Sunday, 7th January , 2018, 05:53 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

পুঁজিবাজার জানুন, বুঝুন এরপর বিনিয়োগ করুন



।।হারুন-আর-রশিদ।।

বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ পুঁজিবাজার নিয়ে ধারণা কম বলেই এ খাতে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারেন না। অনেকে আবার শেয়ারবাজার নামটি শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে যান। মনে করেন, শেয়ারবাজার হলো সর্বস্ব লুটে নেয়ার ফাঁদ। কিন্তু বাস্তবে তাদের এ ধারণা সত্য নয়। যদি আপনি সঠিক নিয়মে বিনিয়োগ করতে জানেন, তাহলে এই খাতটি একটি লাভজনক বিনিয়োগ খাত। কিছু নিয়ম রয়েছে, যা বিনিয়োগকারীরা যথার্থভাবে অনুসরণ করলে লাভের পাল্লাাই ভারী থাকবে, সফলতা অর্জন করা অতি সহজ হয়ে যাবে। নিয়মগুলো হলো:

১. সবসময় আপডেটেড থাকুন : শেয়ারবাজারে সফল না হওয়ার পেছনে বড় কারণ, এই খাতটি সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের অজ্ঞতা। সেহেতু বিনিয়োগের আগে যে সব বিষয়ে আপনার ধারণা থাকা উচিত তা হলো- ক. দেশের চলমান অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন চলছে; খ. শেয়ারবাজারের বর্তমান অবস্থা কোন ধাঁচে চলছে; গ. বিগত বছরগুলোতে শেয়ারবাজারের অবস্থা কেমন ছিল; ঘ. যে সেক্টরে বিনিয়োগ করতে চান, সে সেক্টরের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কেমন; ঙ. বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টক সম্পর্কে ধারণা মনে রাখতে হবে। কারণ, আপনি যখন শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করবেন, তখন আপনিও হয়ে উঠবেন এই খাতের একটি অংশ। তাই এই খাত সম্পর্কে ধারণা থাকাটা আপনার জন্য একান্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে প্রায় ১৫ লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারী রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আপডেটেড থাকার জন্য নিয়মিত চোখ রাখবেন। এই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পোর্টফোলিও তৈরি করুন : পোর্টফোলিও বিনিয়োগের মাধ্যমে সহজেই আপনার ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন। যেমনÑ এক লাখ টাকা দিয়ে একটি কোম্পানির শেয়ার না কিনে সে টাকা দিয়ে বরং কয়েকটি ভিন্নœ কোম্পানির শেয়ার কিনুন। এতে যেকোনো একটি কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হলেও আপনি খুব একটা ক্ষতির মুখে পড়বেন না। সবচেয়ে উত্তম হয় ভিন্ন ভিন্ন খাতের মাঝে পোর্টফোলিও গড়ে তুললে। যদি আপনার হাতে বিনিয়োগ করার মতো যথেষ্ট অর্থ থাকে, তবে কমপক্ষে ৩০টি পোর্টফোলিও গড়ে তোলার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে থাকেন শেয়ার বাজার বিশেষজ্ঞরা।

২. দীর্ঘ সময়ের জন্য বিনিয়োগ করুন : শেয়ার কেনার পর তা নিম্নতম তিন বছর বা ততোধিক সময়ের জন্য হাতে রাখুন। আবার অনেক সময় দেখা যায়, হয়তো অল্প সময়ের ব্যবধানে তা বিক্রি করে ফেলাটা লাভজনক মনে হতে পারে। তবুও ধৈর্য্য ধরুন, অপেক্ষা করুন সবচেয়ে মোক্ষম সময়টির জন্য। বিশ্বের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগকারী ওয়ার্নার বাফেট এটাকে সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ কৌশল বলে মনে করেন।

৩. শেয়ার বেচাকেনা সংক্রান্ত কিছু টিপস : ক. ভবিষ্যতে একটি শেয়ারের দাম কত দাঁড়াবে সেটা আগে থেকে অনুমান করার চেষ্টা করুন। যেমন ধরুন- একটি কোম্পানির স্টক প্রাইস প্রথম চার দিন ১ শতাংশ করে নেমে আসে, পঞ্চম দিন আবার ১০ শতাংশ বেড়ে যায়। এখানে আপনি প্রথম চার দিন শেয়ার কিনে পঞ্চম দিন বিক্রি করে নিশ্চিত লাভ করতে পারবেন। কিন্তু বাংলাদেশের শেয়ারবাজার দুর্বল ধরনের হওয়ায় এই পদ্ধতি আপনাকে খুব একটা সুবিধা দেবে না। এখানে স্টক প্রাইস নির্ধারিত হবে ডিমান্ড সাপ্লাই নীতি অনুসারে। এখানে সবাই চাইবে প্রথম চারদিন শেয়ার কিনতে আর পঞ্চম দিনে তা বিক্রি করতে। ফলে প্রথম চার দিনে স্টকের ডিমান্ড বেড়ে যাবে, ফলে দামও বেড়ে যাবে। যদিও বাস্তবে শেয়ার মার্কেটের খবরাখবর সব বিনিয়োগকারীর কাছে পৌঁছাতে একটু সময় লাগে। আর আপনাকে ঠিক সেই সময়টাকেই কাজে লাগাতে হবে।

খ. যদি আপনি লসে থাকেন, তবুও বেচাকেনা বন্ধ করে রাখবেন না। প্রতিদিনই আপনার শেয়ারের দাম ওঠানামা করছে। আপনি চেষ্টা করুন দিনের সর্বনিম্ন দামে কিনে আপনার আগের শেয়ার সর্বোচ্চ দামে বেচে দেয়ার। যাকে নেটিং বা নিটিং বলে।

গ. অনভিজ্ঞ লোকজনের পরামর্শ নেবেন না। সবসময় গুজব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন।

ঘ. বেশি লাভের আশায় কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না।

ঙ. মনোবল হারাবেন না। আপনি যদি বুঝে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার নিরাশ হওয়ার কিছুই নেই। বাজার দর যতই কমুক সেটা সাময়িক। কোম্পানি আপনাকে বছর শেষে মুনাফা ঠিকই দেবে। হয়তো আপনি অধিক লাভ করতে পারবেন না, কিন্তু আপনার টাকা হারিয়ে যাবে না।

চ. শপিং করতে গেলে যেমন আপনি সারা বাজার ঘুরে ভালো জিনিসটা কেনেন, তেমনি শেয়ার কেনার সময়ও একই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ শেয়ার ব্যবসা না বুঝেই বিনিয়োগ করে বসে, আর মাঝখান থেকে লাভবান হয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। কিন্তু আপনি যদি উল্লিখিত কয়েকটি নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন, তবে আপনিও হয়ে উঠতে পারবেন এই খাতের একজন দক্ষ বিনিয়োগকারী।

শেয়ার শব্দটি ইংরেজি। বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায়- ভাগ, অংশ, সহমর্মিতা ইত্যাদি। ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবহার ভিন্ন। কোম্পানির ক্ষেত্রে শেয়ারের অর্থবোধক বাক্য হলো- কোনো কোম্পানির অংশ সাধারণের মধ্যে নির্দিষ্ট অঙ্কে সমান ভাগে ভাগ করে দেয়া। যেমন- ন্যাশনাল ব্যাংক তার ১০ টাকা মূল্যের তিন লাখ শেয়ার বাজারে বা সাধারণের জন্য ন্যূনতম ৫০টির একটি স্ক্রিপ্ট বা লট আকারে উন্মুক্ত করে দিয়েছে (এটি সঠিক সংখ্যা নয়, শুধু উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে)। যারা ওই শেয়ারগুলো কোম্পানির প্রসপেক্টাস দেখে কিনেছেন, তারা ওই কোম্পানির শেয়ার অনুপাতে অংশের মালিক। যার যত বেশি সংখ্যক শেয়ার সে তত বেশি অংশের মালিক এবং এককভাবে সর্বাধিক শেয়ারের মালিক। কোম্পানির পরিচালনায় নিয়োজিত হওয়ার উপযুক্ত হতে পারেন। এই শেয়ারে যার যত অংশ আছে, সে অনুপাতে শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির লাভ বা ক্ষতির অংশের মালিকও তারা। শেয়ারবাজার এমন একটি স্থান যেখানে বিভিন্ন সসীম দায়বদ্ধ কোম্পানি (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) যারা স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত শুধু তাদের শেয়ার বেচাকেনা হয়। একে পুঁজিবাজারও বলা হয়।

এই বাজারে এসে দুইভাবে ব্যবসা শুরু করা যায়। প্রথম প্রিলিমিনারি অর্থাৎ প্রাথমিক (আইপিও)। শেয়ার বাজারে যখন নতুনভাবে আসে তখন দরখাস্ত করে লটারির মাধ্যমে পেয়ে গেলে আপনি যেকোনো একটি কোম্পানির মালিক হয়ে গেলেন আনুপাতিক হারে। দ্বিতীয়টি হলো, ব্রোকার হাউজে কেনাবেচার মাধ্যমেও আপনি এই ব্যবসা স্বাচ্ছন্দ্যে চালিয়ে যেতে পারেন। একে সেকেন্ডারি মার্কেট বলে। তবে বুদ্ধির প্রয়োজন, ঠাণ্ডা মাথায় বুঝে শোনে এই ব্যবসা করলে মুনাফা অর্জন সহজ হয়। ধরুন একজন মানুষ নতুনভাবে বিও অ্যাকাউন্ট খুলে একটি ব্রোকার হাউজে ব্যবসাটি শুরু করলেন। পাশের একজন লোককে জিজ্ঞেস করলেন, ভাই ব্যাংকের শেয়ারবাজার খুব চাঙা দেখা যাচ্ছে। কোন ব্যাংকটির শেয়ার কিনলে লাভবান হবো। মনে করুন ২০১০ সালের জুন-জুলাই মাসের ঘটনা। তখন বাজারে মূল্যসূচকে খুব তেজিভাব। দৈনিক লেনদেন প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। এ অবস্থায় একজন মধ্যম শ্রেণীর বিনিয়োগকারী যদি এরকম প্রশ্ন করেন, তাহলে বুঝতে হবে লোকটি শেয়ারবাজার সম্বন্ধে জ্ঞানার্জন না করে মানুষের কথা শুনে এই ব্যবসায় এসেছেন। শুধু লোকের মুখে শুনেছেন বাজার এখন তেজিভাব, কিনলেই লাভ করতে পারবেন। তাকে পাশের লোকটি বলেছেন, কিনবেন আর বিক্রি করবেন তাহলেই রাতারাতি ধনী হয়ে যাবেন। বাজারের এই তেজিভাব এখন যেভাবে আছে, সেটা কখন যে পড়বে এই জ্ঞান নতুন আসা ওই লোকটির ছিল না। ছিল না বলেই এ ধরনের মানুষ এই ব্যবসায় এসে চরমভাবে হেরে যান।

এরা অন্যের পরামর্শে শেয়ারবাজারে এসেছেন এবং অবশেষে সব টাকা হারিয়ে দেউলিয়া হয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া এ ধরনের বিনিয়োগকারীদের করণীয় কিছুই থাকে না। একটি প্রবাদ আছেÑ গুজবে কান দেবেন না। তা হলেই বিপদ ঘটবে। শেয়ারবাজারের ক্ষেত্রে এটি সত্যসন্ধ। উচ্চমূল্যে শেয়ার কিনে এখন দাম নিম্নমুখী। এখন কি করব এরকম সমস্যা বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীর মধ্যেই দেখা যায়। তাদের বলব- উঠতি বা পড়তি বাজারের ধারা বোঝার চেষ্টা করুন। যারা অল্প সময়ের ব্যবধানে শেয়ার ব্যবসা করে লাভবান হতে ইচ্ছুক, তারা শেয়ার দরের চক্রাকারে ওঠানামার ছন্দ অনুসরণ করে শেয়ার ব্যবহা করে অল্প সময়ে লাভবান হতে পারেন। তবে এ জন্য কোনো কোনো বিশেষ সময়ে বাজারের ধারা ঊর্ধ্বমুখী না নিম্নমুখী সে বিষয়ে ভালো ধারণা থাকতে হবে। মনে করুন এ থেকে বি পর্যন্ত পুরো সময়টি বাজারে চাঙাভাব বজায় ছিল। আবার বি থেকে সি পর্যন্ত সময়টিতে মন্দাভাব বিরাজ করেছে, এরপর সি থেকে আবার ডি পর্যন্ত সময়টিতে চাঙ্গাভাব বজায় ছিল। যারা এ স্তরে শেয়ার ক্রয় করেছিল তারা বি স্তরে শেয়ার কিনলে লাভবান হবেন।

বিনিয়োগকারীদের প্রতি পরামর্শ হলো, হুজুগ আর গুজবে কান দেবেন না। তাহলেই অর্ধেক সমস্যার আপনাআপনি সমাধান হয়ে যাবে। মার্কেটে বড় পুঁজির বিনিয়োগকারীরা খেলা খেলতেই আসবে সবসময়। সারা দুনিয়ায় তাই হয়। কিন্তু সবখানে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক থাকেন। ফলে ব্লাইন্ড গেম যারাই খেলতে আসে, তারা খুব বেশি দূর যেতে পারে না। আর আমাদের মার্কেটের সমস্যা হলো, আমাদের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে যরা আছেন তাদের বেশির ভাগই অসৎ। সমস্যার শুরুতেই তাদের চিহ্নিত করা গেলেও সমাধান হয় না।

প্রতিদিন হাজারো বিনিয়োগকারীর একটি প্রশ্ন। প্রশ্নটির কি উত্তর দেবেন। উত্তরটা হলো- সহজ ভাষায় দেখে শুনে একটি ভালো কোম্পানি বা ততধিক কয়েকটি ভালো কোম্পানির শেয়ার কিনলে খুব সহজেই মুনাফা করা যায়। তবে একটি প্রশ্ন থেকে যায়, কিভাবে বুঝবেন আপনি যে কোম্পানির শেয়ার কিনছেন, সেটি লাভজনক কোম্পানি? আবার শুধু ভালো বা লাভজনক কোম্পানি হলেই তো হবে না, কখন কিনবেন, কি দামে কিনবেন কোম্পানির শেয়ারটি? আবার শুধু কিনলেই তো হবে না, সটিক সময়ে সর্বোচ্চ লাভে বিক্রি করতে হবে। তা হলেই আপনি শেয়ার ব্যবসায় সফলতা অর্জনের একটি পর্যায়ে পৌঁছতে সক্ষম হবেন। আপনার অবশ্যই মনে রাখতে হবে, শেয়ারবাজারে প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে, বিভিন্ন পরিস্থিতির আলোকে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি হয়। এ সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার কারণ ও ধরন বিষয়ে আগাম ধারণা পাওয়ার জন্য বহু ধরনের দিকনির্দেশনা রয়েছে। এসব দিকনির্দেশনা কাজে লাগিয়ে অনেক শেয়ার ব্যবসায়ী হয়েছেন কোটিপতি। চরম মন্দাবস্থায়ও অনেকে এ বাজার থেকে প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছেন। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, কিভাবে সুপ্ত সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে হবে, তা বুঝেন এবং জানেন এমন শেয়ার ব্যবসায়ীর সংখ্যা আমাদের দেশে অতি নগণ্য। একটি কথা সত্য, যারা ব্যর্থতার পরও শেয়ার ব্যবসাতে লেগে থাকেন, তারা কোনো না কোনো সময় সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান। অবশেষে সফল ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন। তবে এই সফলতার জন্য প্রয়োজন ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতার। এ ক্ষেত্রে যত বেশি জ্ঞান অর্জন করা যাবে, সফলতার মাত্রাও সে পরিমাণে বাড়বে।

যারা মনে করেন এটা একটা জুয়া খেলা- অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার, সেটা সত্য নয়। মূলত এটা এক ধরনের বিশেষ দক্ষতা, যা অর্জন করা যেকোনো ব্যবসায়ীর পক্ষেই সম্ভব। বিশেষ দক্ষতা বলতে সঠিক সময়ে সঠিক দামে সঠিক শেয়ার বেচাকেনা করার দক্ষতাকে বুঝানো হয়েছে।

তথ্য সূত্র : ‘বুদ্ধির খেলা শেয়ার ব্যবসা’ বইয়ের লেখক এস এম হোসেন

Print Friendly, PDF & Email
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
সংবাদ সম্মেলনে কেন এত চাটুকারিতা
।।নঈম নিজাম।। সংবাদ সম্মেলনে একজন সংবাদকর্মীর ক...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
দিল্লীর খাদ্যজাত পন্য মেলায় ভারত-বাংলাদেশ চেম্বারকে অামন্ত্রন
লাস্টনিউজবিডি,৩রা সেপ্টেম্বর,নিউজ ডেস্ক: ট্রেড কাউ...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • তাজহাট থানার ওসির সাথে কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত
  • কোটচাঁদপুরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১
  • রানীশংকৈল অনলাইন জার্নালিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে আকাশ-শাওন

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • না (27%, ১৩ Votes)
  • হ্যা (71%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪৯

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • yes (0%, ০ Votes)
  • no (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Good (100%, ০ Votes)

Total Voters: