Loading...
Sunday, 30th April , 2017, 12:55 pm,BDST
Print Friendly, PDF & Email

৭ শতাংশ ভ্যাট হলে জনগণ মানবে: মাতলুব আহমাদ



লাস্টনিউজবিডি, ৩০ এপ্রিল, ঢাকা: নতুন ভ্যাট আইন সংশোধন না হলে বাস্তবায়ন কঠিন হবে বলে মন্তব্য করে এফবিসিসিআইর সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেছেন, ৭ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ করা হলে তা জনগণ মেনে নেবেন

রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও এফবিসিসিআইর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৩৮তম সভায় এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ স্বাগত বক্তব্যে এ কথা বলেন।

Loading...

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম.এ. মান্নান, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ, এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতিবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে এফবিসিসিআই সভাপতি মাতলুব আহমাদ বলেন, বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে ৮টি বাজেট আপনি সফলতার সাথে উপস্থাপন করেছেন। বর্তমান মেয়াদের চতুর্থ বছরের জাতীয় বাজেট আপনি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। এজন্য বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং মোবারকবাদ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনা এবং আপনার দূরদর্শি ও বিচক্ষণ পরিকল্পনা এবং আন্তরিক প্রয়াস আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সুদৃঢ় করেছে। এ জন্য সরকারের নিকট আমরা কৃতজ্ঞ।

তিনি আগামী ১ জুলাই, ২০১৭ তারিখে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ কার্যকর করার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আজকের এই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৩৮তম সভা অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।

আগামী ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের বাজেটের আকার ৪ লাখ ২০০ কোটি টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থ্যাৎ বাজেটের প্রবৃদ্ধি হবে প্রায় ১৭ শতাংশ। এছাড়াও রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৩৩ শতাংশ। বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতি একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ালেও কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ Indicator সমূহে নিম্নমুখী প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষকরে জাতীয় অর্থনীতির দু’টি মূল উৎস রপ্তানি ও রেমিট্যান্স-এর প্রবৃদ্ধি বর্তমানে নিম্নমুখী। বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতি দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এছাড়াও গত কয়েকদিনে প্রলয়ংকারী প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে সারাদেশের বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। -বলেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

আবদুল মাতলুব বলেন, এ অবস্থায় উচ্চাভিলাসী বাজেট প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে অতি মাত্রায় রাজস্ব নির্ধারণ করা হলে অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বাজেটের আকার সকলের সাথে আলোচনাপূর্বক গুনগতমান ও বাস্তবায়ন সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারন করা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। জনগন যাতে বৃহৎ বাজেটের ভার সহ্য করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা এবং তদারকের মান ক্রমাগতভাবে উন্নয়নের সুষ্ঠু ও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা থাকতে হবে। অন্যথায় বাজেট কার্যকর করা দুরুহ হবে। তাছাড়া গুনগত মান বজায় রেখে বাজেট বাস্তবায়নে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রধান।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ৬ শতাংশের গন্ডি অতিক্রম করে চলতি বছরে ৭ শতাংশের উপরে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এজন্য আপনার মাধ্যমে সরকারকে অকুন্ঠ ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই সফলতার সূত্র ধরেই আগামী অর্থ বছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে – যা একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রতি বেসরকারী খাতের সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার করছি।

আগামী ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের বাজেটকে সামনে রেখে দেশের সামগ্রীক অর্থনীতিকে বিবেচনায় নিয়ে কিছু প্রস্তাবনাও তুলে ধরেন আবদুল মাতলুব আহমাদ।

প্রস্তাবনাগুলো হচ্ছে
বিদ্যুৎ, জ্বালানী, অবকাঠামো, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে বেকারত্ব নিরসন, সম্পদের সুষম বন্টন ও দারিদ্র বিমোচন, বৈদেশিক সাহায্যের যথাযথ প্রয়োগ, আভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বাড়তি অর্থ আদায়ের মত গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলি আগামী বাজেট প্রণয়ন ও যথাযথ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ বলে আমরা মনে করি। ব্যক্তিখাতকে উৎসাহ দেয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দিতে হবে।

বাজেট অর্থায়নে অপেক্ষাকৃত সুলভ সুদে বৈদেশিক অর্থের উপর গুরুত্ব আরোপ করা যেতে পারে। এতে ব্যাংক ব্যবস্থার উপর সরকারের নির্ভরশীলতা কমবে, বিপুল সুদের দায়ভার অপেক্ষাকৃত কম হবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি: এডিপি’র আকার, অর্থ সংস্থান, সময়োচিত পরিকল্পনা প্রণয়ন, যোগ্য ও দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগসহ সার্বিক প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের প্রস্তাব করছি।

বিনিয়োগ: কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে জিডিপি’র ৩৪.৪ শতাংশ বিনিয়োগ নিশ্চিতকরণের জন্য সরকার এবং বেসরকারী উভয় খাতের বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী: দেশের সুদৃঢ় অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর ভূমিকা অপরিসীম। দেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য সরকার ইতিমধ্যে বেশকিছু ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে যার সুফল আমরা পাচ্ছি। তবে শিল্পায়নের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরী।

রপ্তানী উন্নয়ন, বহুমুখীকরণ ও রপ্তানী প্রণোদনা: দেশের রপ্তানী উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও বহুমুখীকরনের লক্ষ্যে রপ্তানী পণ্য ও বাজার সম্প্রসারণ, শিল্পনীতি ও রপ্তানী নীতি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জোরদারকরণ, লাগসই রপ্তানী প্রণোদনা নিশ্চিতকরণসহ ইউএসএ, সিআইএসভূক্ত এবং ইউরোপীয়ন দেশসমূহের সাথে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বানিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।

ক্ষুদ্র, মাঝারী ও কুটির শিল্পের উন্নয়ন: কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের স্বার্থে ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পের উন্নয়নে এ খাতে সুলভ ও সহজ পদ্ধতিতে ঋণ সেবা প্রদান নিশ্চিতকরণ ও ক্ষুদ্র, মাঝারী ও কুটির শিল্প সহায়ক শুল্ক ও কর ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরী।

সুশাসন ও ন্যায় বিচার: সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যই আমাদের সুশাসন ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের সকল স্তরের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরী অন্যথায় কাঙ্খিত বিনিয়োগ হবে না।

নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন: নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন খাতে আগামী বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। এছাড়া মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্প পার্ক এবং পৃথক নারী উদ্যোক্তা ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করছি।

কৃষি উৎপাদন: সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি নিরসনে সহজ শর্তে কৃষি ঋন সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সেসাথে কৃষি খাতের ভর্তুকী যাতে সরাসরি ও সঠিক সময়ে কৃষকের কাছে পৌছে সে বিষয়ে মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

শিল্পের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন: দেশের উত্তরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত ও অনুন্নত অঞ্চলে বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন উৎসাহিত করতে বিশেষ রেয়াতি সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি শিল্প প্লটের অপর্যাপ্ততা দূর করার জন্য বিসিকসহ অন্যান্য রাষ্ট্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি ব্যবহারের বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ জানাচ্ছি।

পর্যটন শিল্পের বিকাশ: দেশের অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত হচ্ছে পর্যটন শিল্প। পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিশেষ দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।

দ্রব্যমূল্য: রোজাকে সামনে রেখে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যকে সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সূলভে বর্ধিত নিত্যপন্য সরবরাহ নিশ্চিত করে বাজার মূল্যের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

এফবিবিসিআই সভাপতি আরও বলেন, এবার আমি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পক্ষে বাজেট প্রনয়নে আয়কর, আমদানী শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় আপনার সদয় বিবেচনার জন্য পেশ করছি। ইতিমধ্যে নীতিগত ও খাতভিত্তিক বিস্তারিত বাজেট প্রস্তাব কার্যপত্র হিসাবে সকলের নিকট দেয়া হয়েছে। এছাড়াও যদি অন্যান্য প্রস্তাব থাকে তা মুক্ত আলোচনায় উত্থাপন করা হবে।

বাজেটে করের হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানোর দিকে বেশী মনোযোগী হওয়া দরকার। এতে যারা নিয়মিত কর দিয়ে যাচ্ছেন তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হবে না। পরোক্ষ করের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল না হয়ে প্রত্যক্ষ কর আদায়ে জোর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা।

আমদানী শুল্ক, আয়কর ও মূসক সম্পর্কিত বিস্তারিত প্রস্তাব আপনাদের নিকট দেয়া হয়েছে। যা আজকের পরামর্শক কমিটির সভায় আলোচনা হবে। তবে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ন কয়েকটি প্রস্তাব নিম্নে উল্লেখ করতে চাই।

আমদানী শুল্ক সম্পর্কিত প্রস্তাব
শুল্ক স্তর
দেশীয় শিল্পের বিকাশ, বর্ধিত হারে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান এবং ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষনে বর্তমান শুল্কস্তর ১%, ৫%, ১০%, ১৫% ও ২৫% অব্যাহত রাখা। বর্তমানে ট্যারিফ সিডিউলে ৩১২ টি পণ্যের উপর শুন্য শতাংশ শুল্ক আছে তা আগামী অর্থবছরে অব্যাহত রাখা। যেমন সুতা, জীবন রক্ষাকারী ঔষধ, ভিটামিন, শস্যবীজ, কাচাঁপণ্য ইত্যাদি।

Specific Duty
৪৭ টি পণ্যের ক্ষেত্রে ঝঢ়বপরভরপ উঁঃু নির্ধারন করা আছে তা অব্যাহত রাখা যেমন: স্টীল ও লোহা জাতীয় পণ্য, চিনি, সিমেন্ট ক্লিংকার, পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য ইত্যাদি।

শক্তিশালী কমিটি গঠন
আন্ডার ইনভয়েসিং এবং মিস ডিক্লেরেশন এ কারনে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বৈষম্য তৈরী হয়। এজন্য আন্ডার ইনভয়েসিং এবং মিস ডিক্লেরেশন রোধের জন্য পন্যভিত্তিক বিনিময় মূল্যের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক নীতি সদস্যকে আহবায়ক করে এফবিসিসিআই, ট্যারিফ কমিশন, শুল্ক মূল্যায়ন কমিশনারেট-এর সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করছি।

শুল্ক আইন
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাস্টমস ভ্যালুয়েশন এগ্রিমেন্ট ও ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্টের আলোকে আধুনিক এবং বাস্তবসম্মত ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরী এবং রাজস্ব বান্ধব করার লক্ষ্যে নতুন শুল্ক আইন চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী বাজেট অধিবেশনে উক্ত শুল্ক আইন পাশ করার জন্য প্রস্তাব করছি।

সম্পুরক শুল্ক
নতুন মূসক আইন অনুযায়ী ১৫২০ টি পণ্যে ও সেবার মধ্যে ১৩৫০টি পণ্য ও সেবা থেকে সম্পূরক শুল্ক উঠে যাবে। এতে দেশীয় বাজারে বিদেশী পণ্য নিয়ন্ত্রণ করবে এবং স্থানীয় শিল্প প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এ কারনে বর্তমানে সে সকল পণ্যে ও সেবার ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা আছে তা অব্যাহত রাখা বা রেগুলেটরী ডিউটি আরোপ করাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তাব করছি।

আয়কর সম্পর্কিত প্রস্তাব
ব্যক্তি করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি
আয়কর বা প্রত্যক্ষ কর সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মোট করের বেশীর ভাগ প্রত্যক্ষ কর থেকে আদায় করে থাকে। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের অনুপাত দক্ষিন এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় কম। মোট রাজস্ব আহরণে প্রত্যক্ষ করের অবদান মালয়েশিয়ায় ৭৫ শতাংশ, পাকিস্তানে ৩৭ শতাংশ, ভারত ৫৬ শতাংশ সেখানে বাংলাদেশ ৩০ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং সফল টিমওয়ার্ক-এর মাধ্যমে এ বছর ই-টিআইএন ধারীর সংখ্যা ২৮ লক্ষ অতিক্রম করেছে। এদেরকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের আওতায় এনে আয়কর খাত থেকে রাজস্ব বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি। এতে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি পাবে।

মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় ব্যক্তি আয়কর মুক্ত আয়ের সীমা ২,৫০,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩,২৫,০০০ টাকা নির্ধারন করার প্রস্তাব করছি।

কর্পোরেট কর হার
সকল কোম্পানীর ক্ষেত্রে কর্পোরেট কর হার ২৫% এবং ৩৫%। কর প্রদানে স্বচ্ছতা আনা এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্পোরেট কর হার ২.৫ শতাংশ হ্রাস করার প্রস্তাব করছি। এছাড়াও মূসক নিবন্ধনকারী তালিকাভুক্ত কোম্পানীর কর হার ট্রেডিং কোম্পানীর চেয়ে ২.৫ শতাংশ কম রাখার প্রস্তাব করছি।

সারচার্জ
সঞ্চয়, মূলধন গঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যক্তি করদাতার প্রদর্শিত নীট পরিসম্পদের ভিত্তিতে সারচার্জের শুন্য শতাংশের সীমা বর্তমানে ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করছি।

অগ্রিম আয়কর
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড যেভাবে ডিজিটালাইজড হচ্ছে তাতে আমদানী পর্যায়ে এআইটি নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তাই দেশীয় শিল্পের স্বার্থে শিল্পের মৌলিক কাচাঁমালের উপর ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর বা এআইটি প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করছি। এতে উৎপাদন খরচ কমবে এবং উৎপাদিত শিল্প পণ্য প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

রপ্তানীর ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন
রপ্তানী উৎসাহিতকরন এবং প্রতিযোগিতার সক্ষমতার টিকে থাকতে পোষাকসহ সকল রপ্তানী উৎসে কর ০.৭% থেকে হ্রাস করে ০.৫% ধার্য্য করার প্রস্তাব করছি। এছাড়া রপ্তানী ক্ষেত্রে এবং রেমিটেন্স প্রেরনের ক্ষেত্রে ডলার ইনসেনটিভ দেয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ জানাচ্ছি।

গ্রস প্রফিট (জিপি)
গ্রস প্রফিট (জিপি) নির্ধারনের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাগণ গতানুগতিক ধারনা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না এবং করদাতাগণ নানাবিধ হয়রানীর স্বীকার হচ্ছেন। করদাতা ও কর কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্য দুর করার লক্ষ্যে যৌক্তিক ও স্ট্যান্ডার্ড গ্রস মুনাফা হার নির্ধারণের জন্য সঠিক গাইডলাইন বা দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ জানাচ্ছি।

মূল্য সংযোজন কর সম্পর্কিত প্রস্তাব
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক আইন-২০১২ পুনঃনিরীক্ষাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের নিমিত্তে গঠিত যৌথ কমিটির ৭ (সাত) দফা সুপারিশ এবং ওয়ার্কিং কমিটির যৌথ সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়িত না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থার সংকট দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থায় নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে অনলাইন ভ্যাট সিস্টেম চালু হয়েছে যার জন্য আমরা সাধুবাদ জানিয়েছি। আমরা নতুন ভ্যাট আইনের বিপক্ষে নই কিন্তু ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন ভ্যাট আইন সংশোধন করা না হলে তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে যাবে বলে আমরা মনে করি। এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাবনা এবং বিভিন্ন বানিজ্য সংগঠনের সুপারিশের আলোকে মূসক আইন ও বিধি সংশোধনপূর্বক বাস্তবায়ন করা দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প, ব্যবসা ও সেবা খাতের জন্য অপরিহার্য্য যাতে করে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত না হয় এবং সরকার কাঙ্খিত রাজস্ব আহরণ করতে সক্ষম হয়। যৌথ কমিটির সুপারিশের আলোকে নিম্নোক্ত প্রস্তাব আবারও পেশ করছি।

অব্যাহতির সীমা
সকল সরবরাহ (উৎপাদন, ব্যবসা, সেবাপ্রদান) এর ক্ষেত্রে ৩০ লক্ষ টাকার পরিবর্তে ৩৬ লক্ষ টাকা টার্নওভার পর্যন্ত অব্যাহতি প্রদান করার সুপারিশ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র, গ্রামীন উদ্যোগ, কুটির শিল্প ইত্যাদি প্রান্তিক খাতের বিকাশে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বা দোকানদারদের হিসাব সংরক্ষণের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে উক্ত সীমা অবিলম্বে ৩৬ লক্ষ টাকা নির্ধারন করার প্রস্তাব করছি।

টার্নওভার সীমা
উৎপাদন, ব্যবসা ও সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে বার্ষিক টার্নওভার ৩৬ লক্ষ টাকা থেকে ১.৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত কেবলমাত্র উৎপাদন পর্যায়ে ৩ শতাংশ টার্নওভার কর আরোপের প্রস্তাব করছি। মুদ্রামান এবং মূল্যস্ফীতির নিরিখে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে প্রণোদনা প্রদানের উদ্দেশ্যে, এবং সহজ পদ্ধতি ও সহনশীল করদায় প্রবর্তনের জন্য, এই সুপারিশ করা হয়েছে।

ব্যবসায়ী বা দোকাদারদের ক্ষেত্রে
ব্যবসায়ী পর্যায়ে বার্ষিক ৩৬ লক্ষ টাকার উর্ধ্বে টার্নওভারের পরিমাণ নির্বিশেষে, ২ শতাংশ হারে মূসক আরোপের সুপারিশ করা হলো। তবে এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীগণ আমদানীস্তরে পরিশোধিত আগাম কর বা উপকরণ কর সমন্বয় করতে পারবে না মর্মে শর্ত আরোপের বিধান করার সুপারিশ করছি।

হ্রাসকৃত হারে মূসক আরোপ
উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণে অসমর্থ প্রতিষ্ঠানের করযোগ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক হ্রাসকৃত হারে মূসক আরোপের বিধান অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হলো। ক্ষুদ্র ও মাঝারী সেবা খাতের স্বার্থে ১৫ শতাংশের পরিবর্তে হ্রাস হারে মূসক হার নির্ধারন করা অত্যন্ত জরুরী।

পণ্য পরিবহন সেবা
আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রাপ্ত সরবরাহ বা আমদানির প্রথম তফসিলের ১ম খন্ডে মৌলিক চাহিদার ক্রমিক নং-৩ এ বর্ণিত ট্যাক্সি, বাস, মিনিবাস বা ফেরীর মাধ্যমে প্রদত্ত পরিবহন সেবা সরবরাহ বাক্যের সাথে ট্রাক, মিনি ট্রাক এবং পিকআপ শব্দটি অর্ন্তভুক্ত করার প্রস্তাব করছি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুরোধে মূসক ও সম্পুরক শুল্ক আইন-২০১২ এবং বিধিমালা-২০১৬ এর উপর বেশকিছু সংশোধনীর প্রস্তাব আমরা দিয়েছি। উক্ত প্রস্তাবনার আলোকে আইন সংশোধন করে বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

মূসক ও সম্পুরক শুল্ক আইন-২০১২ এর ভাষা বেশ জটিল। সকল করদাতার নিকট ব্যবসা-বান্ধব করার লক্ষ্যে আইনের আকার ছোট এবং ভাষা সহজবোধ্য করার প্রস্তাব করছি।

এফবিসিসিআই এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মধ্যে চলমান পার্টনারশীপ ব্যবস্থা আগামীতে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এফবিসিসিআই-এর সদস্যভুক্ত ৬৪টি জেলা চেম্বারসহ খাতভিত্তিক ৩৮৪টি এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় ভবিষ্যতে ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ এবং রাজস্ব-বান্ধব পরিবেশ তৈরীর ক্ষেত্রে মূসক আইন বাস্তবায়নে এফবিসিসিআই-এর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

মাতলুব আহমাদ বলেন, আজকের আলোচনার মাধ্যমে যে সমস্ত পরামর্শ পাওয়া যাবে তা আগামী বাজেট প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করি। বিশ্বায়ন পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে দেশের বেসরকারী খাতকে দৃঢ় অবস্থানে স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টির জন্য একটি সুদুর প্রসারী, বাস্তব ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার প্রতিফলন বাজেটে থাকবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। সে সাথে একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাজেটে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা থাকবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

লাস্টনিউজবিডি/এমএইচ

Print Friendly, PDF & Email
Loading...
Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed

diamond world
Rupali bank ltd
exim bank
Lastnewsbd.com
পেপার কর্ণার
Lastnewsbd.com
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন >

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
আর্কাইভ
মতামত
মাইনাস টু ফর্মুলা,খালেদা-তারেকবিহীন বিএনপি!
।।মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু ।। সামরিক বাহিনীর প্র...
বিস্তারিত
সাক্ষাৎকার
সফল হওয়ার গল্প, সাফল্যের পথ
।।আলীমুজ্জামান হারুন।। ১৯৮১ সালে যখন নিটল মটরসে...
বিস্তারিত
জেলার খবর
Rangpur

    রংপুরের খবর

  • শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে দল ও নির্বাচনী এলাকাকে এগিয়ে নিতে চাই: সেলিনা জাহান লিটা
  • ডিমলায় ইউএনও'র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেলো খুশি
  • ডিমলায় নসিমন চাপায় বৃদ্ধা নিহত

সংলাপ সফল হবে বলে আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (14%, ২ Votes)
  • হা (14%, ২ Votes)
  • না (72%, ১০ Votes)

Total Voters: ১৪

আপনি কি মনে করেন যে কোন পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন করবে ?

  • মতামত নাই (7%, ৭ Votes)
  • না (23%, ২৩ Votes)
  • হ্যা (70%, ৭১ Votes)

Total Voters: ১০১

অাপনি কি কোটা সংস্কারের পক্ষে ?

  • মতামত নেই (3%, ১ Votes)
  • না (8%, ৩ Votes)
  • হ্যা (89%, ৩৩ Votes)

Total Voters: ৩৭

খালেদা জিয়ার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই' বিএনপি নেতা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের সাথে - আপনিও কি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ১ Votes)
  • না (27%, ৩ Votes)
  • হ্যা (64%, ৭ Votes)

Total Voters: ১১

আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের কোনো উপদেশ বা পরামর্শের প্রয়োজন নেই বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?

  • মতামত নাই (7%, ১ Votes)
  • হ্যা (20%, ৩ Votes)
  • না (73%, ১১ Votes)

Total Voters: ১৫

এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমাদ বলেন, এরশাদকে খুশি করতে বেগম জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের জেলখানায় নেয়া হয়েছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  • মতামত নাই (8%, ৫ Votes)
  • না (27%, ১৬ Votes)
  • হ্যা (65%, ৩৮ Votes)

Total Voters: ৫৯

আপনি কি মনে করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করবে ?

  • না (13%, ৫৪ Votes)
  • হ্যা (87%, ৩৬২ Votes)

Total Voters: ৪১৬

আপনি কি মনে করেন বিএনপির‘র সহায়ক সরকারের রুপরেখা আদায় করা আন্দোলন ছাড়া সম্ভব ?

  • হ্যা (32%, ৪৫ Votes)
  • না (68%, ৯৫ Votes)

Total Voters: ১৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে নির্ভরশীল, এ বিষয়ে অাপনার মন্তব্য কি ?

  • মন্তব্য নাই (7%, ২ Votes)
  • হ্যা (26%, ৭ Votes)
  • না (67%, ১৮ Votes)

Total Voters: ২৭

আপনি কি মনে করেন নির্ধারিত সময়ের আগে আগাম নির্বাচন হবে?

  • মন্তব্য নাই (7%, ১০ Votes)
  • হ্যা (31%, ৪৬ Votes)
  • না (62%, ৯১ Votes)

Total Voters: ১৪৭

হেফাজতকে বড় রাজনৈতিক দল বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। আপনি কি তার সাথে একমত?

  • মতামত নাই (10%, ৩ Votes)
  • না (34%, ১০ Votes)
  • হ্যা (56%, ১৬ Votes)

Total Voters: ২৯

“আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে দেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা কমে যাবে ”সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সাথে কি অাপনি একমত ?

  • মতামত নাই (9%, ৩ Votes)
  • না (32%, ১১ Votes)
  • হ্যা (59%, ২০ Votes)

Total Voters: ৩৪

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে যারা সংগঠনের নামে দোকান খুলে বসেছে, তাদের ধরে ধরে পুলিশে দিতে হবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

  • মতামত নাই (7%, ৩ Votes)
  • না (10%, ৪ Votes)
  • হ্যা (83%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৪২

ড্রাইভাররা কি আইনের উর্ধে ?

  • মতামত নাই (2%, ১ Votes)
  • হ্যা (14%, ৭ Votes)
  • না (84%, ৪৩ Votes)

Total Voters: ৫১

সার্চ কমিটিতে রাজনৈতিক দলের কেউ নেই- ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?

  • মতামত নাই (5%, ৩ Votes)
  • হ্যা (31%, ১৭ Votes)
  • না (64%, ৩৫ Votes)

Total Voters: ৫৫

ইসি গঠন নিয়ে রস্ট্রপতির সংলাপ রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক মাত্রা আসবে বলে কি আপনি মনে করেন ?

  • মতামত নাই (8%, ৭ Votes)
  • না (34%, ৩২ Votes)
  • হ্যা (58%, ৫৪ Votes)

Total Voters: ৯৩

Do you support DD?

  • yes (0%, ০ Votes)
  • no (100%, ০ Votes)

Total Voters:

How Is My Site?

  • Excellent (0%, ০ Votes)
  • Bad (0%, ০ Votes)
  • Can Be Improved (0%, ০ Votes)
  • No Comments (0%, ০ Votes)
  • Good (100%, ০ Votes)

Total Voters: