Wednesday, 25th July , 2018, 12:55 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

জঙ্গিবাদ ও বাস্তবতা



।। সেলিনা আক্তার ।।

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিস্তার বিশ্বব্যাপী। বিশ্বের কোটি কোটি নিরীহ মানুষ এর শিকার। বেশি ঝুঁকিতে আছে মধ্যপ্রাচ্য সংলগ্ন আফ্রিকা অঞ্চল এবং এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত দেশের মানুষ। তার মধ্যেও অধিক ক্ষতিগ্রস্ত অপেক্ষাকৃত ছোটো, দরিদ্র, ভঙ্গুর ও মুসলিমপ্রধান রাষ্ট্রসমূহ। বাংলাদেশ এর বাইরে নয়। ইতিমধ্যে অবাক করা কিছু ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে গেছে। বাংলাদেশ যেকোনো মূল্যে সন্ত্রাস মোকাবিলায় একাত্ম। জাতীয়ভাবে দৃঢ় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গীকার এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বিষয়টিকে।

কার্যকরভাবে জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে হলে প্রথমে এর প্রধান কারণগুলো চিহ্নিত করাসহ উৎস খুঁজে বের করতে হবে। একটি দেশে কেন জঙ্গিবাদ বা সহিংস উগ্রপন্থা বিস্তার লাভ করে, কেন এ ধরনের আদর্শ মানুষকে আকর্ষণ করে কয়েক দশক ধরেই তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন সমাজবিজ্ঞানী, নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকগণ।

এই বিষয়ে গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর থেকে। এর পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন থেকে শুরু করে পশ্চিমা দেশের অনেক রাষ্ট্রেরই ধারণা ছিল দারিদ্র্য সহিংস পন্থার কারণ এবং সুযোগবঞ্চিত মানুষেরা জঙ্গি সংগঠনের আদর্শের প্রতি আকর্ষিত হয় বেশি। ১১ সেপ্টেম্বরের পরে তাদের এই ধারণা ভেঙে যায়।

তালেবান নেতৃত্ব, পাকিস্তানের বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাংগঠনিক কাঠামো ও আফগান যুদ্ধে পাকিস্তানি কয়েকটি মাদ্রাসার ভ‚মিকার ওপরে নির্ভর করে অনেকে এক সময় মাদ্রাসাকেই ইসলামপন্থী সহিংস চরমপন্থার উৎস বলে প্রচার করতে থাকেন। এসব ধারণা শিগগিরই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে শুরু করে। কেননা, দেখা যায় যে, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের অধিকাংশ নেতা কিংবা আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত কিংবা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষিত নয়।

এই পরিস্থিতির পর জোর দেওয়া হয়েছিল সন্ত্রাসবাদের কিছু সামাজিক ও আন্তর্জাতিক মূল কারণের ওপর। কিন্তু বাস্তবে একই রকমের আর্থসামাজিক অবস্থা সবাইকে সন্ত্রাসী করে তুলছে না।

যারা সন্ত্রাসী কাজে যুক্ত হয়, তারা কেবল পরিস্থিতির চাপে যোগ দেয় না, ক্ষেত্রবিশেষে নানা আকর্ষণেও যুক্ত হয়। অ্যাডভেঞ্চারিজমও এর কারণ হতে পারে। তাছাড়া মানুষ পরিস্থিতির দ্বারা প্রভাবিত হয়। মানুষের নিজস্ব এই বিবেচনাগুলোকে কর্তব্যের মধ্যে না নিলে কারো জঙ্গি হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে কী কী উপাদান রয়েছে তা বোঝার অপূর্ণতা থেকে যাবে।

গত কয়েক দশকে বিভিন্ন দেশে যেখানে জঙ্গিবাদ প্রসারিত হয়েছে, যেসব ব্যক্তি জঙ্গিবাদে আকৃষ্ট হয়েছে, যেসব জঙ্গি সংগঠন শক্তি সঞ্চয় করতে পেরেছে, তাদের ওপর সম্পাদিত গবেষণাগুলোয় যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, তা হলো জঙ্গিবাদ বিকাশে কোনো একটি একক কারণ নেই। এই ধরনের একক কারণ অনুসন্ধান করলে আমরা ভুল উপসংহারে উপনীত হতে পারি। আমরা দেখতে পাই যে, জঙ্গি হয়ে ওঠা এবং জঙ্গিবাদের প্রসারের ক্ষেত্রে কতিপয় বিষয় চালকের ভ‚মিকা পালন করে। অর্থাৎ এই বিষয়গুলো ব্যক্তিকে সন্ত্রাসের পথে ঠেলে দেয়, সমাজে জঙ্গিবাদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে এবং সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি করে।

এই চালিকাগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বৈশ্বিক। অভ্যন্তরীণ চালকের মধ্যে রয়েছে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্নতা বা প্রান্তিকতা, সামাজিকভাবে বৈষম্যর শিকার হওয়া, হতাশাবোধ, অন্যদের তুলনায় বঞ্চিত অনুভব করা। রাজনৈতিক চালকগুলোর মধ্যে আছে রাজনৈতিক অধিকার ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া, সরকারের কঠোর নিপীড়ন ও সুস্পষ্টভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন, সর্বব্যাপী দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের দায়মুক্তির ব্যবস্থা, স্থানীয়ভাবে অব্যাহত সংঘাত, সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এলাকা তৈরি হওয়া। সাংস্কৃতিক চালকের মধ্যে আছে এই ধারণা বিরাজ করা বা তৈরি হওয়া যে, ইসলাম আক্রমণের বা বিপদের মুখোমুখি, নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য হুমকির মুখে এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিজের ইসলামি সংস্কৃতির বিকাশ বা সমাজে অন্যদের ওপরে নিজের ইসলামি সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া। বৈশ্বিক চালকের মধ্যে আছে নিজেদের ‘ভিকটিম’ বলে মনে করা।

ইসলাম বিপদের মুখে, মুসলিম জনগোষ্ঠী অন্যায় ও বৈষম্যর শিকার- যদি এই ধারণা সৃষ্টি হয় তাহলে তা শক্তিশালী চালকের ভ‚মিকা পালন করতে পারে। যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শক্তিশালী চালক হয়ে দেখা দিয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে উৎপত্তির মূল কারণ আগে অনুসন্ধান করতে হবে। সম্ভাবনাময় তরুণরা কেন সশস্ত্র জঙ্গি তৎপরতায় সম্পৃক্ত হচ্ছে তা নিয়ে ভাবনার প্রয়োজন। এখনই যদি শিকড় উপড়ানো না যায়, তাহলে বাংলাদেশ অচিরেই বিশৃঙ্খলা ও অশান্ত জনপদে পরিণত হতে পারে। তবে বাংলাদেশ সরকার জঙ্গি দমনে বদ্ধপরিকর এবং অনেক দৃশ্যমান কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

-২-

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে যে এর সূচনা ১৯৯০ এর মাঝামাঝি সময়ে। সাম্প্রতিককালে ইসলামিক স্টেট বা আল-কায়দার সঙ্গে বাংলাদেশের জঙ্গিদের যোগাযোগ কিংবা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের উপস্থিতি, যেভাবেই পরিস্থিতিকে বর্ণনা করা হোক না কেন বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ কার্যত পঞ্চম প্রজন্ম বা ফিফথ জেনারেশনে পৌঁছে গেছে। প্রথম প্রজন্ম হচ্ছে যারা আফগানিস্তানে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং বাংলাদেশে হরকাত-উল-জিহাদ আল ইসলাম বা হুজি প্রতিষ্ঠা করে, তাদেরকে আমরা ১৯৭৯-১৯৯২ পর্যায়ে দেখতে পাই।

দ্বিতীয় প্রজন্মের আবির্ভাব ঘটে ১৯৯৬ সালে, যখন ‘কিতাল-ফি-সাবিলিল্লাহ সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। এটিই ১৯৯৮ সালে এসে জামায়াত-উল-মুজাহিদিন বা জেএমবি’তে রূপান্তরিত হয়। যার সঙ্গে হুজি’র ওতপ্রোত যোগাযোগ ছিল। তৃতীয় প্রজন্ম হচ্ছে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হিযবুত-তাহরির। এদের সূচনা এবং বিকাশ বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে। চতুর্থ প্রজন্মের জন্ম হয় জামাতুল মুসলেমিন নামে ২০০৭ সালে। পরে যা আনসারউল্লাহ বাংলা টিম নামে কার্যক্রম চালায়। এরা অনুপ্রাণিত হয়েছে আনওয়ার আল ওয়াকি’র দ্বারা এবং এরাই এখন আনসার আল ইসলাম বলে আল কায়েদার প্রতিনিধিত্বের দাবি করে। পঞ্চম প্রজন্ম হচ্ছে যারা ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেটের উদ্ভবের পরে ইসলামিক স্টেটের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত হয়। কেউ কেউ সিরিয়াতে যুদ্ধ করতে যায়।

এই ইতিহাস থেকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আদর্শিকভাবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের যোগাযোগ থেকেছে সবসময়ই।

তবে বর্তমানে বাংলাদেশের মাটিতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো সহজ নয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রæয়ারি ‘সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯’ পাস করে। পরবর্তীতে সে আইনকে যুগোপযোগী করার প্রয়োজন দেখা দেয়। সন্ত্রাসী কর্মকাÐে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা এশিয়া প্যাসিফিক গ্রæপ (এপিজি) এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের (এফএটিএফ) অনুসরণ করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরপর ২০১২ তে একদফা আইনটি সংশোধন করা হয়। কিন্তু তারপরও আরও কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আন্তর্জাতিক মহল থেকে অনুরোধ আসে। এসব বিষয় যুক্ত করতেই সরকার আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের ১১ জুন জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০১৩ পাস হয়। এ বিলের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইন্টারনেটভিত্তিক সন্ত্রাসী কর্মকাÐ প্রতিরোধে বাস্তবসম্মত ধারাগুলোর অন্তর্ভুক্তি। কোনো সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা সংগঠন ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করলে সাক্ষ্যআইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এ সংক্রান্ত তথ্যগুলো প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা যাবে। অন্যদিকে এ বিলে জঙ্গি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ধারা যুক্ত হয়েছে। আল কায়েদার সম্পদ বাজেয়াপ্ত, অস্ত্র বিক্রি ও ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা এবং জঙ্গিবাদে অর্থায়নে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নেওয়া দুটি প্রস্তাবও আইনে পরিণত করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নিয়মিত জঙ্গি কার্যক্রম নজরদারি করা হচ্ছে। তারা যাতে সংগঠিত হতে না পারে সেজন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য।

জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে বর্তমান সরকারের ভ‚মিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন বেøক। তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রাখবে। আন্তর্জাতিক পরিমলেও এটা নিয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে। জঙ্গি দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশংসা যুক্তরাষ্ট্রসহ আরো অনেক দেশই করেছে।

নাশকতা ও সহিংসতা গণতন্ত্রকামী মানুষকে আকৃষ্ট করে না। বরং যারা নাশকতা ও সহিংসতা করবে বা এর পৃষ্ঠপোষকতা দেবে তাদের প্রতি ক্রমাগত ঘৃণাই প্রকাশ করবে জনগণ। জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশই জনগণের প্রত্যাশিত। সরকার মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট, আইনের শাসন কার্যকর করার জন্য নিবেদিত। ইতিমধ্যে এ দেশের সব নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী হিসেবে সরকার অভিনন্দিত হয়েছে। পিআইডি প্রবন্ধ

#

২৩.০৭.২০১৮

Print Friendly, PDF & Email
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
সংবাদ সম্মেলনে কেন এত চাটুকারিতা
।।নঈম নিজাম।। সংবাদ সম্মেলনে একজন সংবাদকর্মীর ক...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
দিল্লীর খাদ্যজাত পন্য মেলায় ভারত-বাংলাদেশ চেম্বারকে অামন্ত্রন
লাস্টনিউজবিডি,৩রা সেপ্টেম্বর,নিউজ ডেস্ক: ট্রেড কাউ...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • রানীশংকৈল অনলাইন জার্নালিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে আকাশ-শাওন
  • দিনাজপুর দক্ষিন জেলা জামায়াতের আমীর আটক
  • সাইকেলে ৬৪ জেলা ভ্রমণ করলেন ঠাকুরগাঁওয়ের আহসান হাবিব

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • না (28%, ১৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৪৭

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • yes (0%, ০ Votes)
  • no (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Good (100%, ০ Votes)

Total Voters: