Loading...
Sunday, 8th July , 2018, 02:05 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

যেভাবে ‘গাছের শেকড়’ বদলে দিলো এই নারীদের জীবন



লাস্টনিউজবিডি, ০৮ জুলাই, নিউজ ডেস্ক: সিউইড বা সামুদ্রিক শেকড় সম্প্রতি নতুন সুপারফুড হিসাবে বেশ নাম কুড়িয়েছে। টুথপেস্ট, ঔষধ এবং শ্যাম্পুতে এই সিউইডের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

ব্যাপক চাহিদার কারণে তানজানিয়ার আধা স্বায়ত্ব শাসিত দ্বীপদেশ জাঞ্জিবারে এই সিউইড একটি বড় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এবং এটি চাষাবাদে প্রধান ভূমিকা রাখছেন নারীরা।

Loading...

ভোর হতে না হতেই একদল নারী মাথার উপর দড়ি ও লাঠি নিয়ে সমুদ্র সৈকতের দিকে হেঁটে যান এবং যে অংশে জোয়ারের পানি কম আসে সেখানে এই সিউইড বুনে দেয়।

তারা প্রথমে হাটু সমান পানিতে নেমে সৈকতের বালুর মধ্যে লাঠিগুলো নির্দিষ্ট দূরত্বে গেঁথে দেন।

তারপর সিউইডের ছোট ছোট টুকরোগুলোকে পাশাপাশি দড়ি দিয়ে বেধে ওই মালাটি একেকটি লাঠির সঙ্গে বরাবর টান টান করে মেলে দেন।

মাত্র ছয় সপ্তাহে এই ছোট চারাগুলো দশগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায় এবং তখনই ফসল তোলার জন্য এগুলো প্রস্তুত হয়।

এরমধ্যে কিছু খাওয়া হয় তবে বেশিরভাগই শুকিয়ে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে রপ্তানি করা হয়।

এই সিউইডের চাষাবাদ এই নারীদের শুধু কাজের জায়গা নয় বরং বাস্তবতা থেকে একটু পালাবার ফুরসত দেয়।

এটাই তাদের, কৌতুক বলে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ার জায়গা। যেখানে ইচ্ছামতো গালগল্পও করা যায়।

নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে যখন সৈকতে এই সিউইডের চাষাবাদ শুরু হয়, তখন পুরুষরা মনে করতেন যে এই কাজ করে কোন লাভ নেই।

তারা মাছ ধরা বা পর্যটন সংশ্লিষ্ট কাজ করতেই পছন্দ করতেন। কেউ কেউ এটাও চান না যে তাদের স্ত্রী এমন কাজ করুক।

এর কারণ হিসেবে পূর্ব উপকূলীয় পাজে গ্রামের এক কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ জালে বলেন,

“আমি মনে করি এই সিউইডের ব্যবসা পরিবার পরিকল্পনায় উৎসাহিত করে। কারণ সমুদ্র সৈকতে ঘন্টা পর ঘণ্টা থাকা এরপর বাড়ির কাজ করার পর নারীরা খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তখন তারা সন্তান নেয়ার সময় করতে পারেনা”।

এসব ভেবে মিস্টার জালে শুরুতে তার প্রথম স্ত্রীকে অন্যদের সাথে যেতে অনুমতি দেননি। পরে তার স্ত্রী অনেক দুঃখ পেয়ে কান্নাকাটি করলে তিনি রাজি হন।

এই মুসলমান অধ্যুষিত দ্বীপে সিউইডের চাষ নারীমুক্তির একটি বড় শক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

কেননা এর আগ পর্যন্ত গ্রামের বেশিরভাগ নারী শুধুমাত্র অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কিংবা অসুস্থ আত্মীয়ে সঙ্গে দেখা করার জন্য বাড়ি বাইরে যেতে পারতো।

বাড়ির স্থাপনাতেও নারীদের সেই বিচ্ছিন্নতার প্রতিফলন ছিল স্পষ্ট। অনেক বাড়িতে বাইরের দেয়াল ঘেষে একটি বেঞ্চ রাখা হয়। যেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা সেখানে অতিথিদের বসাতে পারে। যেন বাড়ির ভেতরে ওই নারী সদস্যদের গোপনীয়তা রক্ষা হয়।

সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী ফ্লাওয়ার সুয়া জানান, “এই সিউইড চাষ করার জন্য নারীরা বাইরে বের হওয়ায় শুরুতে অনেক স্বামী তাদের স্ত্রীদের তালাক দেয়ার হুমকি দিতো। কিন্তু যখন তারা দেখলো এই ব্যবসা থেকে বাড়িতে পয়সা আসছে। তখন তারা ধীরে ধীরে সেটা মেনে নেয়।”

এখন সেখানকার নারীরা বাড়ির বাজার করার দায়িত্ব স্বামীর ওপর চাপিয়ে নিজেদের পণ্য বাজারে বিক্রি করতে যান। অনেকে আবার বাসে করে রাজধানীতেও আসেন।

তাদের শ্রমের কারণে খুব দ্রুত এই পরিবারগুলো সন্তানদের জন্য স্কুলের বই, ইউনিফর্ম, আসবাবপত্র, ভাল খাবার কেনা থেকে শুরু করে বাড়ির ছাদে ছনের পরিবর্তে ঢেউটিন বসাতে সক্ষম হয়েছেন।

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল উপকূলীয় বুয়েলেও গ্রামের সিউইড কৃষক সাফিয়া মোহাম্মদ, এই কাজের মাধ্যমে নিজের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনতে পেরেছেন।

তার একটি দোকান আছে যেখানে তিনি সিউইডের সাবান, জ্যাম এবং চাটনি বিক্রি করেন। সম্প্রতি নিজের উপার্জন দিয়ে তিনি তার ছেলেদের একটি মাছ ধরার নৌকা এবং একটি স্কুটার কিনে দিয়েছেন।

পরিবারের জন্য তৈরি করেছেন একটি বড় বাড়ি। এখন তার মেঝেতে চকচকে টাইলস বা ছাদে কারুকার্যময় কার্নিশ। তবে তার গর্বের জায়গা জুড়ে তার সন্তানেরা। তিনি বলেন,

“আমার মোট চার সন্তান। আমি সেই ১৯৮৫ সালে বিয়ে করেছি। এবং আমি আমার স্বামীর একমাত্র স্ত্রী।”

সাফিয়া বলেন, একদিন হয়তো তাকেও স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রীকে গ্রহণ করতে হতে পারে। তবে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এক্ষেত্রে নতুন স্ত্রীকে অন্য কোথাও ঘুমাতে হবে- তার বাড়িতে নয়।

পাজে গ্রামের এই শান্ত পরিবেশে এমন অনেক ধরণের ঘরোয়া নাটকগুলো উন্মোচিত হতে থাকে। যার অনেকগুলো দিয়ে ধারাবাহিক নাটক বানানো সম্ভব। বহুবিবাহের মতো এখানে তালাকও যেন অনেক সাধারণ ব্যাপার।

২০১৫ সালের নির্বাচনে ভোটে অংশ নেয়ার জন্য সেইসঙ্গে যে রাজনীতিবিদকে ভোট দিতে স্বামীরা মানা করেছিলেন তাদের পক্ষে ভোট দেয়ার কারণে দ্বীপটির প্রায় ৫০জন নারীকে তালাক দিয়েছিলেন তাদের স্বামী।

অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী সাফিয়ার মত ওয়ানাইশা মাকামেও সিউইড চাষ থেকে তার উপার্জিত অর্থ বাড়ি বানানোর পেছনে বিনিয়োগ করেন। তার নির্মানাধীন বাড়িটি দেখে অনেকেই মনে করেন যে এটা হয়তো তিনি তার ছেলেমেয়েদের জন্য বানিয়েছেন।

তবে মিসেস মাকামের মতে, এটি তিনি বানিয়েছেন শুধুমাত্র নিজের জন্য। যদি স্বামী তাকে তালাক দেয়, তাহলে তিনি এই বাড়িতে থাকবেন।

এটা তাদের জন্য অনেকটা বীমা নীতির মতো। যেখানে পুরুষরা বিবাহ বিচ্ছেদের পর নারীদের কোন ভরনপোষণ দিতে চান না। মিসেস মাকামে বলেন,

“জাঞ্জিবারে বিয়ে টিকে থাকার কোন নিশ্চয়তা নেই। যদি আমাদের স্বামীরা অন্য নারীর প্রেমে পড়ে যান তাহলে তারা পাগল হয়ে যান। তারা হুট করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে।”

এ ছাড়াও এই গ্রামের নারীদের প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে।

জাঞ্জিবার দ্বীপপুঞ্জের বেশিরভাগ সিউইড জন্মায় পেমবা দ্বীপে। বিশেষ করে যেখানে সমতল প্রশস্ত সৈকতের পরিবর্তে পাথুরে খাড়ি রয়েছে।

এ কারণে জলীয় তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও সিউইডগুলো তেমন একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়না।

তবে ২০১১ সালের পর থেকে টানা তিন বছর এই পাজে গ্রামে সিউইড জন্মানো বন্ধ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে আবার সেগুলো জন্মানো শুরু হয়।

তবে সেগুলো ছিল শুধুমাত্র নিম্নমানের স্পিনোসাম প্রজাতির সিউইড। যাতে সামান্য পরিমানে কারাজিনান উপাদান থাকে যেটা শুধুমাত্র খাবার, প্রসাধনী এবং ওষুধ ঘন করার উপাদান হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

এ কারণে বর্তমানে এই ব্যবসাটি আগের মতো আর লাভজনক নেই।

আরেকটি খারাপ দিক হল, গরমকালে যখন সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায় তখন সেখানে নীল-সবুজ রঙা কিছু শেওলা জন্মায়।

এ অবস্থায় নারীরা পানিতে কাজ করায় ওই শেওলার সংস্পর্শে তাদের চামড়ায় ব্যাথাযুক্ত র‍্যাশ, ফুসকুড়ি ইত্যাদি হয়।

এ কারণে এখন পাজে গ্রামের অনেক নারী এই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। ২০ বছর আগে যেখানে ৪৫০জন সিউইড কৃষক ছিলেন, এখন সেটা কমে দেড়শ জনে দাঁড়িয়েছে।

মিসেস মাকামের প্রতিবেশী রেজিকি। সাত সন্তানের বিশাল পরিবারের জন্য তার ভীষণ সাহায্যের প্রয়োজন। কিন্তু তিনি সিউইডের ব্যবসা ছেড়ে সমুচা বিক্রির কাজ শুরু করেছেন।

অন্য যে নারীরা সৈকতে সিউইড চাষ করতেন এখন তারা হস্তশিল্পের কাজে যুক্ত হয়েছেন। সেগুলো তারা সৈকতে রৌদ্যস্নান করতে আসা পর্যটকদের কাছে বিক্রি করেন।

তবে এটা তারা সবাই এক বাক্যে স্বীকার করেন যে, ওই সিউইড ব্যবসাই তাদের ঘরের বাইরে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে।

সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন সিউইডকে আরও লাভজনক করার সবচেয়ে ভালো উপায় হল কটনি চাষ করা- এটি গভীর শীতল পানিতে জন্মানো মূল্যবান জাতের শেকড় যাতে বেশি পরিমানে কারাজিনান উপাদানটি রয়েছে।

তবে এখানেও একটা সমস্যা আছে। আর তা হল, এই কাজের জন্য নৌকার প্রয়োজন- আর এই নারীরা জানেন না কিভাবে সাঁতার কাটতে হয়।

তবে সেই বাঁধা কাটিয়ে উঠতে পাশের মুঙ্গনি গ্রামের অনেকেই লাইফ জ্যাকেট পরে সাতার শিখতে সমুদ্রের বিশাল ঢেউয়ের মধ্যে নামছেন।

প্রথম প্রথম অনেকেই ভয়ে কুকড়ে যান। তবে তাদের ভাষ্য হল, একজন পুরুষ যদি সাতার দিতে পারে, আমরা কেন পারব না? সূত্র: বিবিসি বাংলা

লাস্টনিউজবিডি/এমবি

Print Friendly, PDF & Email
Loading...
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
মাইনাস টু ফর্মুলা,খালেদা-তারেকবিহীন বিএনপি!
।।মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু ।। সামরিক বাহিনীর প্র...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসে...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • নীলফামারীতে র‌্যাবের অভিযানে দুটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সহ আটক ২
  • মলান্দহে ইয়াবাসহ যুবক আটক
  • বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে বিরোধী শপথ

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (17%, ২ Votes)
  • হা (17%, ২ Votes)
  • না (66%, ৮ Votes)

Total Voters: ১২

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • yes (0%, ০ Votes)
  • no (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Good (100%, ০ Votes)

Total Voters: