Thursday, 7th December , 2017, 01:49 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

দিন দিন পৃথিবীটা অসহিষ্ণু হয়ে যাচ্ছে



-আবুল খায়ের,রংপুর প্রতিনিধি,লাস্টনিউজবিডি,০৭ ডিসেম্বর: আমাদের দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে সকল ধর্মের মানুষ বংশ পরম্পরায় বসবাস করে আসছে। সবাই নিজ নিজ ধর্ম-কর্ম করছে কোনরূপ বাঁধা-বিপত্তি ছাড়াই। আর এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিহাস বহু পুরোনো। তবে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ঘৃণিত কিছু ঘটনা আমাদের হৃদয়কে করেছে ভারাক্রান্ত। ইতিমধ্যে আমাদের দেশে ঘটে গেছে বেশ কিছু ধর্মীয় উত্তেজনা বা উসকানীর ফলে সংঘঠিত ভয়াবহ তান্ডব ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার মতো ঘটনা।

হয়েছে জীবনহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি। রামু, নাসিরনগর কিংবা পাগলাপীরের ঘটনা প্রায় একই রকমের উপাদানে সৃষ্ট। ‘হুজুগে বাঙ্গালী’ বলে একটা কথা প্রচলিত আছে আমাদের সমাজে। আমরা কোন কিছু শুনলে কোন যাচাই বাচাই না করে প্রতিশোধ/প্রতিরোধের ডাক দিয়ে ক্ষিপ্ত ও পাশবিক আচরণ করতে সিদ্ধহস্ত। পরবর্তীতে পরিণতি/প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে সেটা কারোরই মাথায় থাকেনা। তাইতো রবি গুরু বলেছেন-‘রেখেছ বাঙ্গালী করে মানুষ করনি’। আমরা কবে মানুষ হবো, সেটাই এখন প্রশ্ন।

উল্লেখিত সংগঠিত ন্যাক্কারজনক ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে, প্রত্যেকটি ঘটনায় ধর্মের সাথে ধর্মের হিংসা/হানাহানিকে উসকিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে হয়তো কোন কুচক্রীমহল উপকৃত হতে পারেন (!)। কিন্তু বহিঃবিশে^ দেশের ভাবমূর্তি প্রচন্ডভাবে বিনষ্ট হয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে অথবা হয়েছে।

কিন্তু সংঘর্ষে যারা মারা গেছেন, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া কিভাবে সম্ভব হবে? মনে রাখতে হবে যে, কারো হৃদয়ে একবার রক্তক্ষরণ ঘটলে বা ক্ষত-এর সৃষ্টি হলে, তা কোন কিছুর বিনিময়েই রক্তক্ষরণ বন্ধ করা বা ক্ষত শুকানো কোনদিনও সম্ভব নয়। বরং হিংসা/বিদ্বেষ আরো বেড়ে যাবে বহুকগুণ।

যা কোন জাতির জন্য সুখকর নয়। একটি প্রশ্ন করলে খুব সহজেই উত্তর পাওয়া যাবে। কেউ কারো ধর্মীয় গুরু বা অনুসারীকে গাল/মন্দ অথবা অবমাননা করলে ধর্মের কোনরূপ ক্ষতি হবে কিনা সেটা বুঝা উচিত। বরং যারা এসব হীন/অনৈতিক কাজ করবে, তারা নিজেরাই নিজেদেরকে খাটো করবে। আর এসব নিশ্চয় হীনমানসিকতার পরিচায়ক ছাড়া আর কিছুই হবে না। যার যে ধর্মের প্রতি বিশ^াস তাকে সেটা করতে দেয়া উচিত।

সারা বিশে^ এখন একটি বড় সমস্যা, তা হলো অসহিষ্ণুতা। অনেক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হামলা বা দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে যতোই উষ্ণতা বাড়ছে, ততোই পৃথিবীটা বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। কোন দেশই বর্তমানে নিরাপদ নয়।

তবে এইজন্য মুসলিম বিশ^ও কম দায়ী নয়। নিজেরদের হীন স্বার্থকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য-অন্য মুসলমানকে দায়ী বা ক্ষতি করতেও কোনভাবে কুন্ঠাবোধ করে না। যা অন্য কোন ধর্মের লোকদের মধ্যে খোঁজে পাওয়া যাবে না। নিজের ক্ষমতা, আত্মসম্মান, অর্থ, খ্যাতি ও রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে হত্যা করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হয় না। এক মাযহাবের সাথে আরেক মাযহাবের বা মাযহাব না মানা’দের একে অপরকে আড়চোখে দেখা। এইসব চিত্র স্বাভাবিক নয়। শিয়া-সুন্নি মতবেদ’তো আছেই। তবে শিয়া-সুন্নি মতবেদ শুধুমাত্র রাজনৈতিক, ধর্মীয় কোন মতবেদ নেই। একটু সহজভাবে দেখলেই সমাধান হয়ে যায়।

নামদারী ও মুখোশদারী কিছু বিপদগামী লোক ইসলামের নামে উগ্র ধর্মীয় মনোভাবের কারণে অশান্তির সৃষ্টি করছে বিভিন্ন দেশে। আর তাতে সহযোগীতা দিচ্ছে ইসলাম বিরুধী কিছু পশ্চিমা দেশ ও তাদের দোসর’রা। আর্থিক যোগান ও সমরাস্্র দিয়ে সহযোগীতা করে পরিকল্পিতভাবে গোটা বিশ^কে অসহিষ্ণু করা হচ্ছে (এক্ষেত্রে আইএসআই-এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে)। ফলে নির্বোধ মুসলিম শাসকদের দমিয়ে রাখার মাধ্যমে তেল’সহ মূল্যবান প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদের দখল ও লুন্ঠন করা সহজ হচ্ছে। অস্ত্রের ব্যবসা জমজমাট করার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য’সহ গোটা মুসলিম বিশ^টাকে একটা অস্্েরর বাজারে পরিণত করা হয়েছে।

ক্ষমতালোভী মুসলিম ধনীদেশগুলির শাসকরা নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য পশ্চিমাদের সাথে তাল মিলিয়ে হেন কাজ নেই যে, তারা করছেনা। প্রয়োজনে মুসলিম দেশগুলিতে হামলা করতেও দ্বিধাবোধ করছেনা। আগে যেকাজ (মুসলমানদের হত্যা) অমুসলিমরা করতো সেই কাজ এখন মুসলমানরাই করে দিচ্ছে। এর চেয়ে দূভার্গ্যজনক ঘটনা আর কি হতে পারে? আরব বসন্তের নামে তিউেনশিয়া থেকে শুরু করে সিরিয়া পর্যন্ত অগনিত মুসলমানদের হত্যা করা হয়েছে। নারীদের নির্যাতন ও নিরীহ শিশুদের হত্যাতো আছেই। চিরদিনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে অগনিত শিশু ও আবাল-বৃদ্ধ কেউই রেহাই পাচ্ছে না। আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়ার কিংবা সিরিয়ার মশুলে সংঘঠিত যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছে দু’চোখে। একদিকে ইসলাম বিরোধীরা বিভিন্ন দেশে হত্যা, নির্যাতন করছে আবার আরেক দিকে ইসলামের পক্ষের (তথাকথিত) লোকরাও হত্যা ও নির্যাতন করছে মুসলমানদের। কি চমৎকার একটা রক্তের হলি খেলা চলছে সারা বিশ্বব্যাপী।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি আরব সফরের সময় একটি অস্ত্র রফতানি চুক্তি সই করেছেন। হোয়াইট হাউজের তথ্যানুযায়ী-যা এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় অস্ত্রচুক্তি। ১১ হাজার বিলিয়ন ডলার-এর চুক্তি। এখন প্রশ্ন হলো সৌদি আরব এইসব আর কাদের বিরুদ্ধে অথবা কোন দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে? নিশ্চয় কোন পশ্চিমা বিশে^র কোন দেশের জন্য নয়। অবশ্যই কোন না কোন মুসলিম দেশের বিরুদ্ধেই হয়ত ব্যবহৃত হবে ওই সব অস্ত্র। আল্লাহই ভালো জানেন। তবে এসব যে ইসরাইলের ইন্ধনে করছে, এতে কোন সন্ধেহের অবকাশ নেই। আবার কাতার-এর মতো ধনী দেশকে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছে। কাতারও আমেরিকার সাথে আরো একটি বড় ধরনের অস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি করেছে। উদ্দেশ্য কি? যেকোন সময় দুনিয়া আরো একটা ভয়াবহ যুদ্ধের মুখোমুখী প্রত্যেক্ষ করবে বলে প্রতিয়মান হচ্ছে। যা শান্তিকামী মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে।

কিন্তু এই সবের সমাধান কি? আসলে এইসবের সমাধানের আগে মূল কারণ খুজে বের করতে হবে। বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের উপর অমানবিক নির্যাতন, জুলুম ও বিনা কারণে হত্যার ঘটনা ঘটেই চলেছে। ফলে কিছু কিছু মুসলমান জিহাদের নামে নিজেদেরকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে। যা কারো জন্যে মঙ্গলজনক নয়। অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ইসলাম সার্পোট করেনা। তাই সকল ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধাবোধ রাখতে হবে। নিজ নিজ ধর্মের প্রতি আনুগত্য থেকে এগিয়ে যাওয়াই সঠিক পথ। তাই আমাদের দূর্ভাগ্য আমরা মুসলমানরা আমাদের আচরণগত উৎকর্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ইসলামকে বিকৃতভাবে প্রকাশ করার সুযোগ পাচ্ছে। বিশ^কে অসহিষ্ণুতা থেকে বাঁচাতে হলে সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে হবে। বর্তমান বিশে^র প্রেক্ষাপটে কৌশলি হতে হবে। হুজুগে বাঙ্গালী ভাব পরিহার করতে হবে। ধর্মীয় ব্যাপার গুলো সম্পূর্র্ণ নিজেদের ব্যাপার। কেউ কারো ধর্মের ওপর আঘাত করে কোন দিন ভালো ফলাফল আশা করতে পারে না। বরং এর পরিণতি খুবই করুন ও ভয়াবহ হতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পরিশেষে, বিশ^টাকে বাসযোগ্য করতে হলে সকলেরই উচিত সহিষ্ণু ক্ষমতা বাড়ানো। শান্তিকামী মানুষদের এই জন্য কাজ করতে হবে। সকল সচেতন ও শিক্ষিত লোকদের এগিয়ে আসতে হবে। কোথাও কোন রকম ধর্মীয় উসকানীর ঘটনা ঘটলে, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে, যাতে বড় ধরণের কোন রকম ঘটনা ঘটতে না পারে। সচেতন জনগনকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। বিশ^টাকে বাসযোগ্য করতে হলে সকল ধর্মের মানুষের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরো বাড়াতে হবে। হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ভূলে নব উদ্দ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। কাউকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন না করে মানবতার ভিত্তিতে দেখার জন্য দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন জরুরী। যুদ্ধ চাইনা, শান্তি চাই। এই সত্য উপলব্ধি করতে হবে। সকলকে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য। মানবতার বিজয় হোক। এটাই সকলের প্রত্যাশা হওয়া উচিত। লেখকঃ কবি, কলামিস্ট ও ঊন্নয়ন কর্মী।

লাস্টনিউজবিডি/জোবায়ের

 

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
ডিসেম্বর ২০১৭
শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি
« নভে.    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মতামত
বিজয় দিবসের প্রত্যাশা
।।মুহম্মদ জাফর ইকবাল ।। আমাদের বয়সী যে কোনও মান...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসে...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে নতুন প্রজন্মকে: গণশিক্ষা মন্ত্রী
  • কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
  • স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ
  • কুড়িগ্রামে বিজয় উৎসবে যাওয়ার পথে ৮ মুক্তিযোদ্ধা আহত
  • ডিমলায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (11%, ৫ Votes)
  • হ্যা (89%, ৪২ Votes)

Total Voters: ৪৭

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • yes (0%, ০ Votes)
  • no (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Good (100%, ০ Votes)

Total Voters: