Loading...
Tuesday, 31st October , 2017, 05:12 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

ভারতে আরব শেখদের ‘ছুটি কাটানোর বউ’



লাস্টনিউজবিডি,৩১ অক্টোবর, নিউজ ডেস্ক:  ভারতের হায়দ্রাবাদে কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে করতে আসা আরব শেখদের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছিলো মাস খানেক আগে। মূলত অল্প কিছুদিনের জন্য ভারতে এসে তারা স্থানীয় একটি চক্রের সহায়তায় জাল কাগজপত্র তৈরি করে অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ে করে।

এ ধরনের একজন আরব শেখ বিয়ে করেছিলো ফরহীনকে, যে পড়াশোনায় বেশ ভালই ছিল আর স্বপ্ন ছিলো নার্স হওয়ার। এক সকালে হঠাৎই তার জীবনটা বদলে যায় যখন তার বাবা একটা ঘরে তিনজন অচেনা লোকের সামনে তাকে হাজির করালেন।

Loading...

ওকে শুধু বলা হল ওই তিনজনের মধ্যে একজনের সঙ্গেই সেদিন বিকেলেই ওর বিয়ে হবে। ফরহীনের বয়স তখন ১৩। আর জর্ডনের অধিবাসী যে শেখের সঙ্গে সেই বিকেলে ওর বিয়ে হল, তার বয়স ৫৫।

‘আমি চিৎকার করে কাঁদছিলাম। বাবা মায়ের পায়ে পড়ছিলাম বার বার। বলছিলাম যে আমি পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে নি’ ফরহীন বলছিলেন বিবিসিকে।

ওর মা-ই ওকে কনের সাজে সাজিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন বিয়ের বদলে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছে ওই শেখ। প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা দেবে সে।

একজন কাজি ওদের নিকাহ পড়িয়েছিলেন।

‘ওই লোকটাকে প্রথমে দেখেই মনে হয়েছিল আমার থেকে ৪০ বছরেরও বেশী বড় হবে নিশ্চয়ই। প্রথম রাতে আমি কান্নাকাটি করছিলাম, কিন্তু ওই লোকটা জবরদস্তি করেছিল আমার ওপরে,’ বলছিলেন ফরহীন।

‘তারপরের তিন সপ্তাহ প্রতিদিন-প্রতিরাত সে আমাকে ধর্ষণ করেছে।’

তার বউ-বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য ফরহীনকে সঙ্গে করে জর্ডনে নিয়ে যেতে চেয়েছিল ওই শেখ।

তার আগে ফরহীনের জানা ছিল না যে ওই লোকটা বিবাহিত।

ফরহীনের বাবা-মায়ের সাথে ওই শেখ একটা সমঝোতায় এল – সে জর্ডন ফিরে যাবে, পরে ভিসা পাঠালে ফরহীন যাবে সে দেশে।

সেই ভিসা আর কখনও আসে নি।

ফরহীন নিয়ম মতো এখনও বিবাহিত, কিন্তু তিনি জানেন না যে তাঁর স্বামী কোথায়।

‘ওই ঘটনার প্রায় একবছর পর অবধি আমি চুপচাপ ছিলাম। একটুও কাঁদি নি। একেক সময়ে মনে হত মরে যাই। নিজের পরিবার – বাবা, মা – আমাকে ধোঁকা দিল?’ বলছিলেন ফরহীন।

ওই ঘটনার পরে আট বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনও ফরহীন সেই শক কাটিয়ে উঠতে পারেন নি। বিয়ে করতে আসা শেখদের মধ্য একজনের বয়স ছিলো ৮০।

তার সঙ্গে আমাদের দেখা হয়েছিল যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দপ্তরে, সেখানেই একজন শিক্ষিকা হিসাবে কাজ করছেন তিনি ।

ফরহীন বলছিলেন, ‘আমার আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে কেউ ঠাট্টা করে যে এক খারাপ লোকের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল বলে। কেউ আবার বলে যে আমি নাকি স্বামীর ইচ্ছা পূরণ করতে পারি নি বলে সে ছেড়ে চলে গেছে।’

গত তিনবছরে ফরহীনের ঘটনার মতো আরও ৪৮ টি অভিযোগ তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে জমা পড়েছে। যে কাজি ফরহীনের বিয়ে দিয়েছিল, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হায়দ্রাবাদ শহরের দক্ষিণ জোনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভি সত্যনারায়ন বলছিলেন, ‘সাধারণ ভাবে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ জানাতে এগিয়ে আসে না। আর এলেও অনেক সময়ে দেখা যায় অভিযুক্ত শেখ আগেই ভারত ছেড়ে পালিয়েছে। এটা আমাদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করি, কিন্তু ওই শেখদের ভারতে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করাটা খুব কঠিন।’

সিনিয়র পুলিশ অফিসারেরা বলছেন, এটা বেশ জটিল একটা অপরাধী নেটওয়ার্ক। অনেক দালাল থাকে এর মধ্যে – যারা বিয়ের ভুয়ো প্রমাণপত্র তৈরি করে দেয়।

সেপ্টেম্বর মাসে আটজন শেখকে তেলেঙ্গানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। এদের মধ্যে দুজনের বয়স ছিল ৮০। বাকিদের ৩৫-এর আশেপাশে।

এই আটজন যাদের বিয়ে করার পরিকল্পনা করেছিল, তাদের বয়স ১২ থেকে ১৭ বছর।

১২ বছরের তাবাসসুমের বিয়ে দেওয়া হয়েছিল ৭০ বছরের এক ব্যক্তির সঙ্গে। একটা হোটেলে নিয়ে গিয়ে যৌন অত্যাচার করার পরে তাকে তার ‘স্বামী’ ভিসা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল।

তাবাসসুম বছর খানেক পরে এক সন্তানের জন্ম দেয়। কিন্তু সেই সন্তানকে বড় করা হয়েছে তাবাসসুমের বোন হিসাবে।

তিনি বলছিলেন, ‘আমার মেয়ে যখন আমাকে দিদি বলে ডাকে, প্রত্যেকবার আমার বুকটা মুচড়ে ওঠে। আমি তো মা ডাকটা শুনতে চাই।’

বেশীরভাগ শেখ ওমান, কাতার, সৌদি আরব বা ইয়েমেন থেকে আসে। কোনও কোনও বিয়েতে আবার পাত্র তো ভারতে আসেও না। ফোনেই বিয়ে হয়ে যায়।

যেমনটা হয়েছিল জেহরার। ১৫ বছর বয়সী জেহরা অনাথ। তার দাদির সঙ্গে থাকত সে। জেহরার একটা ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল তারই মামি।

‘বাড়িতে কাজি এসেছিল এক রাত্রে। ফোনের মাধ্যমেই নিকাহ পড়িয়ে দিল। আমি জানতামও না কার সঙ্গে আমার বিয়ে হল,’ বলছিলেন জেহরা।

কিছুদিন পরে ভিসা পেয়ে জেহরা ইয়েমেন যায়। এক ৬৫ বছরের লোক নিজেকে জেহরার স্বামী বলে পরিচয় দেয়।

তাকে একটা হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে অত্যাচার করার পরে তাকে হায়দ্রাবাদে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ফরহীন বা জেহরার মতো মেয়েদের ব্যবহার করে তারপরে ছেড়ে দেয় ওই আরব শেখরা।

‘শাহিন’ নামের একটা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চালান জামিলা নিশাত। তিনি এরকম নারীদেরই সাহায্য করে থাকেন।

জামিলার কথায়, ‘আমি যে মুসলিম এলাকায় কাজ করি, সেখানে এক তৃতীয়াংশ পরিবারই অর্থের লোভে নিজেদের মেয়েদের এইভাবে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। খুবই গরীব পরিবার এগুলো। বাচ্চাদের খাবারের ব্যবস্থাও করতে পারে না এরা। স্কুল থেকে যে সরকারী মিড-ডে মিল দেওয়া হয়, শুধু সেই খাবার খেয়েই বড় হয় শিশুরা।’

কেউ অবশ্য স্বীকার করে না যে তারা অর্থের জন্য এইভাবে মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে, বরং তারা বলার চেষ্টা করে যে একটা সামাজিক নিয়ম পালন করছে এর মাধ্যমে।

এরকমও ঘটনা আছে, যেখানে একই পুরুষের সঙ্গে দুটি মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। রুবিয়া আর সুলতানা দুজনেই ছিল ছোটবেলার বন্ধু। তাদের দুজনেরই বিয়ে হয়েছিল – শেখের সঙ্গে। পরে তারা বুঝতে পারে যে তাদের দুজনেরই স্বামী একই ব্যক্তি – ওমানের বাসিন্দা এক ৭৮ বছরের শেখ।

কাঁদতে কাঁদতে রুবিয়া বলছিল যে বিয়ের সময়ে তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।

‘ওই লোকটা আমাকে আর আমার বন্ধুকে ছেড়ে চলে যায়। বেশ কয়েক সপ্তাহ তার কোনও খোঁজ পাই নি আমরা। সুলতানা শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করে,’ বলছিলেন রুবিয়া।

ইসলামিক পণ্ডিত মুফতি হাফিজ আবরার এই ধরণের বিয়েকে বেশ্যাবৃত্তি বলে মনে করেন।

‘যে কাজি অর্থের বিনিময়ে এইভাবে অন্য দেশের পুরুষদের সঙ্গে এখানকার মেয়েদের বিয়ে দেয়, তারা ইসলাম ধর্মের আর মুসলমানদের নাম খারাপ করছে,’ বলেও অভিমত হাফিজের।

কিন্তু তেলেঙ্গানার শিশু সুরক্ষা আধিকারিক ইমতিয়াজ আলি খান মনে করেন এই ধরনের বিয়ে আটকাতে মসজিদগুলোর সহায়তা প্রয়োজন।

‘আমরা মসজিদগুলোকে বলতে শুরু করেছি যে এইরকম অনৈতিক বিয়ের ব্যাপারে নামাজিদের যেন তারা সতর্ক করতে শুরু করে,’ বলছিলেন মি. খান।

ফরহীন, তাবাসসুম, জেহরা, রুবিয়া আর সুলতানাদের মতো যুবতীরা অবশ্য এখনও আশা করে যে তাদের যে অবস্থায় পড়তে হয়েছে, সেই অবস্থায় অন্য শিশু বা নারীদের হয়তো আর পড়তে হবে না কিছুদিন পরে।

ফরহীন স্বপ্ন দেখেন সেই দিনের, যেদিন নারীদের শিক্ষার ব্যাপারে সমাজ সচেতন হবে, তারা যে শুধুই যৌন লিপ্সা মেটানোর বস্তু নয়, সেটা বুঝতে শিখবে সবাই।

‘আমার পরিবার এখন আমার কাছে ক্ষমা চায় তাদের কৃতকর্মের জন্য। তারা বুঝতে পেরেছে তাদের ভুল। এভাবেই যদি বাকিরাও বুঝতে পারে যে অর্থের লোভে নিজের মেয়েকে বিয়ে না দিয়ে বরং তাদের পড়াশোনা করানো দরকার,’ বলছিলেন ফরহীন।

এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত প্রত্যেক পীড়িত নারীর নাম বদল করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের পরিচয় গোপন রাখার স্বার্থে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

লাস্টনিউজবিডি/এমবি

Print Friendly, PDF & Email
Loading...
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

একবার ভোট বর্জন করায় অনেক খেসারত দিতে হয়েছে মন্তব্য করে আর নির্বাচন বয়কটের আওয়াজ না তুলতে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন, আপনি কি একমত ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
মাইনাস টু ফর্মুলা,খালেদা-তারেকবিহীন বিএনপি!
।।মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু ।। সামরিক বাহিনীর প্র...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসে...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • ঠাকুরগাও-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আ’লীগে-৯ বিএনপিতে-৬ একক জাপা ওয়ার্কাস
  • রংপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের ৪ যাত্রী নিহত
  • শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে দল ও নির্বাচনী এলাকাকে এগিয়ে নিতে চাই: সেলিনা জাহান লিটা

একবার ভোট বর্জন করায় অনেক খেসারত দিতে হয়েছে মন্তব্য করে আর নির্বাচন বয়কটের আওয়াজ না তুলতে জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন, আপনি কি একমত ?

  • মতামত নাই (0%, ০ Votes)
  • না (0%, ০ Votes)
  • হা (100%, ৩ Votes)

Total Voters:

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • হা (13%, ২ Votes)
  • মতামত নাই (13%, ২ Votes)
  • না (74%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • no (0%, ০ Votes)
  • yes (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • Good (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • No Comments (100%, ০ Votes)

Total Voters: