Tuesday, 25th September , 2018, 06:18 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

আইটির চাকুরি ছেড়ে হলেন পুরুষ-বেশ্যা



লাস্টনিউজবিডি,২৫ সেপ্টেম্বর,নিউজ ডেস্ক: এক মহিলা জিজ্ঞাসা করেছিল, “তুমি জানো কোথায় এসেছ? এখানে শরীর কেনাবেচা হয়”
একটা আধো অন্ধকার ঘর। নীল, গোলাপী আলো জ্বলছিল। ওই ঘরটাতেই নিজেকে বিক্রি করতে গিয়েছিলাম আমি।

বয়সে অনেক বড় এক মহিলা জিজ্ঞাসা করেছিল, “তুমি জানো কোথায় এসেছ? এখানে শরীর কেনাবেচা হয়, বুঝেছ?”

সব জেনেশুনেই গিয়েছিলাম ওখানে। তাই জবাব দিয়েছিলাম, “হ্যাঁ। দেখতেই পাচ্ছি। তবে রোজগারের জন্য আমি সব কিছু করতে পারি।”

ওই মহিলা যখন জবাব দিলেন, তখন খেয়াল করলাম ভাল করে, উনি নারী নন, হিজড়া। বলেছিলেন, “বেশ ভাব নিচ্ছ তো! এসব এখানে চলবে না, বুঝলে!”

আমি যে পরিবার থেকে এসেছি, সেখানে কেউ কখনও ভাবতেই পারবে না যে আমি এই জায়গায় নিজেকে বেচতে এসেছি। দিনের বেলায় নয়-দশ ঘন্টা একটা আইটি কোম্পানিতে চাকরী করতাম। কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছিলাম ওখানে যেতে।

ওই হিজড়া বলেছিলেন, “যা, অফিসই কর তাহলে। এখানে কী করছিস?”

বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। ফেরার উপায় হয়তো ছিল, কিন্তু আমি তো ফিরে যাবার জন্য আসি নি!

হঠাৎই ওই হিজড়া বেশ নরম হয়ে আমাকে বলেছিল, “তোর ছবি তুলতে হবে। ছবি না পাঠালে কেউ কথাও বলবে না এই মার্কেটে।”

ছবি তোলার কথা শুনে বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। যদি কোনও আত্মীয় স্বজনের হাতে আমার ছবি পড়ে, তাহলে তো সর্বনাশ!”

কিন্তু যে কাজে নেমেছি, সেই নিয়ম তো মানতেই হবে। একবার ডানদিকে মুখ করে, একবার বাঁদিকে মুখ করে কয়েকটা ছবি তোলা হল। কয়েকটা ‘বোল্ড’ ছবিও তোলা হল।

আমার সামনেই ওই ছবিগুলো হোয়াটস্অ্যাপে পাঠানো হল কাউকে। সঙ্গে লেখা হল, “নতুন ‘মাল’। রেট বেশী লাগবে। কম পয়সার লাগলে অন্য ছেলের ছবি পাঠাচ্ছি।”

আমার রেট ঠিক হচ্ছিল। মুহুর্তেই আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা, আই টি কোম্পানীতে চাকরী করা এক যুবক, ওদের কাছে নতুন পরিচিতি পেলাম, ‘মাল’ বলে।

একটা হলুদ ট্যাক্সিতে চেপে কলকাতার একটা বড়লোকদের পাড়ায় একটা বাড়িতে পৌঁছিয়েছিলাম। বসার ঘরে ঢুকে দেখলাম, একটা বিরাট বড় টিভি, আর ফ্রিজ আছে। ফ্রিজে মদের বোতল ভর্তি।

আমার ক্লায়েন্ট ৩২-৩৪ বছর বয়সী এক বিবাহিতা নারী। মদ খেতে খেতে কথা বলছিলাম আমরা।

উনি বলছিলেন, “আমি তো ভুল জায়গায় ফেঁসে গেছি। আমার স্বামী সমকামী। আমেরিকায় থাকে। ডিভোর্সও দিতে পারছি না। বিবাহ-বিচ্ছিন্না একজন মেয়েকে কে বিয়ে করবে? এদিকে আমারও তো ইচ্ছা-অনিচ্ছা রয়েছে! তুমিই বল আমি কী করব?”

মদ খেতে খেতেই ওই মহিলা হিন্দি গান চালিয়ে দিয়ে নাচ করতে শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পরে বসার ঘর থেকে আমাকে বেডরুমে নিয়ে গেলেন।

সবকিছু শেষ হওয়া পর্যন্ত বেশ নরম সুরে আদুরে গলায় কথা বলছিলেন। কিন্তু যেই কাজ শেষ হল, তখনই হাতে টাকা ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “এবার ভাগ এখান থেকে।

কিছু বেশী টাকা দিয়েছিলেন উনি টিপস হিসাবে। তাকে বলেছিলাম, “আমি এই কাজ বাধ্য হয়ে করছি।”

এই বাধ্য হয়ে এই লাইনে আসার শুরুটা কলকাতা থেকে অনেক দূরে আমার বাড়ি থেকেই শুরু হয়েছিল।

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার আমাদের। জন্মের পরেই বাবার চাকরীটা চলে গিয়েছিল। যত বড় হচ্ছিলাম ওঁর সঙ্গে দূরত্বটা বেড়েই চলেছিল। আমার স্বপ্ন ছিল এম বি এ পড়ব, কিন্তু জোর করে আমাকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হল। চাকরী পেলাম কলকাতায়।

অফিসে সবাই বাংলা বলে। আমি বলতে পারি না। তার ওপরে রয়েছে অফিসের রাজনীতি। আমি সেই চক্রের শিকার হলাম। অভিযোগ করেছিলাম, কোনও লাভ হয় নি।

বাথরুমে গিয়ে কাঁদতাম। আমি যতক্ষণ সীটে থাকতাম না, সেই সময়টাও কেউ নোট করে বসকে বলে দিত যে ‘এ এই সময় থেকে এই সময় অবধি সীটে ছিল না।’

আমার আত্মবিশ্বাসটা ভেঙ্গে যাচ্ছিল। ডিপ্রেশন শুরু হল আমার মধ্যে। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম, কিন্তু কোনও লাভ হয় নি। তখনই ঠিক করি যে এম বি এ পড়তেই হবে। তার জন্য চাই টাকা।

কীভাবে রোজগার করা যায় বাড়তি টাকা, ইন্টারনেটে সেসবই সার্চ করতাম। পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমাকে বাড়িতেও টাকা পাঠাতে হবে।

ইন্টারনেটেই প্রথম দেখতে পাই ‘মেল এসকর্ট’ বা জিগোলো হওয়ার রাস্তা। ফিল্মে দেখেছি জিগোলো ব্যাপারটা কী। কয়েকটা ওয়েবসাইট আছে, যেখানে জিগোলো হতে চাইলে নিজের প্রোফাইল দেওয়া যায়।

নিজের প্রোফাইল লিখতে বেশ ঘাবড়িয়ে গিয়েছিলাম। ভেবে পাচ্ছিলাম না, কী লিখব। কিন্তু আমার সামনে তখন দুটো পথ, আত্মহত্যা করা বা জিগোলো হয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিলাম।

যেসব নারীদের সঙ্গে আমাকে কাজ করতে হয়েছে, তাদের মধ্যে যেমন বিবাহিতা মহিলা ছিলেন, তেমনই ডিভোর্সী, বিধবা বা অবিবাহিত মেয়েরাও ছিল।

সবার কাছেই আমি ‘মাল’ হয়ে উঠেছিলাম। মানুষ বলে গণ্যই করত না কেউ। যতক্ষণ তাদের সব ইচ্ছে পূরণ করতে না পারতাম, ততক্ষণ ছাড়া পেতাম না।

তবে সবাই কত ভাল ভাল কথা বলত! কেউ কেউ বলত স্বামীকে ডিভোর্স করে আমার সঙ্গেই নাকি থাকবে। তবে বেডরুমে যতটা সময় কাটাতাম, তারপরেই সব ভাব-ভালবাসা শেষ।

সব প্রেম ভুলে গিয়ে কেউ বলত, ‘চল বেরো এখান থেকে’, কেউ বলত ‘টাকা ওঠা, কেটে পড়।’ গালিগালাজও কম খাই নি।

এই সমাজ আমাদের কাছ থেকে মজাও লুটবে, আমার প্রস্টিটিউট বলে গালিও দেবে!

একবার স্বামী-স্ত্রী – দুজনে একসঙ্গে আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। লোকটি সোফায় বসে মদ খাচ্ছিল, আর আমি তার স্ত্রীর সঙ্গে বিছানায় ছিলাম। দুজনে যে ভেবে চিন্তেই আমাকে একসঙ্গে ডেকেছে, সেটা বুঝতেই পারছিলাম। হয়তো কোনও গোপন ডিজায়ার থাকবে এদের মনে।

একজন মহিলা আমার ক্লায়েন্ট ছিলেন। বয়স প্রায় ৫০। তাঁর কাছে গেলেই আমার অন্যরকম অনুভূতি হত।

প্রায় সারা রাত উনি আমার সঙ্গে ‘বেটা’ ‘বেটা’ বলে ডাকতেন। আমাকে বলতেন যে উনার নিজের ছেলে আর ছেলের বউ ওঁর দেখাশোনা করে না। দূরে সরিয়ে রেখেছে। উনিই একবার বলেছিলেন, “বেটা, এই ধান্দা থেকে যত তাড়াতাড়ি পার সরে যাও। এসব অনুচিত কাজ।”

সেই রাতে শুধু কথাই বলেছিলাম উনার সঙ্গে, অন্য কিছু হয় নি। সকালবেলা উনি আমার যা রেট, সেই টাকাটা দিয়েছিলেন। অনেকটা যেন মায়েরা যখন স্কুলে যাওয়ার সময়ে বাচ্চাদের হাতে কিছু টাকা দেয়, সেরকম।

কয়েকদিন পরে, বেশ মাতাল হয়ে গিয়েছিলাম। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলাম আমি। মাথাও গরম ছিল। সেদিন নিজের মাকে ফোন করেছিলাম।

জোর গলায় মাকে বলেছিলাম, “তুমি জিজ্ঞাসা করতে না মা, এত টাকা কীভাবে পাঠাচ্ছি তোমাদের! শুনে রাখ, ধান্দা করি আমি… ধান্দা!” মা বলেছিল, “তুই চুপ কর। মদ খেয়ে উল্টোপাল্টা কথা বলিস না।”

মা ফোন রেখে দিয়েছিল। আমি তো সত্যিটাই বলেছিলাম। কিন্তু মা শুনেও বিশ্বাস করল না। আমার পাঠানো টাকাগুলো বাড়িতে ঠিক সময়ে পৌঁছিয়ে যেত তো!

সেই রাতে আমি ভীষণ কেঁদেছিলাম। মনে হয়েছিল, মায়ের কাছেও আমার দাম শুধুমাত্র কত টাকা পাঠাচ্ছি, সেটাই? তারপর আর কোনওদিন মাকে এ বিষয়ে কিছু বলি নি।

তবে আমি পেশায় রয়ে গিয়েছিলাম। আমাকে আরও টাকা রোজগার করতে হবে যে! মার্কেটে আমার চাহিদাও বাড়ছিল। ঠিক করেছিলাম, চাকরী তো করতেই হবে, তার সঙ্গে যতক্ষণ না এম বি এ পড়ার সুযোগ পাচ্ছি, এই কাজটাই চালিয়ে যাব।

তবে আঘাতও আসত শরীর, মন দুয়ের ওপরেই। সমাজ যে চোখেই দেখুক না কেন, এই আঘাত যে কী, সেটা যারা শরীর বিক্রী করে, একমাত্র তারাই বোঝে।

তবে এখন আর আফসোস করি না ওই পেশায় ছিলাম বলে। আমি এম বি এ পাশ করেছি। আর সেই রেজাল্টের জোরেই কলকাতা থেকে অনেক দূরে একটা নতুন শহরে চাকরী করছি। ভালই আছি।

নতুন বন্ধু হয়েছে। আমার একসঙ্গে ঘুরতে যাই, সিনেমা দেখি।

রাণী মুখার্জির ‘লাগা চুনরি মে দাগ’ সিনেমাটা আমার খুব প্রিয়। নিজের জীবনের সঙ্গে ওই সিনেমার গল্পটা বেশ মিলে যায়।

বন্ধুরা আমার অতীত নিয়ে কিছু জানে না যদিও। শুধু ওরা কেন, আমার ওই ছেড়ে আসা পেশার ব্যাপারটা আমি কাউকেই জীবনে বলতে পারব না।

ওই সময়টায় যা করতে হয়েছে, তা নিয়ে এখন আমার খারাপ লাগে। তবে আমি মারা যাওয়ার পরেও ওই পেশাটা এরকমই থেকে যাবে হয়তো।সূত্র-বিবিসি।

লাস্টনিউজবিডি/মারুফ

Print Friendly, PDF & Email
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
‘রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আনো ফুটন্ত সকাল’
  ।। আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া ।। সত্য স্বয়ম্...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসে...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • নীলফামারী আব্দুল হাকিম ভুট্টো ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা
  • রানীশংকৈলে দুই নারী ফুটবলারকে সংবর্ধনা
  • রানীশংকৈলে প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভা

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (5%, ৪ Votes)
  • না (25%, ১৯ Votes)
  • হ্যা (70%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৭৭

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • yes (0%, ০ Votes)
  • no (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Good (100%, ০ Votes)

Total Voters: