিশ্বের ৪০টি দেশে বাংলাদেশের ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৭ জন শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তিমিশনে অবদান রেখে বিশ্বসমাজের মুগ্ধদৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এক্ষনে আমাদের ৬ হাজার ৫৮২ জন পিসকীপার বিবাদ-বিসম্বাদে রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত বিভিন্ন দেশে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলস। এসব দেশের বেশিরভাগই অবস্থিত আফ্রিকা মহাদেশে। বর্তমানে ৮টি দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা কাজ করছেন। শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশ আর্মির ভূমিকা আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, পক্ষপাতহীনভাবে দায়িত্ব পালন, জাতিসংঘ নির্ধারিত মান রক্ষা করতে পারা এবং জাতিসংঘ সনদের প্রতি বিশ্বস্ততা বিশ্বসমাজে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা সমুন্নত করেছে। মজবুত করেছে আস্থার জায়গাটি। দেশে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার মহৎ সংগ্রামে গত মে মাস পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৭ জন আত্মোৎসর্গ করেছেন। একই সময়ে কমপক্ষে ২০৯ জন আহত হয়েছেন। তাদের এই ত্যাগ শান্তিকামী বিশ্বের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

শান্তি মিশনে প্রশংসনীয় ভ‚মিকা রাখার পাশাপাশি তারা যেমন দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বপরিমণ্ডলে সমুজ্জ্বল করে চলেছেন, তেমনি দেশের অর্থনীতিতে রেখে যাচ্ছেন উল্লেখযোগ্য অবদান। প্রতিবছর তারা দেশের জন্য নিয়ে আসছেন বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা। অশান্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বিদেশ-বিভঁ‚ইয়ে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তারা নিজেরাও ধনবান হতে পেরেছেন। কোনো অনিয়মের আশ্রয় না নিয়ে কেবল কাজ করেও যে মিলিয়নিয়ার হওয়া যায়, শান্তি মিশনের সদস্যরা তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ।

এদিকে দেশগঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অত্যুজ্জ্বল ভ‚মিকা যে রয়েছে, সে কথা নতুন করে বিশদে বলার দরকার পড়ে না। সড়ক, মহাসড়ক, সেতু, উড়ালসেতু, আন্ডারপাস নির্মাণে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছে এবং করে চলেছে। দৃষ্টিনন্দন হাতিরঝিল প্রকল্প পুরোটাই উন্নয়ন ও নির্মাণ করেছে আমাদের সেনাবাহিনী। দেশবাসী বিশ্বাস করেন যে, সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণে যে কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলোর মান তুলনামূলকভাবে অনেক ভালো।

অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে নানাভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দুর্যোগ-দুর্বিপাকের সময়, দুর্ঘটনাহেতু সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বেসামরিক কর্তৃপক্ষের ডাকে সেনাবাহিনীকে আমরা সবসময়ই দেখেছি সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর ত্যাগ ও অবদানের কথা জাতি কখনোই ভুলবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্পের কাজ প্রথম পর্যায়ে সফলভাবে সম্পন্ন করেন সেনাবাহিনীর আইটি বিভাগের সদস্যরা। এনআইডি চালুকরণ নিঃসন্দেহে জাতীয় জীবনে এক বড় অর্জন। আর এই অর্জনের কৃতিত্ব অবশ্যই সেনাবাহিনীর। সশস্ত্র বাহিনীর নৌ ও বিমানসেনাদের ভ‚মিকাকেও গৌণ করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয় নৌবাহিনীর সদস্যরা আমাদের জলসীমায় কী অসীম সাহস নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, সমুদ্রকে রাখছেন নিরাপদ, তা কারো অজানা নয়। সমুদ্রে এবং উপক‚লে যখনই আসে বিপদ-বিপর্যয়, তখনই তারা ছুটে আসেন বরাভয় নিয়ে। জ্ঞান, প্রযুক্তি ও মানবিকতার শক্তি নিয়ে তারা এসে পাশে দাঁড়ান বিপন্ন মানুষের।

আজ সুবর্ণ রেখায় বাংলাদেশ। রূপকল্প ’২১ ও উন্নত বাংলাদেশ ’৪১-এর লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি জাতি সর্বাঙ্গীণ প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী পালন ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের। এক অত্যুজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আমাদেরকে শঙ্খধ্বনি করে ডাকছে প্রগতি ও সমৃদ্ধির জগতে।

বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীকে আরো আধুনিক, আরো সুসজ্জিত করে তোলার কর্ম-পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে ক্রমান্বয়ে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা তথা ধনেমানে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী অব্যাহত অবদান রেখে যাবে- এই আস্থা, এই বিশ্বাস দেশবাসীর রয়েছে। এ তো আমাদেরই সশস্ত্র বাহিনী। এই বাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ ফসল বৈ তো নয়।

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ নিউজ ও
বাংলাদেশের খবর, উপদেস্টা সম্পাদক অনলাইন দৈনিক lastnewsbd.com.সহ-সভাপতি জাতীয় প্রেসক্লাব
ই-মেইল : aibdhaka@yahoo.com.

সর্বশেষ সংবাদ

Print Friendly, PDF & Email

মতামত দিন

 

মতামত দিন

bsti
exim bank
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এজন্য তার অনেক আত্মীয়-স্বজনকে গণভবনে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি এই পদক্ষেপ সমর্থন করছেন?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
জীবনসঙ্গী সাংবাদিক হলে যেসব সুবিধা
।।মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মজুমদার।। এ সুবিধার গুলোর...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসের য...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • ঠাকুরগাঁওয়ে আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন
  • ডোমার উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এসএমসি’র সভাপতি হলেন রাশেদ মাহমুদ
  • লাইনে দাঁড়িয়েও পেঁয়াজ কিনতে পারলেন না মেয়র

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এজন্য তার অনেক আত্মীয়-স্বজনকে গণভবনে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি এই পদক্ষেপ সমর্থন করছেন?

  • মন্তব্য নাই (9%, ৪ Votes)
  • না (19%, ৯ Votes)
  • হ্যা (72%, ৩৪ Votes)

Total Voters: ৪৭

১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খাদ্যের মতো রাজনীতিতেও ভেজাল ঢুকে পড়েছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় তাই এখানেও কিছু ভেজাল প্রবেশ করেছে। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মন্তব্য নাই (2%, ৩ Votes)
  • না (8%, ১২ Votes)
  • হ্যা (90%, ১২৮ Votes)

Total Voters: ১৪৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেছেন, বিএনপি একটি বট গাছ, এ গাছ থেকে দু’একটি পাতা ঝড়ে পরলে বিএনপির কিছু যাবে আসবে না , এ মন্তব্যের সাথে কি আপনি একমত ?

  • মতামত নেই (7%, ৩ Votes)
  • না (29%, ১২ Votes)
  • হ্যা (64%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪২

অনেক এনজিও অসৎ উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (19%, ৬ Votes)
  • হ্যা (81%, ২৫ Votes)

Total Voters: ৩১

ডাক্তারদের ফি বেধে দেয়ার সরকারের পরিকল্পনার সাথে আপনি কি একমত?

  • না (0%, ০ Votes)
  • মতামত নাই (6%, ২ Votes)
  • হ্যা (94%, ৩০ Votes)

Total Voters: ৩২

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে মন্ত্রীসভায় প্রধানমন্ত্রী যে চমক এনেছেন তাতে কি আপনি খুশি ?

  • মতামত নাই (15%, ৫ Votes)
  • না (24%, ৮ Votes)
  • হ্যা (61%, ২১ Votes)

Total Voters: ৩৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • হা (100%, ০ Votes)

Total Voters:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ,নিরপেক্ষ হয়েছে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মন্তব্য নাই (9%, ২ Votes)
  • হ্যা (18%, ৪ Votes)
  • না (73%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২২

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (5%, ২ Votes)
  • হ্যা (34%, ১৫ Votes)
  • না (61%, ২৭ Votes)

Total Voters: ৪৪

একবার ভোট বর্জন করায় অনেক খেসারত দিতে হয়েছে মন্তব্য করে আর নির্বাচন বয়কটের আওয়াজ না তুলতে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন, আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (3%, ১ Votes)
  • না (6%, ২ Votes)
  • হা (91%, ৩২ Votes)

Total Voters: ৩৫

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (13%, ২ Votes)
  • হা (13%, ২ Votes)
  • না (74%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫